খুঁজুন
সোমবার, ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামি বইমেলায় মিযানুর রহমান জামীলের দুই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
ইসলামি বইমেলায় মিযানুর রহমান জামীলের দুই বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে চলমান ইসলামি বইমেলায় কলমসৈনিক পত্রিকার সম্পাদক ও বাংলাদেশ ইসলামি লেখক ফোরামের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিযানুর রহমান জামীলের দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। বই দুটি হলো—মাদক আগ্রাসন রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ ও কর্নাটকের দিনগুলো।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে বই দুটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এর মধ্যে কর্নাটকের দিনগুলো বইটি দক্ষিণ ভারতের কর্নাটক রাজ্যসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ১৭ দিনের এক দীর্ঘ সফরের অভিজ্ঞতাভিত্তিক ভ্রমণকাহিনি।

বইটিতে মাদরাসা দারুর রাশাদের মুহতামিম ও প্রখ্যাত আলেম মাওলানা মুহাম্মাদ সালমানের সঙ্গে লেখকের সফরের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। মাওলানা মুহাম্মাদ সালমান প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.)-এর খলিফা।

সফরটি শুরু হয় কলকাতা থেকে। এরপর নদওয়া, দেওবন্দ, দিল্লি ও পানিপথসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থান এবং আকাবিরের স্মৃতিবিজড়িত মাজার জিয়ারত করেন সফরসঙ্গীরা। পরে রাজস্থানের মরুভূমি ও পাহাড়ি পথ পেরিয়ে রত্নগিরি হয়ে দক্ষিণ ভারতের কর্নাটকে পৌঁছান তাঁরা। সেখানে টিপু সুলতানের স্মৃতিবিজড়িত মহীশূর পরিদর্শন শেষে কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে যান। সফরের একপর্যায়ে দুর্ঘটনা ও ট্রেনের সময়সূচি বাতিলের কারণে সৃষ্ট টানাপোড়েন এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির চার দিনের অভিজ্ঞতাও স্থান পেয়েছে বইটিতে। ভারতের ১৩টি প্রদেশ ঘুরে হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে কলকাতার হাওড়া স্টেশনে সফর শেষ হয়।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আলোচকেরা বলেন, কর্নাটকের দিনগুলো বইয়ে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহের পাশাপাশি লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা উঠে এসেছে। ছড়া, কবিতা, জীবনী, গল্প ও প্রবন্ধ রচনার পর ভ্রমণসাহিত্যে লেখকের এ পদচারণ তাঁর প্রকাশনাজগতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

লেখক মিযানুর রহমান জামীল বলেন, ‘ভারত সফরনামা’ নামে তার মূল রচনাটি ৬০০ পৃষ্ঠারও বেশি। এতে সফর করা বিভিন্ন রাজ্যের দর্শনীয় স্থানের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে উপমহাদেশের বরেণ্য আলেমদের স্মৃতিবিজড়িত ইমারত ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ইতিহাস এবং সেগুলো টিকে থাকার বিবরণ।

তিনি বলেন, ঘটনাবহুল এ সফরনামা পাঠককে সহজেই অনুপ্রাণিত করবে। কর্নাটকের দিনগুলো মূলত সেই বৃহৎ সফরনামার সংক্ষিপ্ত রূপ।

এ সফরে মিযানুর রহমান জামীলের সঙ্গে ছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দাঈ ও আলেম মাওলানা সাইফুদ্দিন নদভী এবং বাংলাদেশের মাওলানা রফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি ও ভাষা প্রশিক্ষক মুনীরুল ইসলাম, শীলন বাংলাদেশের সভাপতি ও সাংবাদিক মাসউদুল কাদির, মাকতাবাতুল খিদমাহর প্রকাশক মাওলানা আব্দুল মান্নান, ছড়াকার ও গল্পকার সুমন রায়হান, কবি ও সম্পাদক জিয়াউল আশরাফ, ক্যালিগ্রাফি শিল্পী ইলিয়াস হোসাইন, লেখক মুহাদ্দিস উবায়দুল হক খান, ঔপন্যাসিক সায়ীদ উসমান এবং ইমাম-খতিব ও লেখক মুফতি নাসির বিন নূরসহ অনেকে।

দক্ষিণ ভারতের কর্নাটক রাজ্যের ঐতিহাসিক সফর নিয়ে লেখা কর্নাটকের দিনগুলো প্রকাশ করেছে পুরানা পল্টনের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান সম্পাদনা কেন্দ্র। বইটির পরিবেশক বাংলাবাজারের মাকতাবাতুল খিদমাহ।

এমপিওভুক্ত কলেজে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
এমপিওভুক্ত কলেজে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি এবং অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সভাপতি হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বাধ্যতামূলক নয়। স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই এ পদে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা অর্জন করা যাবে।

রবিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গভর্নিং বডি বা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এবং বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১১ মার্চ জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পরিবর্তে স্নাতক ডিগ্রি করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, একজন ব্যক্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দুটির বেশি কলেজ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি কিংবা বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনীত হতে পারবেন না—এ শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু আজ, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু আজ, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

