খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার সংবাদে শীর্ষ আলেমদের উদ্বেগ

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার সংবাদে শীর্ষ আলেমদের উদ্বেগ

বিশেষ মতাদর্শী ও সালাফী লা-মাজহাব অনুসারী সংসদ সদস্য শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার সংবাদে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরামগণ গভীর উদ্বেগ ও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) এক যুক্তবিবৃতিতে ওলামায়ে কেরামগণ বলেন, শত শত বছর ধরে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ সুন্নি মুসলমানগণ হানাফী মাজহাব এর ফিকহ এবং আত্মশুদ্ধির জন্য তাসাওউফের চর্চা করেন। বাংলাদেশ যেমনিভাবে সকল ধর্মবিশ্বাসীদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তার দেশ হিসেবে পরিচিত, একইসাথে ধর্মীয়ভাবেও ভিন্ন ভিন্ন ঘরানা ও মতপথের অনুসারীদের মাঝে হিংসা বিদ্বেষ দৃশ্যমান নয়। কিন্তু কয়েক বছর ধরে লা-মাজহাব এবং সালাফি মতবাদ প্রতিষ্ঠার উদগ্র বাসনায় বিশেষ গোষ্ঠী দেশের শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় পরিবেশকে বিনষ্ট করার অদূরদর্শী তৎপরতায় মহল্লায় মহল্লায়, মসজিদে মসজিদে বিশৃঙ্খলা ও বিভেদ সৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

ওলামায়ে কেরামগণ বলেন, ধর্ম মন্ত্রণালয় নিছক আর দশটি মন্ত্রণালয়ের মতো নয়। এর সঙ্গে দেশের মসজিদ, মাদরাসা, ওয়াকফ, হজ ব্যবস্থাপনা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও মুসলিম জনসাধারণের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত। তাই এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনে ব্যক্তির ধর্মীয় অবস্থান, চিন্তাধারা ও সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিৎ। একই বিষয়ে জনগণের আপত্তি উপেক্ষা করে সরকার যদি আবারও একই পথে অগ্রসর হয়, তাহলে প্রশ্ন জাগতেই পারে আমাদের সঙ্গে কী তামাশা করা হচ্ছে? আমরা সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাই শামীম কায়সার লিংকনকেই কেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে? চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আলেম-উলামা ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মনোভাব ও উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হোক।

বিবৃতিতে ওলামায়ে কেরামগণ বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ করব প্রয়োজনে কোনো ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ কাউকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হোক। নতুবা বিএনপির ভেতরেও নিশ্চয়ই ধর্মীয় মনোভাব সম্পন্ন সংসদ সদস্য রয়েছেন, প্রয়োজনে তাদের কাউকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করা হোক। কিন্তু যিনি প্রকাশ্যে হানাফী মাজহাবের বিরোধী, তাকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করা হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে নেতিবাচক বার্তা যাবে এবং সরকারের ব্যাপারে বিরূপ মনোভাব তৈরি হতে পারে। সেজন্যে আমরা জোর দাবি জানাই, অবিলম্বে এমন চিন্তা থেকে ফিরে আসুন।

বিবৃতিদাতারা হচ্ছেন, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক কাসেমী (বলিয়ারপুর মাদরাসা, ঢাকা), মুফতী লুৎফুর রহমান ফরায়েজী (নরসিংদী), মাওলানা আব্দুর রহীম মাদানী (টঙ্গী, গাজীপুর), মাওলানা গাজী ইয়াকুব উসমানী (বি,বাড়িয়া), মুফতী সালমান ফারসী (ঢাকা), মাওলানা ইসমাঈল বুখারী কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ), মুফতী রিজওয়ান রফিকী (যশোর),

