খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্থানীয় নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না: গোলাম পরওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
স্থানীয় নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না: গোলাম পরওয়ার

নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেছেন, সরকারের নির্দেশনাতেই এটি পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসির অধীনে নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার বিরোধী দলগুলোকে নির্বাচন বর্জনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় দলীয়করণের অভিযোগ তুলে জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে সরকার নিজেদের দলের লোকদের বসিয়েছে।

তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন কঠিন। এ সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আটটি দাবি তুলে ধরেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, নির্বাচন বিলম্বিত করার কোনো অজুহাত গ্রহণ করা হবে না। সব প্রার্থীর জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ, নিরাপদ পরিবেশ এবং ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে বলেও দাবি জানান তিনি।

এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে জামায়াতে ইসলামী কয়েক দফা দাবি জানিয়েছিল। দলটির পক্ষ থেকে প্রশাসকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগসহ বিভিন্ন দাবি জানানো হয়।

লালমোহন উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ গ্রহণ

শফিকুর রহমান সবুজ, ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
লালমোহন উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ গ্রহণ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর লালমোহন উপজেলা শাখার মজলিসে আমেলা (২০২৭-২৮) সেশনের ২৫ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) লালমোহন কাশফুল চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় হাফেজ মাওলানা রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আল-আমিনের সঞ্চালনায় কমিটি অনুমোদন ও শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।

সভায় আগামী বছরের জন্য হাফেজ মাওলানা রাশেদুল ইসলামকে সভাপতি এবং মাওলানা আল-আমিনকে সেক্রেটারি করে ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মুফতি শফিকুর রহমান, মাওলানা আলী আজগর মাহমুদ ও মাওলানা জামাল উদ্দিন। মাওলানা ওমর ফারুককে জয়েন্ট সেক্রেটারি এবং মাওলানা মুছা কালিমুল্লাহকে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি করা হয়েছে।

এ ছাড়া মাওলানা ইমাম উদ্দীন শামীম সাংগঠনিক সম্পাদক, মো. তৈয়্যেবুর রহমান প্রচার সম্পাদক, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস দফতর সম্পাদক, মো. মনিরুল ইসলাম অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক, জিল্লুর রহমান প্রশিক্ষণ সম্পাদক এবং মো. শাহিন হাওলাদার দাওয়াহ ও জনশক্তি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

কমিটিতে মাওলানা তোফায়েল আহমাদ আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক, মিজানুর রহমান ছাত্রী ও মহিলা ইউনিট সম্পাদক, মাওলানা শিহাব উদ্দিন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, ফখরুদ্দিন শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবং মাওলানা কবির হোসেন নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

সদস্য হিসেবে রয়েছেন শফিক আর রহমান, মাওলানা সোহাইল, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল হান্নান, ওসমান নিজামি, নকীব মুন্সি ও জামাল উদ্দিন।

কমিটি গঠন ও শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের উপজেলা সভাপতি মাওলানা আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তজুমুদ্দিন উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সেক্রেটারি মাওলানা শোহাইবসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কুড়িগ্রামে ইউপি সদস্যকে স্বামী দাবি করে ‘দুই নারীর’ চুল টানাটানি-হাতাহাতি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ
কুড়িগ্রামে ইউপি সদস্যকে স্বামী দাবি করে ‘দুই নারীর’ চুল টানাটানি-হাতাহাতি

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এক স্বামীকে কেন্দ্র করে দুই নারীর মধ্যে প্রকাশ্যে চুল টানাটানি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে লালমনিরহাটের তিস্তা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জনসমক্ষে দুই নারীর এই হাতাহাতির দৃশ্য ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তি লিটন সরকার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং পশ্চিম দেবোত্তর মৌজার চায়না বাজার এলাকার মৃত ফজল কমান্ডারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্য লিটন সরকারকে নিজের স্বামী দাবি করাকে কেন্দ্র করেই দুই নারীর মধ্যে এ বিরোধের সূত্রপাত। দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করা নারীর ভাষ্য, প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে লিটন তাকে বিয়ে করেছেন এবং সেই তালাকনামা তার কাছে সংরক্ষিত আছে। অন্যদিকে প্রথম স্ত্রীর দাবি, তাকে তালাক দেওয়া হয়নি এবং লিটন দ্বিতীয় কোনো বিয়েও করেননি। সোমবার সকালে তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে এ নিয়ে দুই নারীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই নারী একে অন্যকে উদ্দেশ্য করে চেঁচামেচি করছিলেন এবং চুল ধরে টানাটানি ও ধস্তাধস্তি করছিলেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুজনকে শান্ত করেন।

খবর পেয়ে লালমনিরহাটের গোকুণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন মেম্বার ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই নারীকে উদ্ধার করে নিজের জিম্মায় নেন এবং পরে তাদের চায়না বাজারে নিয়ে আসেন। সেখানেও উৎসুক জনতা ভিড় জমান।

গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন বলেন, ‘তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে দুজন নারী মারামারি করছেন শুনে সেখানে যাই। পরে দুজনকেই চায়না বাজারে নিয়ে আসি। তারা দুজনই লিটনের বউ বলে দাবি করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের আমার জিম্মায় রাখা হয়।’

গোকুন্ডা ইউনিয়নের মিঠু মিয়া বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ডে দুইটা মেয়ে চুল ধরে মারামারি শুরু করেন। আমরা তাদের ঝগড়া থামিয়ে নিয়ে আসি।’

লিটনের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জানান, লিটনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তিনি জানতে পারেন, লিটন ঢাকায় নেই। পরে লিটন প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন কি না, তা যাচাই করতেই তিনি সেখানে আসেন বলে দাবি করেন। তার কাছে তালাকনামা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তার দাবি, ‘লিটন আমাকে বলেছিল, সে তার বউকে ডিভোর্স দিয়েছে। সেটি যাচাই করার জন্য এসেছি।’

তিনি আরও জানান, তার আগে একটি সংসার ছিল এবং সেটি ত্যাগ করে লিটনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তিনি নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ফাইনাল ও ইন্টার্নি করছেন বলেও পরিচয় দেন।

অন্যদিকে লিটন সরকার বিয়ে করার বিষয়টি স্বীকার করলেও তিস্তা বাসস্ট্যান্ড ও চায়না বাজারে দুই নারীর মারামারির বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য না দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এ ঘটনায় চায়না বাজারসহ রাজারহাটজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের কেউ ঘটনাটিকে পারিবারিক বিরোধ হিসেবে দেখছেন আবার কেউ বিষয়টির আইনগত ও সামাজিক দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

কাজের পরিধি বাড়াতে ইসলামী আন্দোলনের ১৩ উপকমিটি গঠন

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
কাজের পরিধি বাড়াতে ইসলামী আন্দোলনের ১৩ উপকমিটি গঠন

সাংগঠনিক কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত ও বহুমুখী করতে বিভিন্ন বিষয়ে ১৩টি উপকমিটি গঠন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এসব উপকমিটিতে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক কাজকে গুরুত্ব দেওয়ার অংশ হিসেবে এসব উপকমিটি গঠন করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

গঠিত ১৩টি উপকমিটি হলো—দাওয়াহ ও জনশক্তি, নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি, প্রবাসী কল্যাণ, শিল্প ও বাণিজ্য, আইন ও মানবাধিকার, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ, আন্তর্জাতিক, শৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ, ওলামা এবং মহিলা ইউনিট বিষয়ক উপকমিটি।

দাওয়াহ ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে কে. এম. আতিকুর রহমানকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মানসুর আহমদ সাকী, ড. শেখ ফজলে এলহী মামুন, ইউসুফ আহমদ মানসুর, মুফতি আবু বকর ও মুফতি মিজানুর রহমান।

নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক শাহ ইফতেখার তারিক। সদস্যরা হলেন—মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালি উল্লাহ (এমপি), মাওলানা শোয়াইব হোসেন, মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, মাওলানা বদরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট ফেরদৌস চৌধুরী ও মো. ইয়াসীন আলী।

