খুঁজুন
সোমবার, ২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে জাতীয় রাজনীতি: মোল্লা ফরহাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩০ অপরাহ্ণ
আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে জাতীয় রাজনীতি: মোল্লা ফরহাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা

২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে পথচলা; ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্বে মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়া।

ফরিদপুরের নগরকান্দার জয়বাংলা গ্রাম থেকে উঠে আসা মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়ার রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পথচলা শুরু হয় ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। শিক্ষাজীবন শেষে ছাত্র অধিকার আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়ে তিনি ধীরে ধীরে স্থানীয়, আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্বে যুক্ত হন। পরবর্তীতে ছাত্র রাজনীতি পেরিয়ে গণঅধিকার পরিষদের রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। বর্তমানে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ‘নিরাপদ সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জন্ম ও শৈশব:

মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়ার জন্ম ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার জয়বাংলা গ্রামে। গ্রামীণ পরিবেশে শৈশব ও বেড়ে ওঠার পর তিনি শিক্ষাজীবন শুরু করেন নিজ এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। বর্তমানে তিনি ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের কামালদিয়া গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।

শিক্ষাজীবন:

মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়া নগরকান্দা মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে রাজবাড়ী সরকারি ড. আবুল হোসেন কলেজে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন এবং সেখান থেকে স্নাতক (অনার্স) ও স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।

২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে রাজনৈতিক পথচলার শুরু:

শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সূচনা হয়। তৎকালীন ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র সংরক্ষণ অধিকার পরিষদ’-এর ব্যানারে তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

আন্দোলনের পাশাপাশি সংগঠনটির সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার কাজেও যুক্ত হন তিনি। রাজবাড়ী জেলায় সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সমন্বয়ক এবং পরবর্তীতে ফরিদপুর বিভাগীয় সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন বলে তাঁর সহকর্মীরা জানান।

ছাত্র অধিকার পরিষদে নেতৃত্ব:

পরবর্তী সময়ে সংগঠনটির নাম পরিবর্তন হয়ে ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ’ হলে মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়া সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বে যুক্ত হন।

এ সময় তিনি ফরিদপুর জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

ছাত্র অধিকার পরিষদে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের সময় ফরিদপুরে সংগঠনটির কার্যক্রম বিস্তারে তিনি কাজ করেন বলে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।

গণঅধিকার পরিষদের রাজনীতিতে প্রবেশ:

ছাত্র রাজনীতির পর মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়া জাতীয় রাজনীতির সংগঠন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) সঙ্গে যুক্ত হন। দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রমের শুরুর দিক থেকেই ফরিদপুরে সংগঠন গড়ে তোলার কাজে তিনি সম্পৃক্ত হন।

পরবর্তীতে তিনি ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সংগঠন বিস্তারে কাজ করেন বলে তাঁর সহকর্মীরা জানান।

কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বর্তমান দায়িত্ব:

তৃণমূল ও জেলা পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়া গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ‘নিরাপদ সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে ছাত্র আন্দোলন, জেলা পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং পরবর্তীতে জাতীয় রাজনৈতিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের ধারাবাহিকতাকে উল্লেখ করছেন তাঁর সহকর্মীরা।

সহকর্মীদের বক্তব্য:

ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি মোঃ ফরহাদ হোসেন বলেন, ছাত্র আন্দোলন থেকে জাতীয় রাজনৈতিক মঞ্চ পর্যন্ত মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়ার দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা রয়েছে। তাঁর মতে, এই ধারাবাহিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড তরুণ রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য একটি অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।

জিওপির কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ মনির চৌধুরী বলেন, “ফরহাদ মিয়াকে একজন একনিষ্ঠ রাজনৈতিক বন্ধু হিসেবে পেয়েছি। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি তাঁর সার্বিক সাফল্য কামনা করি।”

ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও ফরিদপুর জেলার সাবেক সভাপতি মোঃ হারুন মিয়া বলেন, মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়ার রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা খুবই প্রখর ও সংগঠন মুখি সিদ্ধান্ত ছিল। ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদ ফরহাদ মিয়ার অবদান আজীবন মনে রাখবে, ফরিদপুরে ফরহাদ মিয়ার মত আরো দুই চার জন নেত্রীবৃন্দ থাকলে ফরিদপুর জেলা আর এগিয়ে যেতে।

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ, ফরিদপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক মোঃ বায়জিদ হোসেন বিপুল বলেন, “ফরিদপুরে অধিকার পরিষদের রাজনীতিতে মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়ার ভূমিকা রয়েছে। ছাত্র, যুব, শ্রমিক ও গণঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক কার্যক্রমে তিনি কাজ করেছেন।”

জন্মদিনে শুভেচ্ছা:

মোল্লা মোঃ ফরহাদ মিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর রাজনৈতিক সহকর্মী, সহযাত্রী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেছেন।

এমপিওভুক্ত কলেজে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
এমপিওভুক্ত কলেজে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি এবং অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সভাপতি হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বাধ্যতামূলক নয়। স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই এ পদে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা অর্জন করা যাবে।

রবিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গভর্নিং বডি বা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এবং বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১১ মার্চ জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পরিবর্তে স্নাতক ডিগ্রি করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, একজন ব্যক্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দুটির বেশি কলেজ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি কিংবা বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনীত হতে পারবেন না—এ শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু আজ, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু আজ, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

ঢাকাসহ দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশন এলাকায় আজ সোমবার থেকে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার রিকশার (ই-রিকশা) নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এতে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট থেকে ১০ হাজার টাকা। তবে বর্তমানে রাস্তায় চলাচলরত রিকশা এখনই বন্ধ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

রবিবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে না। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে আটটি জোন করা হবে। প্রতিটি জোনের রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রঙ। ফলে এক জোনের রিকশা অন্য জোনে চলতে পারবে না।

নতুন বিধিমালা প্রকাশের পর ই-রিকশার চালকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন দেওয়া হবে। বৈধ বা অবৈধ রিকশাগুলো আপাতত চলবে। অবৈধ রিকশা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সংশ্লিষ্টদের কিছুটা সময় দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচলে বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি থেকে পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন করা যাবে।

মীর শাহে আলম বলেন, জোনভিত্তিক রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এক এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় যেতে না পারে। কোন জোনে কতগুলো রিকশা চললে যানজট তৈরি হবে না, তা ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে নির্ধারণ করবে।

বিধিমালা অনুযায়ী যেসব সড়কে বাস চলাচল করে, সেসব সড়কে ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে নেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

বিধিমালা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট হাজার টাকা। এক বছর পর ফিটনেস যাচাই করে নবায়নের জন্য দিতে হবে চার হাজার টাকা। অন্যদিকে চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা। এক বছর পর ফিটনেস যাচাই করে নবায়নের জন্য ফি দিতে হবে পাঁচ হাজার টাকা। এভাবে সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত এসব ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে।

ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে জোনভিত্তিক চলাচল, রুট নির্ধারণ এবং ই-রিকশার নির্দিষ্ট রঙ চূড়ান্ত করা হবে। ই-রিকশার নিবন্ধন নম্বর, মালিকের তথ্য, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং কোন জোনে রিকশাটি চলাচল করতে পারবে, তা কিউআর কোডে থাকবে। চালকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে আপাতত পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা রাখা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। নিবন্ধন কার্যক্রম কিছুটা এগিয়ে গেলে এ বিষয়ে আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। পর্যায়ক্রমে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে।

ই-রিকশা নিবন্ধনের আগে বিদ্যমান যানবাহনগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে। এরপরই নিবন্ধন দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে চলাচলকারী ই-রিকশাগুলোকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। উৎপাদনকারীদেরও অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে যানবাহন তৈরি করতে হবে।

বিধিমালায় নির্দিষ্ট স্থানে এসব রিকশার জন্য চার্জিং স্টেশন স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জের ব্যবস্থা করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ই-রিকশা নিবন্ধন কত দিনের মধ্যে শেষ হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাননি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিবন্ধন কার্যক্রম শুরুর এক মাস পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আবার বসে অগ্রগতি জানানো হবে। ওই সময়ে কতগুলো রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে এবং অবৈধ রিকশা নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা তুলে ধরা হবে।

ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালিকপক্ষ, ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে আলোচনা করে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করবে। তবে ভাড়া সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হবে।

স্পেনের মাদ্রিদে মসজিদ-মাদ্রাসার ভবন ক্রয়ে ১০ হাজার ইউরো অনুদান দিলেন ফরিদপুরের সরোয়ার হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
স্পেনের মাদ্রিদে মসজিদ-মাদ্রাসার ভবন ক্রয়ে ১০ হাজার ইউরো অনুদান দিলেন ফরিদপুরের সরোয়ার হোসেন

স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে বায়তুল মোকাররম মসজিদের মাদ্রাসা ভবন ক্রয়ের জন্য ১০ হাজার ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ লাখ টাকা) নগদ অনুদান দিয়েছেন ফরিদপুরের কৃতী সন্তান ও স্পেনের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সরোয়ার হোসেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) তিনি এ অনুদান প্রদান করেন। স্পেনের মাটিতে ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসার এবং মাদ্রাসার ভবন ক্রয়ের উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তাঁর এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্পেন বিএনপির সহ-সভাপতি ইউনুস আলী প্রামাণিকসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

এ বিষয়ে একই গ্রামের বাসিন্দা জলিল মাতুব্বর বলেন, সরোয়ার হোসেন দেশে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে দান-অনুদানের পাশাপাশি স্পেনেও মানবিক ও সামাজিক কাজে সহযোগিতা করে থাকেন। এ ছাড়া তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছেন।

সরোয়ার হোসেনের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নের ৩২ নম্বর কোলপার মাতুব্বর বাড়ি (শেখবাড়ী) এলাকায়।

তাঁর এ মহতী উদ্যোগের জন্য স্থানীয় ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাঁকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। মহান আল্লাহ তাঁর এই দান কবুল করুন এবং উত্তম প্রতিদান দান করুন—এমন প্রত্যাশা সবার।

ব্রেকিং নিউজ