খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারের প্রতি পীর সাহেব চরমোনাইয়ের ৬ পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
সরকারের প্রতি পীর সাহেব চরমোনাইয়ের ৬ পরামর্শ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে সরকারের প্রতি ছয়টি পরামর্শ দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।

সোমবার (১৭ আগস্ট) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি সরকারের সামনে এসব পরামর্শ তুলে ধরেন। তার দেওয়া ছয়টি পরামর্শের মধ্যে রয়েছে—জুলাই সনদ ও জুলাই গণভোট বাস্তবায়ন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো, গণহারে দলীয়করণ না করা, ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা এবং বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন।

প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে ফারাক রয়েছে

চরমোনাই পীর বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং এর মাধ্যমে গঠিত সরকারকে দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার সাধারণ নির্বাচন বা সরকার হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ সময়ের শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে জমে থাকা সমস্যাগুলো দূর করার আকাঙ্ক্ষা এবং গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব নিয়েই বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

তবে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে এখনো বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। এর ফলে মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া আশাবাদ ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তার মতে, দীর্ঘ সময়ের শাসনের পর দায়িত্ব নেওয়া একটি সরকারকে মূল্যায়নের জন্য ছয় মাস হয়তো চূড়ান্ত সময় নয়। কিন্তু সরকারের মেয়াদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইতোমধ্যে পার হয়ে গেছে। এই সময়ে সব ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ সাফল্য অর্জন সম্ভব না হলেও সরকারের কাজের সূচনা, পদ্ধতি এবং অগ্রাধিকার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

সংস্কার নিয়ে হতাশার অভিযোগ

চরমোনাই পীর বিশেষ করে সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন । তার দাবি, জুলাই সনদের ওপর অনুষ্ঠিত গণভোটকে কার্যত অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে স্বৈরাচারী হয়ে ওঠা থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে জারি করা কিছু অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিকল্প হিসেবে নতুন কিছু আইন করা হলেও সেগুলোতে আগের সমস্যার কার্যকর সমাধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। এসব পদক্ষেপ জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও দাবি করেন ইসলামী আন্দোলনের আমীর।

তিনি সতর্ক করে বলেন, জনগণের প্রত্যাশাকে উপেক্ষা করার পরিণতি ভালো হয় না। মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে রাস্তায় নাও নামতে পারে, তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি তাদের আস্থা কমে যেতে পারে।

সরকারের কিছু উদ্যোগের প্রশংসাও

সমালোচনার পাশাপাশি সরকারের কিছু উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন চরমোনাই পীর। তিনি বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারের নেওয়া উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে।

বিশেষ করে সরকারপ্রধানের দৃশ্যমান আচরণ ও ব্যস্ততার মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সরকারের অন্যান্য ব্যক্তির কাছ থেকেও একই ধরনের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর।

সরকারের প্রতি ছয় পরামর্শ

বিবৃতিতে তিনি সরকারের সামনে যে ছয়টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, সেগুলো হলো—

১. জুলাই সনদ ও জুলাই গণভোট বাস্তবায়ন করা।

২. দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।

৩. নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া।

৪. গণহারে দলীয়করণ থেকে বিরত থাকা।

৫. ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনা।

৬. পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করা।

বিবৃতির শেষ দিকে পীর সাহেব চরমোনাই সরকারের সাফল্য কামনা করে বলেন, তিনিও চান বর্তমান সরকার সফল হোক।

সীমান্ত বেষ্টনী টপকে মাদকের থাবা: অতিষ্ঠ কুড়িগ্রামের জনজীবন

বিশেষ প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
সীমান্ত বেষ্টনী টপকে মাদকের থাবা: অতিষ্ঠ কুড়িগ্রামের জনজীবন

ভারতের সীমান্তঘেঁষা উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে মাদক পাচার ও কারবার ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে রৌমারী, ভূরুঙ্গামারী, ফুলবাড়ীসহ সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মাদক সিন্ডিকেট। সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিদিন আসছে ইয়াবা, ফেনসিডিল, এসকাফ এবং গাঁজার বড় বড় চালান।

