খুঁজুন
বুধবার, ৪ঠা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাজের পরিধি বাড়াতে ইসলামী আন্দোলনের ১৩ উপকমিটি গঠন

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
কাজের পরিধি বাড়াতে ইসলামী আন্দোলনের ১৩ উপকমিটি গঠন

সাংগঠনিক কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত ও বহুমুখী করতে বিভিন্ন বিষয়ে ১৩টি উপকমিটি গঠন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এসব উপকমিটিতে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক কাজকে গুরুত্ব দেওয়ার অংশ হিসেবে এসব উপকমিটি গঠন করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

গঠিত ১৩টি উপকমিটি হলো—দাওয়াহ ও জনশক্তি, নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি, প্রবাসী কল্যাণ, শিল্প ও বাণিজ্য, আইন ও মানবাধিকার, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ, আন্তর্জাতিক, শৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ, ওলামা এবং মহিলা ইউনিট বিষয়ক উপকমিটি।

দাওয়াহ ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে কে. এম. আতিকুর রহমানকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মানসুর আহমদ সাকী, ড. শেখ ফজলে এলহী মামুন, ইউসুফ আহমদ মানসুর, মুফতি আবু বকর ও মুফতি মিজানুর রহমান।

নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক শাহ ইফতেখার তারিক। সদস্যরা হলেন—মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালি উল্লাহ (এমপি), মাওলানা শোয়াইব হোসেন, মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, মাওলানা বদরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট ফেরদৌস চৌধুরী ও মো. ইয়াসীন আলী।

প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক মাওলানা খলিলুর রহমান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. হাসমত আলী, অধ্যাপক আমজাদ হোসাইন, আলহাজ এমদাদুল ফেরদৌস, আলহাজ আনোয়ার খাঁন, মাওলানা ওবায়েদ বিন মোস্তফা, মাওলানা নুরুল বশর আজিজী ও অধ্যাপক আব্দুল করীম।

শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক আলহাজ কে. এম. বিল্লাল হোসেন। সদস্যরা হলেন—আলহাজ জহিরুল ইসলাম সিআইপি, আলহাজ আতিকুর রহমান নান্নু মন্সী, আলহাজ আনোয়ার হোসেন, আলহাজ জাকির হোসেন পাটোয়ারী, আলহাজ নিজাম উদ্দিন, আলহাজ মজিবর রহমান শামীম, হারুনুর রশীদ, সাইদুর রহমান জাবেদ, আলহাজ হারিসুল বারী রনি, মাওলানা ফজলুর রহমান, আখিনুর মিয়া ও নূরে আলম বিশ্বাস।

আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার। সদস্য—অ্যাডভোকেট মুহাম্মাদ আবদুল বাসেত, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ নাসের, অ্যাডভোকেট মো. হানিফ, অ্যাডভোকেট বায়েজিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট হাসিবুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট ইশতিয়াক।

ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম। সদস্য—আলহাজ আব্দুর রহমান, এম. এম. কামাল উদ্দিন, আলহাজ আনোয়ার হোসেন (দক্ষিণ), আলহাজ শেখ জয়নাল আবেদীন, আলহাজ শাহজাহান মিয়া, রশিদ আহমদ ফেরদৌস, মাওলানা সরোয়ার হোসেন, মাওলানা জিয়াউল হক ও মাওলানা লোকমান হোসেন।

আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেলাল নূর আজিজী। সদস্য—অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমদ সজল, সৈয়দ ড. মাবরুক বিল্লাহ, অধ্যাপক মোস্তফা কামাল, মো. রাজন শিকদার, মাজেদুল হক, খায়রুল আহসান মারজান, মাওলানা মোহাম্মদ আলী ও ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম।

শৃঙ্খলা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ ইসহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের। সদস্য—আলহাজ মো. আমিনুল ইসলাম, মাওলানা মো. নেছার উদ্দিন, অ্যাডভোকেট বরকতউল্লাহ লতিফ ও আল মোহাম্মদ ইকবাল।

শিক্ষা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ। সদস্য—অধ্যাপক (অব.) নাছির উদ্দিন খাঁন, মাওলানা এ. বি. এম. জাকারিয়া, ড. অধ্যাপক আব্দুল মুমিন, ড. অধ্যাপক আবু ইউসুফ ও খন্দকার মোহাম্মদ তানভীর।

স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফুল আলম। সদস্য—আলহাজ সেলিম মাহমুদ, ডা. মো. শহিদুল্লাহ, ডা. মোমতাজুল করীম ও ডা. আক্কাস আলী সরকার।

ওলামা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক মুফতি রেজাউল করীম আবরার। সদস্য—মুফতি হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী ও মুঈনুদ্দীন খান তানভীর।

মহিলা ইউনিট বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে শেখ আবু তাহেরকে। সদস্যরা হলেন—হাফেজ মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, মাওলানা হাফিজুল হক ফাইয়াজ, মুফতি মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস (ঢাকা বিভাগ), মুফতি আনোয়ার ইবরাহিমী (চট্টগ্রাম বিভাগ), মুফতি আরিফ বিল্লাহ (খুলনা বিভাগ), মাওলানা হুসাইন আহমাদ (রাজশাহী বিভাগ), মুফতি ওসমান গনী (বরিশাল বিভাগ), মুফতি শহিদুল ইসলাম পলাসী (সিলেট বিভাগ), মাওলানা সাইফুল ইসলাম (রংপুর বিভাগ), মাওলানা হাদিউল ইসলাম (মোমেনশাহী বিভাগ), মুফতি আব্দুর রহমান গিলমান (কুমিল্লা বিভাগ) ও মুহাম্মাদ নুর ইসলাম (ফরিদপুর বিভাগ)।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক এসব উপকমিটির মাধ্যমে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও গতিশীল করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে পরিকল্পিতভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

