খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে উর্দূর প্রতি অন্যায়: ইতিহাসকে কি আমরা রাজনৈতিক প্রতিশোধের শিকার করেছি?

শেখ জাহিদ হাসান
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে উর্দূর প্রতি অন্যায়: ইতিহাসকে কি আমরা রাজনৈতিক প্রতিশোধের শিকার করেছি?

বাংলাদেশের ভাষার ইতিহাস নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে উঠি। কিন্তু প্রশ্ন হলো—সংবেদনশীলতার নামে কি আমরা ইতিহাসের একটি অংশকে মুছে ফেলছি?

বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা—এ নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই। বাংলা আমাদের ভাষা, আমাদের আত্মপরিচয় এবং ৫২ ভাষা আন্দোলনের গৌরবময় উত্তরাধিকার। কিন্তু বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার অর্থ কি এই যে, এই ভূখণ্ডে শত শত বছর ধরে বসবাসকারী অন্য ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতিকে আমরা অস্বীকার করব?

আমার প্রশ্ন এখানেই।

উর্দূকে শুধুমাত্র ‘পাকিস্তানি ভাষা’ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রবণতা ঐতিহাসিকভাবে সরলীকৃত এবং রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারণ পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বহু আগে থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশে উর্দূ ভাষার বিকাশ ঘটেছে। এই ভাষার সঙ্গে দিল্লি, লখনৌ, হায়দরাবাদ কিংবা লাহোরের যেমন সম্পর্ক রয়েছে, তেমনি বাংলার সঙ্গেও রয়েছে দীর্ঘ সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক।

বাংলার নবাবি আমল, জমিদারি সমাজ এবং মুসলিম অভিজাত পরিবারের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে ফারসি ও উর্দূর ব্যবহার ছিল উল্লেখযোগ্য। ঢাকার নবাব পরিবার এবং পুরান ঢাকার আদিবাসী উর্দূভাষী জনগোষ্ঠী তার বাস্তব উদাহরণ। তাদের পূর্বপুরুষেরা এই ভূখণ্ডেই বসবাস করেছেন, এখানেই ব্যবসা করেছেন, সাহিত্যচর্চা করেছেন এবং নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য গড়ে তুলেছেন।

তাহলে প্রশ্ন হলো—তাদের ভাষা কি কেবল পাকিস্তানের ভাষা ? অবশ্যই নয়।

একটি ভাষাকে তার ব্যবহারকারীর রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে বিচার করা ইতিহাসের প্রতি অন্যায়। ইংরেজি ব্রিটিশদের ভাষা ছিল বলে কি আমরা ইংরেজি সাহিত্য, বিজ্ঞান বা জ্ঞানচর্চা প্রত্যাখ্যান করি? আরবি মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ভাষা বলে কি অমুসলিমরা আরবি শিখতে পারে না? ফারসি একসময় প্রশাসন ও সাহিত্যচর্চার গুরুত্বপূর্ণ ভাষা ছিল বলে কি তার ঐতিহ্য অস্বীকার করা যায়?

তাহলে উর্দূর ক্ষেত্রে এত রাজনৈতিক বিচার কেন?

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উর্দূ আরবি ভাষা নয়। এটি মূলত একটি ইন্দো-আর্য ভাষা, যা ঐতিহাসিকভাবে ভারতীয় উপমহাদেশের বহুভাষিক পরিবেশে বিকশিত হয়েছে এবং আরবি-ফারসি লিপি ও শব্দভাণ্ডারের গভীর প্রভাব গ্রহণ করেছে। মুসলিম সমাজে ধর্মীয় শিক্ষা ও সাহিত্যচর্চার কারণে উর্দূ বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করলেও এর শিকড়কে শুধু পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করা ইতিহাসের জটিলতাকে অস্বীকার করা।

দুঃখজনক বাস্তবতা হলো—১৯৪৭-এর পাকিস্তান এবং ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক সংঘাতের ছায়া ভাষার ওপরও পড়েছে।

পাকিস্তানি রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যায়, বৈষম্য ও বাঙালির ওপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে আমাদের ক্ষোভ যৌক্তিক ছিল। কিন্তু সেই রাজনৈতিক ক্ষোভ যদি উর্দূ ভাষা, উর্দূ সাহিত্য কিংবা উর্দূভাষী সাধারণ মানুষের ওপরও প্রয়োগ করা হয়, তাহলে সেটি ন্যায়বিচার নয়; বরং এক ধরনের ভাষাগত প্রতিক্রিয়াশীলতা।

একজন উর্দূভাষী বাংলাদেশের নাগরিকের অপরাধ কী? তার অপরাধ কি শুধু তার মাতৃভাষা?

