খুঁজুন
শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাফনের কাপড় পাঠিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৩ জনেকে হত্যার হুমকি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
কাফনের কাপড় পাঠিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৩ জনেকে হত্যার হুমকি

হবিগঞ্জের মাধবপুরে ডাকযোগে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাউর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর মো. খোরশেদ আলম ও ইউপি সদস্যসহ ১৩ জনকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (১আগস্ট) বিকালে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে একটি বড় পার্সেলের মাধ্যমে কাফনের কাপড়সহ হত্যার হুমকির একটি বেনামি চিঠি এসে পৌঁছে। এ ঘটনায় খোরশেদ আলম মাধবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা।

চিঠিতে সাবেক ইউপি আনোয়ার হোসেন, বর্তমান ইউপি মাহমুদ হোসেন, গ্রামের সর্দার মিসির আলি, আব্দুল গফুর, মিজান কন্ডাক্টর, বজলু, সৈয়দ শিব্বির, আনাস, তালহা, তানজিল ও নোমানকেও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

খোরশেদ আলম জানান, বিকাল ৩টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের আসার পর মাধবপুর পোস্ট অফিসের জনৈক ব্যক্তি একটি পার্সেল নিয়ে আসেন। পার্সেলটি ৫২০ টাকা দিয়ে গ্রহণ করেন ইউপি সচিব। পরে সবার সামনে পার্সেলটি খোলা হলে প্রথমেই আমার বরাবরে লেখা একটি খোলা চিটি ও কাফনের কাপড়ের এক টুকরো পাওয়া যায়। এরপর আরও ভিন্ন ভিন্ন ১২টি খামে চিটি পাওয়া যায়। তাৎক্ষনিক বিষয়টি থানার ওসি ও পুলিশ সুপারকে অবগত করে একটি জিডি করা হয়েছে।

চিঠিতে তাকে উদ্দেশ্য করে লেখা হয়, এই চিঠি পাওয়ার পর তোর জীবনে যা আছে করার করে নে। এরপর মাত্র কয়েকদিন বেঁচে থাকবি। আগুন নিয়ে খেলার পরিণাম বুঝবি।

এছাড়া চিঠিতে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে তাদের চেয়ারম্যান বানানোর কথাও লেখা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রেরকের সম্ভাব্য ঠিকানা আমাদের নজরে এসেছে। আমাদের গোয়েন্দা তৎপরতা চলছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই অপরাধীকে সনাক্ত করতে পারব।

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে বিভেদ সৃষ্টি করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে বিভেদ সৃষ্টি করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ধর্ম মানুষের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার জায়গা। ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে বিভেদ বা রক্তপাত সৃষ্টি করা উচিত নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের দেশ। তাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহাবস্থান বজায় রেখে একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ধর্ম তার বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার জায়গা এবং ইহকাল ও পরকালের বিষয়। ধর্মকে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিয়ে এসে মানুষের রক্তপাত ঘটানো উচিত নয়। সাম্প্রদায়িকতাকে কেন্দ্র করে কোনো রাজনীতি বা ধর্মকে নিয়ে কোনো ধরনের ব্যবসা করা উচিত নয়।

যুবসমাজকে ধ্বংস করতে প্রতিবেশী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে: সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
যুবসমাজকে ধ্বংস করতে প্রতিবেশী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে: সালাউদ্দিন টুকু

প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশে মাদক ঢোকানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজ যেন ভবিষ্যতে ঘুরে দাঁড়াতে না পারে, সে জন্যই এই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নে একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ডেঙ্গু ও মাদকবিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাদক নয়, শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীলতাই হোক তারুণ্যের শক্তি’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এই সমাবেশের আয়োজন করে।

মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ‘বাংলাদেশের কোথাও কিন্তু মাদকের ফ্যাক্টরি নাই। এগুলো আসে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এবং মিয়ানমার থেকে। তারা পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশে মাদক ঢুকিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে মাদকের অবস্থা ভয়াবহ। কোনো কোনো এলাকায় আসক্তির হার ২৩ শতাংশ। আমরা যদি এখনই মাদকের লাগাম টেনে না ধরি, সচেতন না হই, তবে একসময় এই দেশ ভেঙে যাবে।’

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়ে তিনি পুলিশের নিহত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের মেয়ে ঐশীর উদাহরণ টানেন। টুকু বলেন, ‘ঐশী পুলিশ কর্মকর্তার মেয়ে হয়েও মাদকে আসক্ত হয়ে তার বাবা-মাকে মেরে ফেলেছিল। এই জায়গা থেকে আমাদের উত্তরণ ঘটাতে হবে। কোনোভাবেই মাদককে বাড়তে দেওয়া যাবে না।’

ঢাকা জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সামছুল আলম, কেরানীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল কুদ্দুস প্রমুখ। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন

প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে: জামায়াত আমির

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

সরকার দেশবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গিয়ে উল্টো পথে হাঁটছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্যে জামায়াত আমির এসব মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রবাসীদের শুধু ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; তাদের অধিকার নিশ্চিত করাও সরকারের দায়িত্ব। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার বন্ধ বা খর্ব করার কোনো উদ্যোগ মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা প্রবাসীদের প্রতি জুলুম হবে।

তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে চতুর্থবারের মতো অচলাবস্থা তৈরি না হয়, সে জন্য শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। বিরোধী দল ক্ষমতার নয়, জনগণের বিজয় চায়। সংসদ ও সংসদের বাইরে অন্যায় ও জনস্বার্থবিরোধী আইনের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলব আমরা।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের মুখ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।

ব্রেকিং নিউজ