খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেইমানির রাজনীতি ও ক্ষমতার লোভ: ইতিহাসের আয়নায় এনসিপি

ছৈয়দ মিছবাউল হক মোহন
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
বেইমানির রাজনীতি ও ক্ষমতার লোভ: ইতিহাসের আয়নায় এনসিপি

ক্ষমতার লোভ, চরম সুবিধাবাদ আর বেইমানির পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে—তা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে আরও একবার হাতেনাতে প্রমাণিত হলো। আমরা কি এত দ্রুত ভুলে গেলাম ২৪-এর সেই রক্তঝরা জুলাইয়ের দিনগুলোর কথা?

যখন রাজপথ তপ্ত ছিল, বুলেটের মুখে দাঁড়িয়ে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে আন্দোলনের সিংহভাগ নেতৃত্ব দিয়েছিল ছাত্র অধিকার পরিষদ কিন্তু বিজয়ের সূর্য উদয় হতে না হতেই শুরু হলো ক্ষমতার ভাগাভাগি আর চরম নোংরা ‘মাইনাস পলিটিক্স’। আন্দোলনের আসল কারিগরদের লাতি মেরে সরিয়ে, তাদের ত্যাগকে অস্বীকার করে রাতারাতি ক্ষমতার মঞ্চ এককভাবে দখল করতে নামলো এনসিপি।

আপামর জনতার আস্থা-বিশ্বাস ও ভরসার একমাত্র অরাজনৈতিক প্লাটফর্ম “বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন” জুলাই পরবর্তী কমিটি-কে পরোক্ষভাবে তাদের দখলে নিয়ে নিল। যাদেরকে উপস্থাপন করা হতো নিরপেক্ষ। তাদের এক্সেস ছিলো প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ে। কিন্তু ভিতরগত তারাই এনসিপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেছিল। এনসিপির সবচেয়ে বড় সহায়ক ছিল ইন্টেরিম। যার কারনে ইন্টেরিম তাদের নিরপেক্ষতা হারিয়েছিলো। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে ব্যার্থ হয়েছিল।সর্বশেষ রাষ্ট্রের হ…মেরে বিপ্লবীদের জীবন হুমকির মুখে ফেলে বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্যকে ধরে রেখে দাড়ঁ করাল কিংস পার্টি!

প্রকৃতি কাউকে ছাড় দেয় না। বিশেষ করে বেইমানদের তো কখনোই নয়! অন্যের জন্য যে গর্ত তারা খুঁড়েছিল, আজ এনসিপি নিজেই সেই গর্তে গিয়ে আছাড় খেয়েছে। যে নোংরা খেলা তারা শুরু করেছিল, আজ তারা নিজেরাই সেই ‘মাইনাস রাজনীতির’ নির্মম বলি। একেই বলে জুতো মেরে গরু দান, কিংবা থুথু ছিটালে তা নিজের গায়েই ফিরে আসা!

এখন যদি আমরা একটু ঠাণ্ডা মাথায় এই পুরো ক্ষমতার সমীকরণটি রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করি, তবে ইতিহাসের একটি ভয়ানক ও সমান্তরাল মিল আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠবে।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এনসিপির রাজনীতি এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী লীগের রাজনীতির মনস্তত্ত্ব ও কৌশলের মধ্যে এক অদ্ভুত ও নিখুঁত ঐতিহাসিক মিল রয়েছে।

জাতীয় অর্জনকে একক সম্পদ মনে করা:

১৯৭১ সালে সর্বস্তরের মানুষ, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী, ডান/বামপন্থী দলসমূহ মা-বোনদের ইজ্জত এবং সাধারণ ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হয়েছিল। কিন্তু স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ পুরো মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের ‘একক সম্পত্তি’ বানিয়ে ফেলে। যারা তাদের দলীয় মতাদর্শের বাইরে ছিল, তাদের অবদানকে মুছে দিয়ে একদলীয় বাকশালী শাসনব্যবস্থার দিকে দেশ নিয়ে যাওয়া হয়।