একজন পুরান ঢাকাইয়া উর্দূভাষীর পূর্বপুরুষ যদি শত বছর ধরে এই শহরে বসবাস করে থাকেন, তাহলে তাকে কেন ‘বহিরাগত’ হিসেবে দেখা হবে?

রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব কি মাতৃভাষা দিয়ে নির্ধারিত হয়?

যদি উত্তর ‘না’ হয়, তাহলে ভাষার কারণে কোনো জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অধিকার সংকুচিত করার নৈতিক ভিত্তিও থাকতে পারে না।

বাংলাদেশের সৌন্দর্য তার বহুত্বে। বাংলা, চাকমা, মারমা, সাঁওতালি, গারো, মণিপুরি, উর্দূসহ বহু ভাষা ও সংস্কৃতি এই দেশের সামাজিক বাস্তবতার অংশ। বাংলা রাষ্ট্রভাষা—কিন্তু রাষ্ট্রভাষা হওয়া অন্য ভাষাগুলোর অস্তিত্ব অস্বীকার করার লাইসেন্স নয়।

বরং একটি আত্মবিশ্বাসী জাতি তার নিজের ভাষাকে ভালোবেসে অন্যের ভাষাকেও সম্মান করতে পারে।

আমরা যদি সত্যিই ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করি, তাহলে সেই চেতনার মূল শিক্ষা হওয়া উচিত—ভাষার অধিকার। শুধু আমার ভাষার অধিকার নয়, অন্যের ভাষার অধিকারও।

রাজনৈতিক ইতিহাসের সুবিধাজনক অংশ মনে রেখে আর অসুবিধাজনক অংশ ভুলে গিয়ে কোনো জাতি পরিপূর্ণ ইতিহাস নির্মাণ করতে পারে না। পাকিস্তানের রাজনৈতিক অন্যায়ের দায় উর্দূ ভাষার ওপর চাপানো যেমন অন্যায়, তেমনি উর্দূভাষী বাংলাদেশের নাগরিকদের ইতিহাসকে অস্বীকার করাও অন্যায়।

বাংলাদেশকে যদি সত্যিই একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও বহুত্ববাদী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আমাদের ভাষানীতিতেও সেই উদারতার প্রতিফলন থাকতে হবে।

বাংলাকে ভালোবাসুন, বাংলাকে মর্যাদা দিন—কিন্তু অন্যের ভাষাকে ঘৃণা করে নয়।

কারণ ভাষার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কোনো ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা যায় না।

আর ইতিহাসকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার বানালে শেষ পর্যন্ত ইতিহাসই আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে।

উর্দূ বাংলাদেশের শত্রু নয়। উর্দূভাষী মানুষও বাংলাদেশের শত্রু নয়। ইতিহাসকে বিকৃত করাই বরং আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু।

লেখক: সংগঠক ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব

ঢাকার সড়কে আজ নারীদের জন্য নামছে ‘পিংক বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার সড়কে আজ নারীদের জন্য নামছে ‘পিংক বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী

নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত করতে রাজধানীর গণপরিবহনে আজ থেকে চালু হচ্ছে বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস’। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) উদ্যোগে গোলাপি রঙের এসব ‘পিংক বাস’ পরিচালনা করবেন নারী চালক ও কন্ডাক্টর।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সার্ভিসের উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনের পর বিকেলে যাত্রী পাওয়া সাপেক্ষে বাস চলাচল করবে। আগামীকাল বুধবার থেকে নির্ধারিত রুটে পূর্ণাঙ্গভাবে যাত্রীসেবা শুরু হবে।

প্রাথমিকভাবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রুটে ১০টি বাস দিয়ে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ চালু করা হচ্ছে। এর বাইরে বগুড়ায় দুটি ও চট্টগ্রামে দুটি বাসসহ আরও চারটি বাস এ সেবায় যুক্ত হবে। যাত্রী চাহিদা ও প্রয়োজন বিবেচনায় ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