মুফতী শফী কাসেমী (বগুড়া), মুফতী আরিফ জাব্বার কাসেমী (গাজীপুর), মাওলানা আবদুল্লাহ আল ফারুক (ঢাকা), মুফতী বেলাল বিন আলী (ঢাকা), মুফতী আব্দুল্লাহ সালেহী (ঢাকা), মাওলানা মাহমুদুল হাসান (যশোরী), মুফতি আবু আম্মার আব্দুল্লাহ (মধুপুর), মুফতি ওবায়দুল্লাহ কাসেমী (প্রিন্সিপাল, মধুপুর হালিমিয়া (মুন্সীগঞ্জ), মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন ইমরান সিত্তে, মুফতি ইউসুফ জামিল (কিশোরগঞ্জ), মুফতি মুহাম্মদ হাসনিম (গওহরডাঙ্গা), মাওলানা দিলাওয়ার হুসাইন মাইজী (কেরানীগঞ্জ, ঢাকা),

মুফতি শোয়াইব আহমদ কাসেমী (মিরপুর আরজাবাদ), মুফতি হোসাইন বিন ওয়াক্কাস কাসেমী (যশোর), মাওলানা ওবায়দুর রহমান হুজাইফী (ঢাকা), মুফতি আমিনুল ইসলাম কাসেমী (সাভার), মুফতি ফেরদৌস মাহমুদ (জামালপুর), মুফতি কামরুজ্জামান কাসেমী (যশোর), মুফতি সোহাইল আহমদ (নীলফামারী), মুফতি আব্দুল হালিম বিন হারুন (নরসিংদী), মুফতি মাহমুদুল হাসান জিলানী (কুমিল্লা), মুফতি সোলায়মান মাদানী (কুমিল্লা),

শাইখুল হাদিস মুফতি শফিকুর রহমান (ময়মনসিংহ), মুফতি শফিকুল ইসলাম কাসেমী (ঢাকা), মাওলানা আল আমিন (ঢাকা), মাওলানা আব্দুল্লাহ আনসারী (ঢাকা), মাওলানা মাহমুদুল হাসান নোমান (ঢাকা), মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক আজাদী (ঢাকা), মুফতী ইউসুফ আজাদী (ঢাকা), মুফতী ওবায়দুল্লাহ শাকির (ফরিদপুর), মুফতী হাফিজুর রহমান (মেহেরপুরী), মুফতী ইনামুল হক আইয়্যুবী (বি,বাড়িয়া), মাওলানা মাসউদুর রহমান আইয়ুবী (মানিকগঞ্জ), মাওলানা গাজী সিদ্দিকুর রহমান (সাভার, ঢাকা), মুফতি আবু সাঈদ ইসহাকী (মাদারীপুর), মুফতি ইসহাক কামাল (নরসিংদী), মুফতি তাফহীমুল হক (হবিগঞ্জী), মুফতি নোমান আল হাবীব (মাদারীপুর), মুফতি জাকারিয়া সিদ্দিকী (ঢাকা)

সীমান্ত বেষ্টনী টপকে মাদকের থাবা: অতিষ্ঠ কুড়িগ্রামের জনজীবন

বিশেষ প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
সীমান্ত বেষ্টনী টপকে মাদকের থাবা: অতিষ্ঠ কুড়িগ্রামের জনজীবন

ভারতের সীমান্তঘেঁষা উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে মাদক পাচার ও কারবার ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে রৌমারী, ভূরুঙ্গামারী, ফুলবাড়ীসহ সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মাদক সিন্ডিকেট। সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিদিন আসছে ইয়াবা, ফেনসিডিল, এসকাফ এবং গাঁজার বড় বড় চালান।

অভিযানে উদ্ধার ও সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারের ঘটনা বাড়লেও থামছে না মাদকের অবাধ প্রবেশ। জেলা পুলিশ, ডিবি ও র‍্যাবের পৃথক অভিযানে প্রতিনিয়তই ধরা পড়ছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও কারবারি। সম্প্রতি ফুলবাড়ী ও রৌমারী সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় র‍্যাব ও পুলিশের অভিযানে কেজিতে কেজি গাঁজা, হাজার হাজার পিস ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ একাধিক তালিকাভুক্ত কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তবে মূল হোতারা প্রায়ই থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সরেজমিনে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ীদের দাপটে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। মাদক বিক্রেতারা স্থানীয় বেকার যুবকদের প্রলোভন দেখিয়ে বাহক হিসেবে ব্যবহার করছে, ফলে মারাত্মক সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম ৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, “মাদকের ভয়াল থাবা থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্ম ও সমাজকে রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। মাদক চোরচালান বন্ধে সীমান্ত পাহারা আরো কঠোর করার পাশাপাশি জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধী বা গডফাদার যে দলেরই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে বদ্ধপরিকর।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, “সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এটি একটি সংবেদনশীল অঞ্চল। তবে জিরো টলারেন্স নীতিতে প্রতিনিয়ত বিশেষ কম্বিং অপারেশন ও ডিবি অভিযান চালানো হচ্ছে। চিহ্নিত স্পটগুলোতে নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে।”