ঠিক একই চিত্র দেখা গেল ২০২৪-এর জুলাই পরবর্তী সময়ে। সাধারণ ছাত্র-জনতা এবং ছাত্র অধিকার পরিষদ-ছাত্র শিবির-ছাত্রদল-ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বামপন্থী ছাত্র সংগঠন’র মতো প্রথম সারির মাঠের যোদ্ধাদের রক্ত ও ত্যাগের ওপর ভর করে ফ্যাসিবাদের পতন হলো। অথচ ক্ষমতা ও কৃতিত্বের পুরো চামচামি একা কুক্ষিগত করতে চাইল এনসিপি। জুলাইয়ের গণআকাঙ্ক্ষাকে তারা একটি নির্দিষ্ট দলীয় ফ্রেমওয়ার্কে বন্দি করে ফেলেছিল। মায়নাস পড়লো গণঅধিকার পরিষদ-বিএনপি-জামাতসহ অন্যান্য দলের রক্তে গাথা ইতিহাস।

আওয়ামী লীগ যেমন মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার’ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে পড়েছিল, এনসিপির ক্ষেত্রেও তা-ই ঘটেছে। জুলাই বিপ্লবের বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের চেতনা বুকে না রেখে তারা রাতারাতি সস্তা রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং সুবিধাবাদী জোটের দিকে ঝুঁকে পড়ে। ফলে ত্যাগী ও নীতিবান নেতারা তাদের ত্যাগ করতে শুরু করে এবং দলটির নৈতিক ভিত্তি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যারা অন্যায্য ও অগণতান্ত্রিক উপায়ে সহযোদ্ধাদের মাইনাস করে এবং গণমানুষের যৌথ অর্জনকে এককভাবে কুক্ষিগত করে টিকে থাকতে চায়, তারা দীর্ঘমেয়াদে কখনোই সফল হতে পারে না। আওয়ামী লীগ ‘৭১-কে কুক্ষিগত করে দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদের পর যেভাবে ইতিহাসের আর্বজনায় নিক্ষিপ্ত হয়েছে, এনসিপিও ‘জুলাইকে’ কুক্ষিগত করতে গিয়ে অতি দ্রুতই একই মাইনাস রাজনীতির নির্মম শিকারে পরিণত হলো।

বর্তমান বিএনপিও যদি জুলাইয়ের প্রকৃত যোদ্ধাদের বাদ দিয়ে নিজেদের মতো ইতিহাস রচনা করতে চায় তবে এদের পরিনাম কি হবে একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই জানেন!

সুতরাং যার যার অবদান স্বীকার করে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে আমাদের ঐক্যবদ্ধতা একান্ত প্রয়োজন।

লেখক: সাধারণ সম্পাদক, সিলেট জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ, সিলেট জেলা।

সীমান্ত বেষ্টনী টপকে মাদকের থাবা: অতিষ্ঠ কুড়িগ্রামের জনজীবন

বিশেষ প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
সীমান্ত বেষ্টনী টপকে মাদকের থাবা: অতিষ্ঠ কুড়িগ্রামের জনজীবন

ভারতের সীমান্তঘেঁষা উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে মাদক পাচার ও কারবার ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে রৌমারী, ভূরুঙ্গামারী, ফুলবাড়ীসহ সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মাদক সিন্ডিকেট। সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিদিন আসছে ইয়াবা, ফেনসিডিল, এসকাফ এবং গাঁজার বড় বড় চালান।