প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক মাওলানা খলিলুর রহমান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. হাসমত আলী, অধ্যাপক আমজাদ হোসাইন, আলহাজ এমদাদুল ফেরদৌস, আলহাজ আনোয়ার খাঁন, মাওলানা ওবায়েদ বিন মোস্তফা, মাওলানা নুরুল বশর আজিজী ও অধ্যাপক আব্দুল করীম।

শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক আলহাজ কে. এম. বিল্লাল হোসেন। সদস্যরা হলেন—আলহাজ জহিরুল ইসলাম সিআইপি, আলহাজ আতিকুর রহমান নান্নু মন্সী, আলহাজ আনোয়ার হোসেন, আলহাজ জাকির হোসেন পাটোয়ারী, আলহাজ নিজাম উদ্দিন, আলহাজ মজিবর রহমান শামীম, হারুনুর রশীদ, সাইদুর রহমান জাবেদ, আলহাজ হারিসুল বারী রনি, মাওলানা ফজলুর রহমান, আখিনুর মিয়া ও নূরে আলম বিশ্বাস।

আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার। সদস্য—অ্যাডভোকেট মুহাম্মাদ আবদুল বাসেত, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ নাসের, অ্যাডভোকেট মো. হানিফ, অ্যাডভোকেট বায়েজিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট হাসিবুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট ইশতিয়াক।

ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম। সদস্য—আলহাজ আব্দুর রহমান, এম. এম. কামাল উদ্দিন, আলহাজ আনোয়ার হোসেন (দক্ষিণ), আলহাজ শেখ জয়নাল আবেদীন, আলহাজ শাহজাহান মিয়া, রশিদ আহমদ ফেরদৌস, মাওলানা সরোয়ার হোসেন, মাওলানা জিয়াউল হক ও মাওলানা লোকমান হোসেন।

আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেলাল নূর আজিজী। সদস্য—অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমদ সজল, সৈয়দ ড. মাবরুক বিল্লাহ, অধ্যাপক মোস্তফা কামাল, মো. রাজন শিকদার, মাজেদুল হক, খায়রুল আহসান মারজান, মাওলানা মোহাম্মদ আলী ও ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম।

শৃঙ্খলা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ ইসহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের। সদস্য—আলহাজ মো. আমিনুল ইসলাম, মাওলানা মো. নেছার উদ্দিন, অ্যাডভোকেট বরকতউল্লাহ লতিফ ও আল মোহাম্মদ ইকবাল।

শিক্ষা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ। সদস্য—অধ্যাপক (অব.) নাছির উদ্দিন খাঁন, মাওলানা এ. বি. এম. জাকারিয়া, ড. অধ্যাপক আব্দুল মুমিন, ড. অধ্যাপক আবু ইউসুফ ও খন্দকার মোহাম্মদ তানভীর।

স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফুল আলম। সদস্য—আলহাজ সেলিম মাহমুদ, ডা. মো. শহিদুল্লাহ, ডা. মোমতাজুল করীম ও ডা. আক্কাস আলী সরকার।

ওলামা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক মুফতি রেজাউল করীম আবরার। সদস্য—মুফতি হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী ও মুঈনুদ্দীন খান তানভীর।

মহিলা ইউনিট বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে শেখ আবু তাহেরকে। সদস্যরা হলেন—হাফেজ মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, মাওলানা হাফিজুল হক ফাইয়াজ, মুফতি মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস (ঢাকা বিভাগ), মুফতি আনোয়ার ইবরাহিমী (চট্টগ্রাম বিভাগ), মুফতি আরিফ বিল্লাহ (খুলনা বিভাগ), মাওলানা হুসাইন আহমাদ (রাজশাহী বিভাগ), মুফতি ওসমান গনী (বরিশাল বিভাগ), মুফতি শহিদুল ইসলাম পলাসী (সিলেট বিভাগ), মাওলানা সাইফুল ইসলাম (রংপুর বিভাগ), মাওলানা হাদিউল ইসলাম (মোমেনশাহী বিভাগ), মুফতি আব্দুর রহমান গিলমান (কুমিল্লা বিভাগ) ও মুহাম্মাদ নুর ইসলাম (ফরিদপুর বিভাগ)।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক এসব উপকমিটির মাধ্যমে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও গতিশীল করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে পরিকল্পিতভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

ব্রেকিং নিউজ