খুঁজুন
সোমবার, ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুরআন শিক্ষার প্রসারে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রপতি

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
কুরআন শিক্ষার প্রসারে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে: রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পুরস্কৃত হাফেজে কুরআন ও শিক্ষার্থীদের সম্মানিত করার পাশাপাশি কুরআন শিক্ষা ও চর্চাকে আরও উৎসাহিত করতে সরকার কাজ করবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কুরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী প্রতিযোগীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এমন সাফল্য অর্জন জাতির জন্য অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের বিষয়। তিনি বিজয়ী প্রতিযোগী, তাদের শিক্ষক-উস্তাদ, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকলকে এ অর্জনের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

ধর্মচর্চা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্রিয় ও সমৃদ্ধ রাখতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং হাফেজ-আলেমদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারও অঙ্গীকারবদ্ধ।

সাক্ষাৎকালে বিজয়ী প্রতিযোগী এবং উপস্থিত তাদের অভিভাবক ও শিক্ষক-উস্তাদগণ বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। মাদ্রাসা-মক্তবসহ ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মেধাবী শিক্ষার্থী, হাফেজ ও আলেমগণকে সম্মানিত করা হলে মানুষ কুরআন চর্চা ও ধর্মীয় শিক্ষায় আরও উৎসাহ পাবে উল্লেখ করেন তারা এ বিষয়ে সরকারকে উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করেন। তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনা হাফেজদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ এবং অধিকাংশ মানুষ মুসলিম। এ দেশের মানুষ অতীতেও নিজেদের ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আজ নতুন এক অভিযাত্রায় প্রবেশ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নে সরকার গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যাবে।

কুরআন শিক্ষা মিশন বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান মাওলানা মো. বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে বিজয়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১৫ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জনকারী আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী তানযীমুল উম্মাহ গার্লস হিফয মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান এবং ৩০ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জনকারী মারকাযুল মদীনা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজ শেখ মো. মাহমুদুল হাসান (আশরাফী) ও সাউদা বিনতে জামআ’হ রা. আন্তর্জাতিক বালিকা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ। সাক্ষাৎকালে সংশ্লিষ্ট বিজয়ী প্রতিযোগীদের অভিভাবক, উস্তাদ ও কোরআন শিক্ষা মিশন, বাংলাদেশ-এর পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বঙ্গভবনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বিজয়ী হাফেজগণকে রাষ্ট্রপতির ক্রেস্ট ও তাদের পরিবারের সদস্য ও উস্তাদদের সৌজন্য উপহার প্রদান করেন। এসময় রাষ্ট্রপতির সচিবগণ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমপিওভুক্ত কলেজে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
এমপিওভুক্ত কলেজে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি এবং অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সভাপতি হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বাধ্যতামূলক নয়। স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই এ পদে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা অর্জন করা যাবে।

রবিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গভর্নিং বডি বা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এবং বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১১ মার্চ জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পরিবর্তে স্নাতক ডিগ্রি করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, একজন ব্যক্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দুটির বেশি কলেজ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি কিংবা বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনীত হতে পারবেন না—এ শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু আজ, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু আজ, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

ঢাকাসহ দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশন এলাকায় আজ সোমবার থেকে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার রিকশার (ই-রিকশা) নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এতে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট থেকে ১০ হাজার টাকা। তবে বর্তমানে রাস্তায় চলাচলরত রিকশা এখনই বন্ধ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

রবিবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে না। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে আটটি জোন করা হবে। প্রতিটি জোনের রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রঙ। ফলে এক জোনের রিকশা অন্য জোনে চলতে পারবে না।

নতুন বিধিমালা প্রকাশের পর ই-রিকশার চালকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন দেওয়া হবে। বৈধ বা অবৈধ রিকশাগুলো আপাতত চলবে। অবৈধ রিকশা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সংশ্লিষ্টদের কিছুটা সময় দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচলে বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি থেকে পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন করা যাবে।

