খুঁজুন
শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ছাড়তে যাচ্ছে এনসিপি!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ছাড়তে যাচ্ছে এনসিপি!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত রাজনৈতিক জোটে হঠাৎ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি খেলাফত মজলিস ও খেলাফত আন্দোলন জোট ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর এবার জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)ও বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান পর্যালোচনা করছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, জোটে থেকে রাজনৈতিক সুবিধা-অসুবিধা, ভবিষ্যৎ কৌশল এবং সম্ভাব্য নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে এনসিপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে কওমি ধারার কয়েকটি ইসলামপন্থী দলের সঙ্গে সমন্বয়ের সম্ভাবনা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বিকল্প রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

দলীয় নেতাদের মতে, এনসিপির দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করা। তাদের ধারণা, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে থাকলে সেই পরিসর সীমিত হতে পারে। অন্যদিকে নতুন কোনো রাজনৈতিক জোট গড়ে উঠলে সেখানে আরও কার্যকর নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ইসলামপন্থী দলগুলোর ভোট একীভূত করার লক্ষ্য নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি দল ঐক্যবদ্ধ হয় । পরে এনসিপি, এবি পার্টি ও এলডিপি যুক্ত হলে এটি ১১দলীয় জোটে রূপ নেয়। তবে আসন সমঝোতাসহ কিছু বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে নির্বাচন শুরুর আগেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোট থেকে সরে যায়। নির্বাচন শেষে নেতৃত্ব, রাজনৈতিক কৌশল ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে শরিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব আরও বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ জুলাই খেলাফত মজলিস জোট ছাড়ার ঘোষণা দেয়। এর আগে ঘোষণা দিয়ে জোট ত্যাগ করে খেলাফত আন্দোলন বাংলাদেশ।

এনসিপির একাধিক সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে কওমি ঘরানার কয়েকটি ইসলামি দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তাদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়েছে। এসব বৈঠকে রাষ্ট্রীয় সংস্কার, বিচার প্রক্রিয়া, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমন্বয় নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে। সম্ভাব্য নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে এনসিপির ভূমিকা কী হতে পারে, সে বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।

দলের রাজনৈতিক পর্ষদের একজন সদস্য জানান, জুলাই মাসের কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর দলটির সর্বোচ্চ পর্যায়ে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে এনসিপি। ইতোমধ্যে দলটি পাঁচটি সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়েও সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই কার্যক্রম চলছে।

ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীবকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা, রাজশাহী ও সিলেটেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে দলীয় সূত্রের ভাষ্য, রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তন এলে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের প্রার্থী তালিকাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে আসিফ মাহমুদকে ঢাকা উত্তর এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ঢাকা দক্ষিণে মনোনয়নের বিষয়েও আলোচনা রয়েছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী সোমবার, অর্থাৎ ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে যাচ্ছেন। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্র সফরটি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ফলে ২৪ সেপ্টেম্বর বক্তৃতা দেওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। নিউইয়র্ক থেকে তার সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।

সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, নিউইয়র্কে সংক্ষিপ্ত সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের তালিকাও ছোট। অতীতের সরকারগুলোর তুলনায় ছোট প্রতিনিধিদল নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সংক্ষিপ্ত সফরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কৃচ্ছ্রসাধনের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিউইয়র্কে অবস্থানের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠক, বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে পৃথকভাবে আলোচনা করবেন।

জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকের মধ্যে রয়েছে উন্নয়ন, মহামারি প্রতিরোধ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ। এ ছাড়া বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সমস্যাসহ একাধিক আলোচনার আয়োজন করছে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে।

নিউইয়র্ক থেকে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্ভাব্য যেসব দেশের নেতাদের বৈঠক হতে পারে, সে তালিকায় রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেঙ্কোভিচ ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সল বিন ফারহান আল সৌদ।

এর পাশাপাশি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, বিশ্বব‍্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে। সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে বিভেদ সৃষ্টি করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫২ অপরাহ্ণ
ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে বিভেদ সৃষ্টি করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ধর্ম মানুষের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার জায়গা। ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে বিভেদ বা রক্তপাত সৃষ্টি করা উচিত নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের দেশ। তাই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহাবস্থান বজায় রেখে একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা আইনজীবী সমিতির অডিটোরিয়ামে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ধর্ম তার বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার জায়গা এবং ইহকাল ও পরকালের বিষয়। ধর্মকে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিয়ে এসে মানুষের রক্তপাত ঘটানো উচিত নয়। সাম্প্রদায়িকতাকে কেন্দ্র করে কোনো রাজনীতি বা ধর্মকে নিয়ে কোনো ধরনের ব্যবসা করা উচিত নয়।

যুবসমাজকে ধ্বংস করতে প্রতিবেশী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে: সালাউদ্দিন টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
যুবসমাজকে ধ্বংস করতে প্রতিবেশী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢোকানো হচ্ছে: সালাউদ্দিন টুকু

প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশে মাদক ঢোকানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজ যেন ভবিষ্যতে ঘুরে দাঁড়াতে না পারে, সে জন্যই এই ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নে একটি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ডেঙ্গু ও মাদকবিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাদক নয়, শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীলতাই হোক তারুণ্যের শক্তি’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এই সমাবেশের আয়োজন করে।

মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, ‘বাংলাদেশের কোথাও কিন্তু মাদকের ফ্যাক্টরি নাই। এগুলো আসে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এবং মিয়ানমার থেকে। তারা পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশে মাদক ঢুকিয়ে দিচ্ছে। বর্তমানে মাদকের অবস্থা ভয়াবহ। কোনো কোনো এলাকায় আসক্তির হার ২৩ শতাংশ। আমরা যদি এখনই মাদকের লাগাম টেনে না ধরি, সচেতন না হই, তবে একসময় এই দেশ ভেঙে যাবে।’

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়ে তিনি পুলিশের নিহত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের মেয়ে ঐশীর উদাহরণ টানেন। টুকু বলেন, ‘ঐশী পুলিশ কর্মকর্তার মেয়ে হয়েও মাদকে আসক্ত হয়ে তার বাবা-মাকে মেরে ফেলেছিল। এই জায়গা থেকে আমাদের উত্তরণ ঘটাতে হবে। কোনোভাবেই মাদককে বাড়তে দেওয়া যাবে না।’

ঢাকা জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম এবং ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সামছুল আলম, কেরানীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল কুদ্দুস প্রমুখ। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

ব্রেকিং নিউজ