ঢাকাসহ দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশন এলাকায় আজ সোমবার থেকে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার রিকশার (ই-রিকশা) নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এতে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট থেকে ১০ হাজার টাকা। তবে বর্তমানে রাস্তায় চলাচলরত রিকশা এখনই বন্ধ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

রবিবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে না। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে আটটি জোন করা হবে। প্রতিটি জোনের রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রঙ। ফলে এক জোনের রিকশা অন্য জোনে চলতে পারবে না।

নতুন বিধিমালা প্রকাশের পর ই-রিকশার চালকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন দেওয়া হবে। বৈধ বা অবৈধ রিকশাগুলো আপাতত চলবে। অবৈধ রিকশা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সংশ্লিষ্টদের কিছুটা সময় দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচলে বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি থেকে পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন করা যাবে।

মীর শাহে আলম বলেন, জোনভিত্তিক রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এক এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় যেতে না পারে। কোন জোনে কতগুলো রিকশা চললে যানজট তৈরি হবে না, তা ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে নির্ধারণ করবে।

বিধিমালা অনুযায়ী যেসব সড়কে বাস চলাচল করে, সেসব সড়কে ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে নেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

বিধিমালা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট হাজার টাকা। এক বছর পর ফিটনেস যাচাই করে নবায়নের জন্য দিতে হবে চার হাজার টাকা। অন্যদিকে চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা। এক বছর পর ফিটনেস যাচাই করে নবায়নের জন্য ফি দিতে হবে পাঁচ হাজার টাকা। এভাবে সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত এসব ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে।

ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে জোনভিত্তিক চলাচল, রুট নির্ধারণ এবং ই-রিকশার নির্দিষ্ট রঙ চূড়ান্ত করা হবে। ই-রিকশার নিবন্ধন নম্বর, মালিকের তথ্য, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং কোন জোনে রিকশাটি চলাচল করতে পারবে, তা কিউআর কোডে থাকবে। চালকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে আপাতত পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা রাখা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। নিবন্ধন কার্যক্রম কিছুটা এগিয়ে গেলে এ বিষয়ে আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। পর্যায়ক্রমে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে।

ই-রিকশা নিবন্ধনের আগে বিদ্যমান যানবাহনগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে। এরপরই নিবন্ধন দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে চলাচলকারী ই-রিকশাগুলোকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। উৎপাদনকারীদেরও অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে যানবাহন তৈরি করতে হবে।

বিধিমালায় নির্দিষ্ট স্থানে এসব রিকশার জন্য চার্জিং স্টেশন স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জের ব্যবস্থা করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ই-রিকশা নিবন্ধন কত দিনের মধ্যে শেষ হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাননি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিবন্ধন কার্যক্রম শুরুর এক মাস পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আবার বসে অগ্রগতি জানানো হবে। ওই সময়ে কতগুলো রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে এবং অবৈধ রিকশা নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা তুলে ধরা হবে।

ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালিকপক্ষ, ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে আলোচনা করে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করবে। তবে ভাড়া সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হবে।

স্পেনের মাদ্রিদে মসজিদ-মাদ্রাসার ভবন ক্রয়ে ১০ হাজার ইউরো অনুদান দিলেন ফরিদপুরের সরোয়ার হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
স্পেনের মাদ্রিদে মসজিদ-মাদ্রাসার ভবন ক্রয়ে ১০ হাজার ইউরো অনুদান দিলেন ফরিদপুরের সরোয়ার হোসেন

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বায়তুল মোকাররম মসজিদের মাদ্রাসা ভবন ক্রয়ের জন্য ১০ হাজার ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ লাখ টাকা) নগদ অনুদান দিয়েছেন ফরিদপুরের কৃতী সন্তান ও স্পেনের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সরোয়ার হোসেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) তিনি এ অনুদান প্রদান করেন। স্পেনের মাটিতে ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসার এবং মাদ্রাসার ভবন ক্রয়ের উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তাঁর এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্পেন বিএনপির সহ-সভাপতি ইউনুস আলী প্রামাণিকসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

এ বিষয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা জলিল মাতুব্বর বলেন, সরোয়ার হোসেন দেশে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে দান-অনুদানের পাশাপাশি স্পেনেও মানবিক ও সামাজিক কাজে সহযোগিতা করে থাকেন। এ ছাড়া তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছেন।

সরোয়ার হোসেনের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নের ৩২ নম্বর কোলপার মাতুব্বর বাড়ি (শেখবাড়ী) এলাকায়।

তাঁর এ মহতী উদ্যোগের জন্য স্থানীয় ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাঁকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। মহান আল্লাহ তাঁর এই দান কবুল করুন এবং উত্তম প্রতিদান দান করুন—এমন প্রত্যাশা সবার।

ব্রেকিং নিউজ