ঢাকায় নতুনবাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল, তালতলা-মতিঝিল, ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, মিরপুর-১০-মতিঝিল, মিরপুর-দো১২-মতিঝিল, আব্দুল্লাহপুর-কোয়ার্টার-জিপিও, মিরপুর-মতিঝিল ও মোহাম্মদপুর-মতিঝিলসহ গুরুত্বপূর্ণ রুটে এসব বাস চলাচল করবে। এছাড়া গাজীপুর-বিমানবন্দর রুটেও বিশেষ বাস থাকবে।

নতুনবাজার থেকে মতিঝিলগামী বাস কোকাকোলা, নতুনবাজার, বাড্ডা, রামপুরা, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে। অন্যদিকে মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ডেমরা ও আব্দুল্লাহপুরের বাসগুলো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা সংযুক্ত করবে।

ঢাকার বাইরে বগুড়ার শেরপুর-মাটিডালি রুটে দুটি এবং চট্টগ্রামের কালুরঘাট-পতেঙ্গা রুটে দুটি বাস চলাচল করবে।

বিআরটিসির ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নারী চালক ও কন্ডাক্টর দিয়ে পরিচালিত এই বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবহন খাতে নারীদের কর্মসংস্থান ও অংশগ্রহণও বাড়বে বলে আশা করছে সংস্থাটি।

সীমান্ত বেষ্টনী টপকে মাদকের থাবা: অতিষ্ঠ কুড়িগ্রামের জনজীবন

বিশেষ প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
সীমান্ত বেষ্টনী টপকে মাদকের থাবা: অতিষ্ঠ কুড়িগ্রামের জনজীবন

ভারতের সীমান্তঘেঁষা উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে মাদক পাচার ও কারবার ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে রৌমারী, ভূরুঙ্গামারী, ফুলবাড়ীসহ সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মাদক সিন্ডিকেট। সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিদিন আসছে ইয়াবা, ফেনসিডিল, এসকাফ এবং গাঁজার বড় বড় চালান।

অভিযানে উদ্ধার ও সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারের ঘটনা বাড়লেও থামছে না মাদকের অবাধ প্রবেশ। জেলা পুলিশ, ডিবি ও র‍্যাবের পৃথক অভিযানে প্রতিনিয়তই ধরা পড়ছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও কারবারি। সম্প্রতি ফুলবাড়ী ও রৌমারী সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় র‍্যাব ও পুলিশের অভিযানে কেজিতে কেজি গাঁজা, হাজার হাজার পিস ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ একাধিক তালিকাভুক্ত কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তবে মূল হোতারা প্রায়ই থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সরেজমিনে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ীদের দাপটে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। মাদক বিক্রেতারা স্থানীয় বেকার যুবকদের প্রলোভন দেখিয়ে বাহক হিসেবে ব্যবহার করছে, ফলে মারাত্মক সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম ৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, “মাদকের ভয়াল থাবা থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্ম ও সমাজকে রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। মাদক চোরচালান বন্ধে সীমান্ত পাহারা আরো কঠোর করার পাশাপাশি জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধী বা গডফাদার যে দলেরই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে বদ্ধপরিকর।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, “সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এটি একটি সংবেদনশীল অঞ্চল। তবে জিরো টলারেন্স নীতিতে প্রতিনিয়ত বিশেষ কম্বিং অপারেশন ও ডিবি অভিযান চালানো হচ্ছে। চিহ্নিত স্পটগুলোতে নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে।”

সুশীল সমাজের মতে, কেবল কয়েকটি চালান ধরা বা বাহকদের গ্রেপ্তার করাই যথেষ্ট নয়। সীমান্ত পাহারায় কঠোর নজরদারি এবং মূল গডফাদারদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে সীমান্ত অঞ্চলের তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

লালমোহনে বিএনপি-যুবদলের দুই নেতার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

শফিকুর রহমান সবুজ, লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
লালমোহনে বিএনপি-যুবদলের দুই নেতার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

ভোলা জেলার লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ছাদেক মিয়া জান্টু ও উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসানুজ্জামান শারীরিক অসুস্থতার কারণে বর্তমানে চীনের কুনমিং শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় লালমোহন উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে উপজেলা যুবদলের সভাপতি কবির হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বশির হাওলাদারের সঞ্চালনায় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন, শফিউল্লাহ হাওলাদার, সোহেল আজীজ শাহিনসহ বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

দোয়া ও মোনাজাতে অসুস্থ দুই নেতার দ্রুত আরোগ্য, সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। একই সঙ্গে তাদের দ্রুত দেশে ফিরে আসার জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে প্রার্থনা করেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা।

ব্রেকিং নিউজ