মীর শাহে আলম বলেন, জোনভিত্তিক রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এক এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় যেতে না পারে। কোন জোনে কতগুলো রিকশা চললে যানজট তৈরি হবে না, তা ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে নির্ধারণ করবে।

বিধিমালা অনুযায়ী যেসব সড়কে বাস চলাচল করে, সেসব সড়কে ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে নেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

বিধিমালা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট হাজার টাকা। এক বছর পর ফিটনেস যাচাই করে নবায়নের জন্য দিতে হবে চার হাজার টাকা। অন্যদিকে চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা। এক বছর পর ফিটনেস যাচাই করে নবায়নের জন্য ফি দিতে হবে পাঁচ হাজার টাকা। এভাবে সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত এসব ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে।

ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে জোনভিত্তিক চলাচল, রুট নির্ধারণ এবং ই-রিকশার নির্দিষ্ট রঙ চূড়ান্ত করা হবে। ই-রিকশার নিবন্ধন নম্বর, মালিকের তথ্য, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং কোন জোনে রিকশাটি চলাচল করতে পারবে, তা কিউআর কোডে থাকবে। চালকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে আপাতত পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা রাখা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। নিবন্ধন কার্যক্রম কিছুটা এগিয়ে গেলে এ বিষয়ে আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। পর্যায়ক্রমে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে।

ই-রিকশা নিবন্ধনের আগে বিদ্যমান যানবাহনগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে। এরপরই নিবন্ধন দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে চলাচলকারী ই-রিকশাগুলোকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। উৎপাদনকারীদেরও অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে যানবাহন তৈরি করতে হবে।

বিধিমালায় নির্দিষ্ট স্থানে এসব রিকশার জন্য চার্জিং স্টেশন স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জের ব্যবস্থা করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ই-রিকশা নিবন্ধন কত দিনের মধ্যে শেষ হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাননি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিবন্ধন কার্যক্রম শুরুর এক মাস পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আবার বসে অগ্রগতি জানানো হবে। ওই সময়ে কতগুলো রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে এবং অবৈধ রিকশা নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা তুলে ধরা হবে।

ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালিকপক্ষ, ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে আলোচনা করে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করবে। তবে ভাড়া সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হবে।

স্পেনের মাদ্রিদে মসজিদ-মাদ্রাসার ভবন ক্রয়ে ১০ হাজার ইউরো অনুদান দিলেন ফরিদপুরের সরোয়ার হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
স্পেনের মাদ্রিদে মসজিদ-মাদ্রাসার ভবন ক্রয়ে ১০ হাজার ইউরো অনুদান দিলেন ফরিদপুরের সরোয়ার হোসেন

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বায়তুল মোকাররম মসজিদের মাদ্রাসা ভবন ক্রয়ের জন্য ১০ হাজার ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ লাখ টাকা) নগদ অনুদান দিয়েছেন ফরিদপুরের কৃতী সন্তান ও স্পেনের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সরোয়ার হোসেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) তিনি এ অনুদান প্রদান করেন। স্পেনের মাটিতে ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসার এবং মাদ্রাসার ভবন ক্রয়ের উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তাঁর এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্পেন বিএনপির সহ-সভাপতি ইউনুস আলী প্রামাণিকসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

এ বিষয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা জলিল মাতুব্বর বলেন, সরোয়ার হোসেন দেশে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে দান-অনুদানের পাশাপাশি স্পেনেও মানবিক ও সামাজিক কাজে সহযোগিতা করে থাকেন। এ ছাড়া তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছেন।

সরোয়ার হোসেনের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নের ৩২ নম্বর কোলপার মাতুব্বর বাড়ি (শেখবাড়ী) এলাকায়।

তাঁর এ মহতী উদ্যোগের জন্য স্থানীয় ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাঁকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। মহান আল্লাহ তাঁর এই দান কবুল করুন এবং উত্তম প্রতিদান দান করুন—এমন প্রত্যাশা সবার।

ব্রেকিং নিউজ