অভিযানে উদ্ধার ও সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারের ঘটনা বাড়লেও থামছে না মাদকের অবাধ প্রবেশ। জেলা পুলিশ, ডিবি ও র‍্যাবের পৃথক অভিযানে প্রতিনিয়তই ধরা পড়ছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও কারবারি। সম্প্রতি ফুলবাড়ী ও রৌমারী সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় র‍্যাব ও পুলিশের অভিযানে কেজিতে কেজি গাঁজা, হাজার হাজার পিস ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ একাধিক তালিকাভুক্ত কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তবে মূল হোতারা প্রায়ই থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সরেজমিনে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ীদের দাপটে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। মাদক বিক্রেতারা স্থানীয় বেকার যুবকদের প্রলোভন দেখিয়ে বাহক হিসেবে ব্যবহার করছে, ফলে মারাত্মক সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম ৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, “মাদকের ভয়াল থাবা থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্ম ও সমাজকে রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। মাদক চোরচালান বন্ধে সীমান্ত পাহারা আরো কঠোর করার পাশাপাশি জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধী বা গডফাদার যে দলেরই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে বদ্ধপরিকর।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, “সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এটি একটি সংবেদনশীল অঞ্চল। তবে জিরো টলারেন্স নীতিতে প্রতিনিয়ত বিশেষ কম্বিং অপারেশন ও ডিবি অভিযান চালানো হচ্ছে। চিহ্নিত স্পটগুলোতে নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে।”

সুশীল সমাজের মতে, কেবল কয়েকটি চালান ধরা বা বাহকদের গ্রেপ্তার করাই যথেষ্ট নয়। সীমান্ত পাহারায় কঠোর নজরদারি এবং মূল গডফাদারদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে সীমান্ত অঞ্চলের তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

লালমোহনে বিএনপি-যুবদলের দুই নেতার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

শফিকুর রহমান সবুজ, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
লালমোহনে বিএনপি-যুবদলের দুই নেতার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

ভোলা জেলার লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ছাদেক মিয়া জান্টু ও উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসানুজ্জামান শারীরিক অসুস্থতার কারণে বর্তমানে চীনের কুনমিং শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় লালমোহন উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে উপজেলা যুবদলের সভাপতি কবির হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বশির হাওলাদারের সঞ্চালনায় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন, শফিউল্লাহ হাওলাদার, সোহেল আজীজ শাহিনসহ বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

দোয়া ও মোনাজাতে অসুস্থ দুই নেতার দ্রুত আরোগ্য, সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। একই সঙ্গে তাদের দ্রুত দেশে ফিরে আসার জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে প্রার্থনা করেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা।

জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত

দেশের অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত অর্থবছর গণনা করা হলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত হবে অর্থবছর।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থ বিভাগের উদ্যোগে উত্থাপিত প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের যুক্তি, জুলাই-আগস্টে বর্ষাকাল থাকায় বছরের শুরুতেই বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এতে বৃষ্টির কারণে নির্মাণকাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কাজের মেয়াদ বাড়ে, গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। অর্থবছর এপ্রিল-মার্চ করা হলে বর্ষা শুরুর আগেই উন্নয়নকাজের বড় অংশ শেষ করা সম্ভব হবে।

২০২৭-২৮ হবে মাত্র ৯ মাসের অর্থবছর

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নতুন অর্থবছর চালু করতে সরাসরি বর্তমান অর্থবছর থেকে পরিবর্তন না এনে একটি ট্রানজিশনাল বা অন্তর্বর্তী অর্থবছর রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ২০২৭-২৮ অর্থবছর জুলাই ২০২৭ থেকে শুরু হয়ে মাত্র নয় মাস পর, অর্থাৎ ২০২৮ সালের মার্চে শেষ হবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল ২০২৮ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৯ পর্যন্ত নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সরকারের আর্থিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিনের জুলাই-জুন অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে সরে গিয়ে আগামী দুই বছরের মধ্যে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছরে যাবে বাংলাদেশ।

সংবিধানসহ আইনে আসবে পরিবর্তন

অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করতে বেশ কিছু আইন ও বিধিতে সংশোধন আনতে হবে। এ জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এবং জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এ প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া অর্থবছর পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব আহরণ, সরকারি ব্যয়, হিসাব সংরক্ষণ, অর্থ ছাড়সহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ব্যবস্থাগুলো নতুন অর্থবছরের সময়সীমার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

নতুন অর্থবছর বাস্তবায়নের বিস্তারিত কর্মপন্থা নির্ধারণে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ এবং অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। কমিটি আইন সংশোধন, প্রশাসনিক প্রস্তুতি, বাজেট প্রণয়ন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনসহ অর্থবছর পরিবর্তনের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে।

ব্রেকিং নিউজ