অভিযানে উদ্ধার ও সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারের ঘটনা বাড়লেও থামছে না মাদকের অবাধ প্রবেশ। জেলা পুলিশ, ডিবি ও র‍্যাবের পৃথক অভিযানে প্রতিনিয়তই ধরা পড়ছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও কারবারি। সম্প্রতি ফুলবাড়ী ও রৌমারী সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় র‍্যাব ও পুলিশের অভিযানে কেজিতে কেজি গাঁজা, হাজার হাজার পিস ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ একাধিক তালিকাভুক্ত কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তবে মূল হোতারা প্রায়ই থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সরেজমিনে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ীদের দাপটে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। মাদক বিক্রেতারা স্থানীয় বেকার যুবকদের প্রলোভন দেখিয়ে বাহক হিসেবে ব্যবহার করছে, ফলে মারাত্মক সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম ৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, “মাদকের ভয়াল থাবা থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্ম ও সমাজকে রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। মাদক চোরচালান বন্ধে সীমান্ত পাহারা আরো কঠোর করার পাশাপাশি জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধী বা গডফাদার যে দলেরই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে বদ্ধপরিকর।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, “সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এটি একটি সংবেদনশীল অঞ্চল। তবে জিরো টলারেন্স নীতিতে প্রতিনিয়ত বিশেষ কম্বিং অপারেশন ও ডিবি অভিযান চালানো হচ্ছে। চিহ্নিত স্পটগুলোতে নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে।”

সুশীল সমাজের মতে, কেবল কয়েকটি চালান ধরা বা বাহকদের গ্রেপ্তার করাই যথেষ্ট নয়। সীমান্ত পাহারায় কঠোর নজরদারি এবং মূল গডফাদারদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে সীমান্ত অঞ্চলের তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

লালমোহনে বিএনপি-যুবদলের দুই নেতার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

শফিকুর রহমান সবুজ, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
লালমোহনে বিএনপি-যুবদলের দুই নেতার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

ভোলা জেলার লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ছাদেক মিয়া জান্টু ও উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসানুজ্জামান শারীরিক অসুস্থতার কারণে বর্তমানে চীনের কুনমিং শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় লালমোহন উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে উপজেলা যুবদলের সভাপতি কবির হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বশির হাওলাদারের সঞ্চালনায় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন, শফিউল্লাহ হাওলাদার, সোহেল আজীজ শাহিনসহ বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

দোয়া ও মোনাজাতে অসুস্থ দুই নেতার দ্রুত আরোগ্য, সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। একই সঙ্গে তাদের দ্রুত দেশে ফিরে আসার জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে প্রার্থনা করেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা।

জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত

দেশের অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত অর্থবছর গণনা করা হলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত হবে অর্থবছর।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থ বিভাগের উদ্যোগে উত্থাপিত প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের যুক্তি, জুলাই-আগস্টে বর্ষাকাল থাকায় বছরের শুরুতেই বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এতে বৃষ্টির কারণে নির্মাণকাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কাজের মেয়াদ বাড়ে, গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। অর্থবছর এপ্রিল-মার্চ করা হলে বর্ষা শুরুর আগেই উন্নয়নকাজের বড় অংশ শেষ করা সম্ভব হবে।

২০২৭-২৮ হবে মাত্র ৯ মাসের অর্থবছর

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নতুন অর্থবছর চালু করতে সরাসরি বর্তমান অর্থবছর থেকে পরিবর্তন না এনে একটি ট্রানজিশনাল বা অন্তর্বর্তী অর্থবছর রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ২০২৭-২৮ অর্থবছর জুলাই ২০২৭ থেকে শুরু হয়ে মাত্র নয় মাস পর, অর্থাৎ ২০২৮ সালের মার্চে শেষ হবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল ২০২৮ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৯ পর্যন্ত নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সরকারের আর্থিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিনের জুলাই-জুন অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে সরে গিয়ে আগামী দুই বছরের মধ্যে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছরে যাবে বাংলাদেশ।

সংবিধানসহ আইনে আসবে পরিবর্তন

অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করতে বেশ কিছু আইন ও বিধিতে সংশোধন আনতে হবে। এ জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এবং জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এ প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া অর্থবছর পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব আহরণ, সরকারি ব্যয়, হিসাব সংরক্ষণ, অর্থ ছাড়সহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ব্যবস্থাগুলো নতুন অর্থবছরের সময়সীমার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

নতুন অর্থবছর বাস্তবায়নের বিস্তারিত কর্মপন্থা নির্ধারণে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ এবং অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। কমিটি আইন সংশোধন, প্রশাসনিক প্রস্তুতি, বাজেট প্রণয়ন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনসহ অর্থবছর পরিবর্তনের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে।

ব্রেকিং নিউজ