খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জমি নির্ধারণে ইউজিসির সমন্বয় সভা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জমি নির্ধারণে ইউজিসির সমন্বয় সভা

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুড়িকৃবি) স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের লক্ষ্যে জমি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় এক ধাপ অগ্রগতি হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থান নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে স্থানীয়ভাবে প্রস্তাবিত তিনটি স্থান পরিদর্শনের মাধ্যমে ইউজিসি প্রতিনিধিদলকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল-মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম।

সভায় জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা অংশ নেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত তিনটি স্থান নিয়ে নিজ নিজ যুক্তিসহ বিস্তারিত মতামত তুলে ধরেন।

আলোচনায় উঠে আসা স্থান তিনটি হলো- দাশের হাটের ছড়া,নালিয়ার দোলা ও ধরলা ব্রিজের পূর্বপাড়।

উপস্থিত বক্তারা স্থানগুলোর ভৌগোলিক সুবিধা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রসারের সুযোগ সম্পর্কিত বিভিন্ন যৌক্তিক দিক তুলে ধরে কথা বলেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, পরিদর্শনে আসা ইউজিসির প্রতিনিধিদল প্রস্তাবিত তিনটি স্থানই সরেজমিনে ঘুরে দেখবেন। পরবর্তীতে সরকারি নীতিমালা ও কারিগরি দিক বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ভূমিটি চূড়ান্ত করা হবে।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি পিপিএম, জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান স্বপন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিব, সাবেক এমপি উমর ফারুক,হলো খানা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রেজা এনসিপির জেলা আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি সফি খান, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগ্যানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। এ পরীক্ষায় অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ করতে হবে ৫ থেকে ৯ নভেম্বরের মধ্যে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নিয়মিত অথবা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা হবে ২০২৫ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুসারে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য তালিকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.dhakaeducationboard.gov.bd) প্রকাশ করা হবে। ওই তালিকা থেকে ৫ নভেম্বর থেকে ৯ নভেম্বরের মধ্যে ফরম পূরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

পরীক্ষার ফি সোনালী সেবার মাধ্যমে জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১০ নভেম্বর। এ ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিবের অনুকূলে অর্থ জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ওই রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার জন্য প্রতি পত্র বা বিষয়ে ১২৫ টাকা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য প্রতি পত্র বা বিষয়ে ২৫ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্র ফি বাবদ দিতে হবে ৪৫০ টাকা।

সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

ফতুল্লায় শ্রমিকদের আন্দোলন: পুলিশের মামলায় আসামি ২১, অজ্ঞাত ১৫০০

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
ফতুল্লায় শ্রমিকদের আন্দোলন: পুলিশের মামলায় আসামি ২১, অজ্ঞাত ১৫০০

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এতে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে এক হাজার থেকে দেড় হাজার জনকে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোররাতে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়কে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন ফকির বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার উৎখাত এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা বেতন বৃদ্ধির দাবিকে কেন্দ্র করে পোশাকশ্রমিকদের উসকানি দিয়ে সংগঠিত করেন। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে কয়েকটি কারখানার এক থেকে দেড় হাজার শ্রমিককে নিয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ করা হয়। এ সময় সড়কে আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একাধিকবার চেষ্টা করেন। তবে বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিক ও তাঁদের উসকানিদাতারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৮৩ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ফতুল্লার লামাপাড়ার মফিজুল ইসলামের ছেলে শামীম হাসান (২৮), কোতালেরবাগ বউবাজার এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে মো. মামুন (২৬), ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক (৩৮), রামারবাগ এলাকার ইমান তৌফিকের ছেলে ইমান ইমন (২৬), কোতালেরবাগ এলাকার প্রয়াত লিয়াকত হোসেনের ছেলে শাহিন আহম্মেদ এবং কায়েমপুর এলাকার আক্তারুজ্জামানের ছেলে আতিকুর রহমান (২৫)।

গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মাহবুব আলম। আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ জানান, রিমান্ড শুনানির জন্য আগামী ৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নারায়ণগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোস্তফা কামাল (৪৮), সদস্য মজিবর রহমান (৪৬), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি টিপু সুলতান (৪০), যুবলীগ নেতা আজমত আলী (৪৫), মোফাজ্জল হোসেন চুন্নু (৪৫) ও রাকিব হোসেন (২৮)।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেলে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধের সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, পদ হারালেন সেই সরকারি কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, পদ হারালেন সেই সরকারি কর্মকর্তা

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মোহাম্মদ মসিউর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব জেতী প্রু। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করে মন্তব্য করেন মোহাম্মদ মসিউর রহমান। গত ১ নভেম্বর ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ উদ্যোগের আওতায় ঢাকার ছয়টি রুটে পরীক্ষামূলক বাস চলাচলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে মসিউর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্লোগানটিকে হাদিস বললে অনেকে মনে করতে পারেন, পরবর্তী পোস্টিংয়ের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীকে তেল মারছেন। তবে তার মতে, এটি একটি শাশ্বত বাণী।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার আগে আমরা, সবার আগে দেশ—এ কথা কে অস্বীকার করতে পারবেন? স্বার্থপর, যার দেশপ্রেম নেই, সেই বলতে পারে, না, আমি মানি না। আমাকে বাদ দিয়ে আমরা সবাই মিলে থাকব, আর সবার আগে থাকবে দেশ। তারপরে “করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এটা হাদিস, হাদিস। এটা শাশ্বত বাণী।’

মসিউর রহমান আরও বলেন, ‘এটা হুজুররা বললে হাদিস হয়ে যেত। তো ওনার মুখে দাড়ি নেই, টুপি পরেন না, এজন্য হাদিস হয়নি! এটা হাদিস।’

রাজনৈতিক স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করে দেওয়া তার বক্তব্যের ভিডিও ও মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

ব্রেকিং নিউজ