খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৩রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস দমনে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস দমনে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি)-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, দেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটতরাজ, গুম-খুনসহ নানা সামাজিক অনাচার দিন দিন বেড়েই চলেছে। এসব অনাচার দূর করতে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পার করেছি। এ দেশের মানুষ মুক্তির আশায় বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে জীবন দিয়েছে। কিন্তু এখনো মানুষের কাঙ্ক্ষিত মুক্তি আসেনি। যে নীতির মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে স্বাধীনতার হীরকজয়ন্তী কিংবা শতবর্ষও উদযাপন করতে হবে; কিন্তু জনগণের ভাগ্যের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন হবে না।’

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (আইএবি) ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আয়োজিত ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বিভিন্ন সময়ে জনগণ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে পরীক্ষা করেছে। কিন্তু বিদ্যমান নীতির মাধ্যমে কেউই সমাজ ও রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে পারেনি। নির্বাচনের পর অনেকেই নির্বাচনী ইশতেহার ভুলে গিয়ে জনগণকে ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নীতির প্রশ্নে কখনো আপস করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না, ইনশাআল্লাহ। তাই জনগণ আশা করছে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাত ধরেই এ দেশে নীতির পরিবর্তন হবে।’

সম্মেলনে আইএবির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘আমাদের শীর্ষ নেতারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমরা আশা করেছিলাম, ৫ আগস্টের পর রাজনীতিতে চাঁদাবাজি ও ধোঁকাবাজির ধারা থাকবে না। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন এখনো বাস্তবে দেখা যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপি সরকার এখনো তালবাহানা করছে। তাদের মনে রাখা উচিত, এভাবে চলতে থাকলে জনবিস্ফোরণ ঘটতে সময় লাগবে না।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘আমাদের কোনো গোপন এজেন্ডা নেই। আমরা অতীতেও বলেছি, বর্তমানে বলছি এবং ভবিষ্যতেও জাতির সামনে বলেই যাব—আমরা ইসলামী শরিয়াহ বাস্তবায়ন করতে চাই।’

সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, দলের নেতাকর্মীদের প্রতিটি ওয়ার্ডের অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়তে হবে এবং শরিয়াহর পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে হবে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ওয়ার্ডগুলো থেকেই শরিয়াহর বিজয় শুরু হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, ‘আমরা ভিশন ও মিশন নির্ধারণ করেই সামনে এগোচ্ছি। জনগণ আমাদের নির্বাচিত করলে ঢাকা মহানগরকে স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তুলব।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি কে এম শরীয়াতুল্লাহর সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন আইএবির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আরিফুল ইসলাম, নগর দক্ষিণের সহসভাপতি জি এম রুহুল আমীন, আলহাজ্ব এম এইচ মোস্তফা, আলহাজ্ব আবদুর রাজ্জাক, নগর উত্তরের সহসভাপতি মাওলানা তাজুল ইসলাম, অধ্যক্ষ জিল্লুর রহমান, নগর উত্তরের সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল ইসলাম নাঈম, মাওলানা ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।

‘নিজ স্ত্রীর সঙ্গে’ ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, জামায়াত নেতার পদ স্থগিত

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
‘নিজ স্ত্রীর সঙ্গে’ ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, জামায়াত নেতার পদ স্থগিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মো. শহীদুল্লাহ্ (৪৬) নামের এক নেতার রুকনিয়াত সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দলটির ময়মনসিংহ মহানগর শাখা।

মো. শহীদুল্লাহ্ নগরের নতুন বাজার থানা জামায়াতের রুকন পদে ছিলেন। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি স্থানীয় নওমহল এলাকার আল আরাবিয়া দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত।

দলীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকাল থেকেই মো. শহীদুল্লাহ্‌র একটি আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমালোচনার জন্ম দেয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মহানগর জামায়াত জরুরি সভায় বসে এ সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শহীদুল্লাহ্‌র দাবি, ছড়িয়ে পড়া দৃশ্যটি তার স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা সম্পূর্ণ পারিবারিক ও একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের। শত্রুতাবশত অজ্ঞাতপরিচয় কেউ তার মুঠোফোন থেকে ভিডিওটি হাতিয়ে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আগে থেকেই তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল এবং মোটা অঙ্কের অর্থও দাবি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির কামরুল আহসান বলেন, ভিডিওটি তার ব্যক্তিগত এবং স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা। বিষয়টি নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে আপাতত তার রুকনিয়ত স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন শহীদুল্লাহ। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম রব্বানী বলেন, ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে এক শিক্ষার্থীর বিষয়ে অভিযোগকারী তথ্য দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত ভিডিও অনুমতি ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ভিডিওটি কে বা কারা ছড়িয়েছে এবং এর পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এমপিওভুক্ত কলেজে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
এমপিওভুক্ত কলেজে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি এবং অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সভাপতি হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বাধ্যতামূলক নয়। স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই এ পদে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা অর্জন করা যাবে।

রবিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গভর্নিং বডি বা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এবং বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১১ মার্চ জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পরিবর্তে স্নাতক ডিগ্রি করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, একজন ব্যক্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দুটির বেশি কলেজ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি কিংবা বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনীত হতে পারবেন না—এ শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু আজ, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু আজ, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

ঢাকাসহ দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশন এলাকায় আজ সোমবার থেকে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার রিকশার (ই-রিকশা) নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এতে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট থেকে ১০ হাজার টাকা। তবে বর্তমানে রাস্তায় চলাচলরত রিকশা এখনই বন্ধ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

রবিবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে না। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে আটটি জোন করা হবে। প্রতিটি জোনের রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রঙ। ফলে এক জোনের রিকশা অন্য জোনে চলতে পারবে না।

নতুন বিধিমালা প্রকাশের পর ই-রিকশার চালকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন দেওয়া হবে। বৈধ বা অবৈধ রিকশাগুলো আপাতত চলবে। অবৈধ রিকশা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সংশ্লিষ্টদের কিছুটা সময় দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচলে বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি থেকে পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন করা যাবে।

মীর শাহে আলম বলেন, জোনভিত্তিক রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এক এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় যেতে না পারে। কোন জোনে কতগুলো রিকশা চললে যানজট তৈরি হবে না, তা ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে নির্ধারণ করবে।

বিধিমালা অনুযায়ী যেসব সড়কে বাস চলাচল করে, সেসব সড়কে ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে নেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

বিধিমালা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট হাজার টাকা। এক বছর পর ফিটনেস যাচাই করে নবায়নের জন্য দিতে হবে চার হাজার টাকা। অন্যদিকে চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা। এক বছর পর ফিটনেস যাচাই করে নবায়নের জন্য ফি দিতে হবে পাঁচ হাজার টাকা। এভাবে সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত এসব ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে।

ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে জোনভিত্তিক চলাচল, রুট নির্ধারণ এবং ই-রিকশার নির্দিষ্ট রঙ চূড়ান্ত করা হবে। ই-রিকশার নিবন্ধন নম্বর, মালিকের তথ্য, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং কোন জোনে রিকশাটি চলাচল করতে পারবে, তা কিউআর কোডে থাকবে। চালকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে আপাতত পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা রাখা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। নিবন্ধন কার্যক্রম কিছুটা এগিয়ে গেলে এ বিষয়ে আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। পর্যায়ক্রমে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে।

ই-রিকশা নিবন্ধনের আগে বিদ্যমান যানবাহনগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে। এরপরই নিবন্ধন দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে চলাচলকারী ই-রিকশাগুলোকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। উৎপাদনকারীদেরও অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে যানবাহন তৈরি করতে হবে।

বিধিমালায় নির্দিষ্ট স্থানে এসব রিকশার জন্য চার্জিং স্টেশন স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জের ব্যবস্থা করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ই-রিকশা নিবন্ধন কত দিনের মধ্যে শেষ হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাননি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিবন্ধন কার্যক্রম শুরুর এক মাস পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আবার বসে অগ্রগতি জানানো হবে। ওই সময়ে কতগুলো রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে এবং অবৈধ রিকশা নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা তুলে ধরা হবে।

ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালিকপক্ষ, ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে আলোচনা করে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করবে। তবে ভাড়া সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হবে।

ব্রেকিং নিউজ