লালমোহনে ১৬৯ পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা আটক, পরে বহিষ্কার
ভোলার লালমোহনে ১৬৯ পিস ইয়াবাসহ মো. শরিফ চৌধুরী (২৬) নামে উপজেলা ছাত্রদলের এক সদস্যকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এ ঘটনায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কার করেছে জেলা ছাত্রদল।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে লালমোহন পৌরসভার গুদিরপুল এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে লালমোহন থানায় হস্তান্তর করে কোস্টগার্ড।
আটক শরিফ চৌধুরী উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌরাস্তা মোড় এলাকার লালু মিয়ার ছেলে। সম্প্রতি ঘোষিত লালমোহন উপজেলা ছাত্রদলের কমিটিতে তিনি সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছিলেন।
এদিকে, শরিফ চৌধুরীর আটকের ঘটনায় ব্যক্তির অপকর্মের দায় সংগঠন নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন লালমোহন উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদুল ইসলাম নয়ন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘কারও ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কখনোই নেয়নি, ভবিষ্যতেও নেবে না। ছাত্রদলের সাংগঠনিক নিয়মনীতি বহির্ভূতভাবে কেউ ব্যক্তিস্বার্থে কোনো ধরনের অনিয়ম, অপকর্ম বা দুর্নীতিতে জড়িত হলে তার দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে।’
অন্যদিকে, রবিবার (২৫ অক্টোবর) ভোলা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ রুবেল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শরিফ চৌধুরীকে বহিষ্কারের বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে লালমোহন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য মো. শরিফ চৌধুরীকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে কোস্টগার্ড ১৬৯ পিস ইয়াবাসহ শরিফ চৌধুরীকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে এবং রবিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন