খুঁজুন
বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরিয়া বিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে: ফয়জুল করীম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
শরিয়া বিরোধী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে: ফয়জুল করীম

সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬ শরিয়াহবিরোধী আখ্যায়িত করে অবিলম্বে তা বাতিল করার দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম এই দাবি জানান। এ সময় এই আইনের প্রতিবাদ এবং তা বাতিলের দাবিতে আগামীকাল শুক্রবার সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ ও বিক্ষোভ করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, যে দেশের প্রায় সব মানুষ ধর্মপ্রাণ এবং অধিকাংশ মানুষ মুসলমান, সেই দেশের সরকার ধর্ম ও ইসলামবিরুদ্ধ কোনো আইন জাতীয় সংসদে পাস করতে পারে—এটা কল্পনা করাও কষ্টকর। বিশেষত এমন একটি সরকার, যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ সংগ্রাম ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তাক্ত পথ মাড়িয়ে ক্ষমতায় এসেছে।

তিনি বলেন, গত ৬ সেপ্টেম্বর সংসদে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের একটি সংশোধনী আনা হয়। ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ নামে আইনটি কণ্ঠভোটে পাস করা হয়। এই আইনে কোরআনে বর্ণিত ইসলামের অকাট্য একটি বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘এই ক্ষেত্রে আমাদের বক্তব্য খুবই স্পষ্ট। দেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলমান। তাদের ধর্মীয় বিধান পালনে সহায়তা করতে রাষ্ট্র বাধ্য। সংবিধানের ধারা-৪১ এ প্রত্যেক নাগরিককে ধর্ম পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা আছে। ফলে সরকার কখনোই এমন কোনো আইন করতে পারে না, যা নাগরিকের ধর্ম পালনে বাধা সৃষ্টি করে।’

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারও কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন করবে না বলে বারবার অঙ্গীকার করেছে। কিন্তু সরকারের ছয় মাস যেতে না যেতেই সরকার শরিয়াহবিরোধী আইন পাস করেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। একই সঙ্গে অবিলম্বে এই আইন বাতিলের দাবি জানাচ্ছে।

আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে ফয়জুল করীম বলেন, আইনমন্ত্রীকে কথাবার্তায় আরো মার্জিত হতে হবে। এই আইন নিয়ে তিনি যেভাবে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তা শোভনীয় নয়। তিনি ব্রিটিশ ও পশ্চিমা আইনে বিজ্ঞ হতে পারেন। কিন্তু শরিয়াহ আইন ও তার তৎপরতা নিয়ে তার চেয়ে উলামায়ে কেরামের প্রাজ্ঞতা বেশি। ফলে শরিয়াহসংক্রান্ত বিষয়ে উলামায়ে কেরামের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

মুফতি ফয়জুল করীম সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দেশে বহুবিধ সমস্যা রয়েছে। নিত্যদিনের সমস্যায় মানুষ জর্জরিত। বেকারত্ব বাড়ছে। দ্রব্যমূল্য লাগাম হারিয়েছে। সন্ত্রাসে তটস্থ হচ্ছে মানুষ। বিদ্যুতের সংকটে নাজেহাল জনতা। এমন বাস্তবভিত্তিক সমস্যার সমাধান না করে সরকার শরিয়াহবিরোধিতায় নেমে যাওয়া জাতির জন্য হতাশাজনক।

তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের সদিচ্ছার প্রতি সুধারণা রাখছি। সম্ভবত গভীরভাবে না ভেবেই আইনটি আনা হয়েছে। সেজন্য সরকারকে বলব, আইনটি নিয়ে অধিকতর পর্যালোচনা করুন। উলামায়ে কেরাম ও আইনবিদদের সঙ্গে পরামর্শ করুন। প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনুন। কিন্তু সমস্যা সমাধানের নামে কোনো অবস্থাতেই শরিয়াহ অমান্য করা যাবে না।’

সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কাজের পরিধি বাড়াতে ইসলামী আন্দোলনের ১৩ উপকমিটি গঠন

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
কাজের পরিধি বাড়াতে ইসলামী আন্দোলনের ১৩ উপকমিটি গঠন

সাংগঠনিক কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত ও বহুমুখী করতে বিভিন্ন বিষয়ে ১৩টি উপকমিটি গঠন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। এসব উপকমিটিতে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক কাজকে গুরুত্ব দেওয়ার অংশ হিসেবে এসব উপকমিটি গঠন করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

গঠিত ১৩টি উপকমিটি হলো—দাওয়াহ ও জনশক্তি, নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি, প্রবাসী কল্যাণ, শিল্প ও বাণিজ্য, আইন ও মানবাধিকার, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ, আন্তর্জাতিক, শৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ, ওলামা এবং মহিলা ইউনিট বিষয়ক উপকমিটি।

দাওয়াহ ও জনশক্তি বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে কে. এম. আতিকুর রহমানকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মানসুর আহমদ সাকী, ড. শেখ ফজলে এলহী মামুন, ইউসুফ আহমদ মানসুর, মুফতি আবু বকর ও মুফতি মিজানুর রহমান।

নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক শাহ ইফতেখার তারিক। সদস্যরা হলেন—মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালি উল্লাহ (এমপি), মাওলানা শোয়াইব হোসেন, মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, মাওলানা বদরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট ফেরদৌস চৌধুরী ও মো. ইয়াসীন আলী।

প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক মাওলানা খলিলুর রহমান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. হাসমত আলী, অধ্যাপক আমজাদ হোসাইন, আলহাজ এমদাদুল ফেরদৌস, আলহাজ আনোয়ার খাঁন, মাওলানা ওবায়েদ বিন মোস্তফা, মাওলানা নুরুল বশর আজিজী ও অধ্যাপক আব্দুল করীম।

শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক আলহাজ কে. এম. বিল্লাল হোসেন। সদস্যরা হলেন—আলহাজ জহিরুল ইসলাম সিআইপি, আলহাজ আতিকুর রহমান নান্নু মন্সী, আলহাজ আনোয়ার হোসেন, আলহাজ জাকির হোসেন পাটোয়ারী, আলহাজ নিজাম উদ্দিন, আলহাজ মজিবর রহমান শামীম, হারুনুর রশীদ, সাইদুর রহমান জাবেদ, আলহাজ হারিসুল বারী রনি, মাওলানা ফজলুর রহমান, আখিনুর মিয়া ও নূরে আলম বিশ্বাস।

আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার। সদস্য—অ্যাডভোকেট মুহাম্মাদ আবদুল বাসেত, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ নাসের, অ্যাডভোকেট মো. হানিফ, অ্যাডভোকেট বায়েজিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট হাসিবুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট ইশতিয়াক।

ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম। সদস্য—আলহাজ আব্দুর রহমান, এম. এম. কামাল উদ্দিন, আলহাজ আনোয়ার হোসেন (দক্ষিণ), আলহাজ শেখ জয়নাল আবেদীন, আলহাজ শাহজাহান মিয়া, রশিদ আহমদ ফেরদৌস, মাওলানা সরোয়ার হোসেন, মাওলানা জিয়াউল হক ও মাওলানা লোকমান হোসেন।

আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. বেলাল নূর আজিজী। সদস্য—অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমদ সজল, সৈয়দ ড. মাবরুক বিল্লাহ, অধ্যাপক মোস্তফা কামাল, মো. রাজন শিকদার, মাজেদুল হক, খায়রুল আহসান মারজান, মাওলানা মোহাম্মদ আলী ও ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম।

শৃঙ্খলা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক সৈয়দ ইসহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের। সদস্য—আলহাজ মো. আমিনুল ইসলাম, মাওলানা মো. নেছার উদ্দিন, অ্যাডভোকেট বরকতউল্লাহ লতিফ ও আল মোহাম্মদ ইকবাল।

শিক্ষা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ। সদস্য—অধ্যাপক (অব.) নাছির উদ্দিন খাঁন, মাওলানা এ. বি. এম. জাকারিয়া, ড. অধ্যাপক আব্দুল মুমিন, ড. অধ্যাপক আবু ইউসুফ ও খন্দকার মোহাম্মদ তানভীর।

স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফুল আলম। সদস্য—আলহাজ সেলিম মাহমুদ, ডা. মো. শহিদুল্লাহ, ডা. মোমতাজুল করীম ও ডা. আক্কাস আলী সরকার।

ওলামা বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক মুফতি রেজাউল করীম আবরার। সদস্য—মুফতি হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী ও মুঈনুদ্দীন খান তানভীর।

মহিলা ইউনিট বিষয়ক উপকমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে শেখ আবু তাহেরকে। সদস্যরা হলেন—হাফেজ মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, মাওলানা হাফিজুল হক ফাইয়াজ, মুফতি মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস (ঢাকা বিভাগ), মুফতি আনোয়ার ইবরাহিমী (চট্টগ্রাম বিভাগ), মুফতি আরিফ বিল্লাহ (খুলনা বিভাগ), মাওলানা হুসাইন আহমাদ (রাজশাহী বিভাগ), মুফতি ওসমান গনী (বরিশাল বিভাগ), মুফতি শহিদুল ইসলাম পলাসী (সিলেট বিভাগ), মাওলানা সাইফুল ইসলাম (রংপুর বিভাগ), মাওলানা হাদিউল ইসলাম (মোমেনশাহী বিভাগ), মুফতি আব্দুর রহমান গিলমান (কুমিল্লা বিভাগ) ও মুহাম্মাদ নুর ইসলাম (ফরিদপুর বিভাগ)।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক এসব উপকমিটির মাধ্যমে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও গতিশীল করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে পরিকল্পিতভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করেন। এর আগে সোমবার রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। গত ১৮ আগস্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

ওবায়দুল কাদের ছাড়াও এই মামলার অপর আসামি হলেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, , যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মামলায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে প্রসিকিউশন। একই সঙ্গে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশও চাওয়া হয়েছে।

প্রসিকিউশনের ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বৈঠকে মানুষ হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করা হয়। এ মামলায় দাখিল করা বিভিন্ন অডিও-ভিডিওতে এসবের প্রমাণ উঠে এসেছে বলেও দাবি করেছে প্রসিকিউশন।

এ ছাড়া আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলি করার নির্দেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দিয়েছিলেন বলে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। তাদের ভাষ্য, এর ফলশ্রুতিতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি চালিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়।

সাদিক কায়েমকে পাটওয়ারী বললেন, ‘আসুন প্রতিযোগিতা হোক’

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ
সাদিক কায়েমকে পাটওয়ারী বললেন, ‘আসুন প্রতিযোগিতা হোক’

দক্ষিণ সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, আসুন, ঢাকার জন্য প্রতিযোগিতা হোক, কে কতটা ভালো সেবা ও পরিবর্তন দিতে পারি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা লেখেন।

পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আবু সাদিক কায়েমকে আন্তরিক স্বাগত ও অভিনন্দন।

তিনি আরও লেখেন, গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতায় মতের ভিন্নতা থাকুক, তবে থাকুক সৌহার্দ্য, সৌজন্য ও ইতিবাচক প্রতিযোগিতা। আসুন, ঢাকার জন্য প্রতিযোগিতা হোক, কে কতটা ভালো সেবা ও পরিবর্তন দিতে পারি।

এর আগে, রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে উত্তর সিটিতে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও দক্ষিণ সিটিতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে এনসিপি।

ব্রেকিং নিউজ