‘নিজ স্ত্রীর সঙ্গে’ ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, জামায়াত নেতার পদ স্থগিত

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
‘নিজ স্ত্রীর সঙ্গে’ ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল, জামায়াত নেতার পদ স্থগিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় মো. শহীদুল্লাহ্ (৪৬) নামের এক নেতার রুকনিয়াত সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দলটির ময়মনসিংহ মহানগর শাখা।

মো. শহীদুল্লাহ্ নগরের নতুন বাজার থানা জামায়াতের রুকন পদে ছিলেন। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি স্থানীয় নওমহল এলাকার আল আরাবিয়া দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত।

দলীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকাল থেকেই মো. শহীদুল্লাহ্‌র একটি আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমালোচনার জন্ম দেয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মহানগর জামায়াত জরুরি সভায় বসে এ সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শহীদুল্লাহ্‌র দাবি, ছড়িয়ে পড়া দৃশ্যটি তার স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা সম্পূর্ণ পারিবারিক ও একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের। শত্রুতাবশত অজ্ঞাতপরিচয় কেউ তার মুঠোফোন থেকে ভিডিওটি হাতিয়ে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আগে থেকেই তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল এবং মোটা অঙ্কের অর্থও দাবি করা হয়েছিল। এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির কামরুল আহসান বলেন, ভিডিওটি তার ব্যক্তিগত এবং স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা। বিষয়টি নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে আপাতত তার রুকনিয়ত স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন শহীদুল্লাহ। অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম রব্বানী বলেন, ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে এক শিক্ষার্থীর বিষয়ে অভিযোগকারী তথ্য দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত ভিডিও অনুমতি ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে ভিডিওটি কে বা কারা ছড়িয়েছে এবং এর পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এমপিওভুক্ত কলেজে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
এমপিওভুক্ত কলেজে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি এবং অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সভাপতি হতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বাধ্যতামূলক নয়। স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই এ পদে দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা অর্জন করা যাবে।

রবিবার (১ নভেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গভর্নিং বডি বা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এবং বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ১১ মার্চ জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পরিবর্তে স্নাতক ডিগ্রি করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, একজন ব্যক্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দুটির বেশি কলেজ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি কিংবা বিদ্যোৎসাহী সদস্য মনোনীত হতে পারবেন না—এ শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।

ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু আজ, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ
ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন শুরু আজ, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

ঢাকাসহ দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশন এলাকায় আজ সোমবার থেকে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার রিকশার (ই-রিকশা) নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এতে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট থেকে ১০ হাজার টাকা। তবে বর্তমানে রাস্তায় চলাচলরত রিকশা এখনই বন্ধ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

রবিবার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে না। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে আটটি জোন করা হবে। প্রতিটি জোনের রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রঙ। ফলে এক জোনের রিকশা অন্য জোনে চলতে পারবে না।

নতুন বিধিমালা প্রকাশের পর ই-রিকশার চালকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন দেওয়া হবে। বৈধ বা অবৈধ রিকশাগুলো আপাতত চলবে। অবৈধ রিকশা অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সংশ্লিষ্টদের কিছুটা সময় দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচলে বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি থেকে পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন করা যাবে।

মীর শাহে আলম বলেন, জোনভিত্তিক রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এক এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় যেতে না পারে। কোন জোনে কতগুলো রিকশা চললে যানজট তৈরি হবে না, তা ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে নির্ধারণ করবে।

বিধিমালা অনুযায়ী যেসব সড়কে বাস চলাচল করে, সেসব সড়কে ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে নেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

বিধিমালা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে আট হাজার টাকা। এক বছর পর ফিটনেস যাচাই করে নবায়নের জন্য দিতে হবে চার হাজার টাকা। অন্যদিকে চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা। এক বছর পর ফিটনেস যাচাই করে নবায়নের জন্য ফি দিতে হবে পাঁচ হাজার টাকা। এভাবে সর্বোচ্চ ১২ বছর পর্যন্ত এসব ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে।

ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে জোনভিত্তিক চলাচল, রুট নির্ধারণ এবং ই-রিকশার নির্দিষ্ট রঙ চূড়ান্ত করা হবে। ই-রিকশার নিবন্ধন নম্বর, মালিকের তথ্য, সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং কোন জোনে রিকশাটি চলাচল করতে পারবে, তা কিউআর কোডে থাকবে। চালকদের পরিচয় নিশ্চিত করতে আপাতত পরিচয়পত্রের ব্যবস্থা রাখা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপাতত চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। নিবন্ধন কার্যক্রম কিছুটা এগিয়ে গেলে এ বিষয়ে আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। পর্যায়ক্রমে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে।

ই-রিকশা নিবন্ধনের আগে বিদ্যমান যানবাহনগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে। এরপরই নিবন্ধন দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে চলাচলকারী ই-রিকশাগুলোকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। উৎপাদনকারীদেরও অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করে যানবাহন তৈরি করতে হবে।

বিধিমালায় নির্দিষ্ট স্থানে এসব রিকশার জন্য চার্জিং স্টেশন স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জের ব্যবস্থা করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ই-রিকশা নিবন্ধন কত দিনের মধ্যে শেষ হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাননি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিবন্ধন কার্যক্রম শুরুর এক মাস পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আবার বসে অগ্রগতি জানানো হবে। ওই সময়ে কতগুলো রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে এবং অবৈধ রিকশা নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা তুলে ধরা হবে।

ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালিকপক্ষ, ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে আলোচনা করে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করবে। তবে ভাড়া সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হবে।

ব্রেকিং নিউজ