সুশীল সমাজের মতে, কেবল কয়েকটি চালান ধরা বা বাহকদের গ্রেপ্তার করাই যথেষ্ট নয়। সীমান্ত পাহারায় কঠোর নজরদারি এবং মূল গডফাদারদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে সীমান্ত অঞ্চলের তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

লালমোহনে বিএনপি-যুবদলের দুই নেতার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

শফিকুর রহমান সবুজ, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
লালমোহনে বিএনপি-যুবদলের দুই নেতার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

ভোলা জেলার লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ছাদেক মিয়া জান্টু ও উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসানুজ্জামান শারীরিক অসুস্থতার কারণে বর্তমানে চীনের কুনমিং শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় লালমোহন উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে উপজেলা যুবদলের সভাপতি কবির হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বশির হাওলাদারের সঞ্চালনায় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন, শফিউল্লাহ হাওলাদার, সোহেল আজীজ শাহিনসহ বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

দোয়া ও মোনাজাতে অসুস্থ দুই নেতার দ্রুত আরোগ্য, সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। একই সঙ্গে তাদের দ্রুত দেশে ফিরে আসার জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে প্রার্থনা করেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা।

জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
জুলাই-জুনের বদলে এপ্রিল-মার্চে অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্ত

দেশের অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বর্তমানে জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত অর্থবছর গণনা করা হলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত হবে অর্থবছর।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থ বিভাগের উদ্যোগে উত্থাপিত প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের যুক্তি, জুলাই-আগস্টে বর্ষাকাল থাকায় বছরের শুরুতেই বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এতে বৃষ্টির কারণে নির্মাণকাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি কাজের মেয়াদ বাড়ে, গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। অর্থবছর এপ্রিল-মার্চ করা হলে বর্ষা শুরুর আগেই উন্নয়নকাজের বড় অংশ শেষ করা সম্ভব হবে।

২০২৭-২৮ হবে মাত্র ৯ মাসের অর্থবছর

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নতুন অর্থবছর চালু করতে সরাসরি বর্তমান অর্থবছর থেকে পরিবর্তন না এনে একটি ট্রানজিশনাল বা অন্তর্বর্তী অর্থবছর রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ২০২৭-২৮ অর্থবছর জুলাই ২০২৭ থেকে শুরু হয়ে মাত্র নয় মাস পর, অর্থাৎ ২০২৮ সালের মার্চে শেষ হবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে ১ এপ্রিল ২০২৮ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৯ পর্যন্ত নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সরকারের আর্থিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। অর্থাৎ, দীর্ঘদিনের জুলাই-জুন অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে সরে গিয়ে আগামী দুই বছরের মধ্যে এপ্রিল-মার্চ অর্থবছরে যাবে বাংলাদেশ।

সংবিধানসহ আইনে আসবে পরিবর্তন

অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করতে বেশ কিছু আইন ও বিধিতে সংশোধন আনতে হবে। এ জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এবং জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এ প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া অর্থবছর পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব আহরণ, সরকারি ব্যয়, হিসাব সংরক্ষণ, অর্থ ছাড়সহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ব্যবস্থাগুলো নতুন অর্থবছরের সময়সীমার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

নতুন অর্থবছর বাস্তবায়নের বিস্তারিত কর্মপন্থা নির্ধারণে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ এবং অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। কমিটি আইন সংশোধন, প্রশাসনিক প্রস্তুতি, বাজেট প্রণয়ন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনসহ অর্থবছর পরিবর্তনের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবে।

ব্রেকিং নিউজ