খুঁজুন
শনিবার, ১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

দেশজামানা ডেস্ক:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ২:২২ অপরাহ্ণ
সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি (থ্রিডি বা অন্য কোনো আঙ্গিকে) ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করে পরিপত্র জারি করেছে সরকার।

রোববার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্রটি জারি করা হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, এখন থেকে সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড প্রস্তুতের ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের মূল বিষয়বস্তুকে প্রাধান্য দিয়ে প্রাসঙ্গিক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে পরিপত্রে এই আদেশ অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত এই পরিপত্রটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

বর্তমান সংসদ ‘মজলুমের সংসদ’ : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
বর্তমান সংসদ ‘মজলুমের সংসদ’ : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমের সংসদ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, অধিকাংশ সংসদ সদস্য অতীতে গুম, নির্যাতন, কারাবাস, নির্বাসন কিংবা অন্যান্য কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এসেছেন। তার দাবি, ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের প্রায় ৯৯ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে এসব ঘটনার শিকার হয়েছেন, যা বিশ্বের ইতিহাসেও বিরল।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু এখন জাতীয় সংসদ। জনগণ চান, সংসদে যুক্তিনির্ভর আলোচনা, গঠনমূলক সমালোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক, যা দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের প্রতিটি কার্যক্রম এখন সাধারণ মানুষও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তাই সংসদ সদস্যদের বক্তব্য, আচরণ ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।

সংসদ পরিচালনায় নিরপেক্ষতা ও ন্যায়পরায়ণতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে কায়সার কামাল বলেন, দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত তিনি নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করবেন।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার ও বিরোধী দল—উভয় পক্ষেরই দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। তার মতে, জাতীয় সংসদই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল কেন্দ্র হওয়া উচিত, যেখানে সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত তুলে ধরবে এবং গঠনমূলক বিতর্কের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ করবে।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়েও নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার। তিনি স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক পরিবর্তন, সামরিক শাসন, সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ, বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানসহ নানা বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আগামী ৫ আগস্ট রাজধানীর পল্টন মোড়ে সমাবেশ ও গণমিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করবে। সমাবেশ শেষে গণমিছিলে নেতৃত্ব দেবেন দলের কেন্দ্রীয় আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের থানা নেতৃবৃন্দের যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজনৈতিক নেতৃত্ব হিসেবে একমাত্র পীর সাহেব চরমোনাই সরাসরি মাঠে ছিলেন।

তিনি বলেন, ওই আন্দোলনে পীর সাহেব চরমোনাই তার দলের অস্তিত্বকে বাজি রেখেছিলেন। আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাইয়ের অবিনশ্বর শক্তির পুনঃপ্রদর্শন’ করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাইয়ের প্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়নের দাবিতে সেদিন ঢাকার রাজপথ জনতার স্লোগানে মুখরিত হবে।

যৌথসভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ আগস্ট (বুধবার) সকাল ১১টায় রাজধানীর পল্টন মোড়ে সমাবেশ শুরু হবে। জোহরের নামাজের আগে সমাবেশ শেষে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম নেতৃত্ব দেবেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি মাওলানা কে এম শরীয়াতুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নগর দক্ষিণের সহসভাপতি জি এম রুহুল আমীন, আলহাজ আনোয়ার হোসেন, এম এইচ মোস্তাফা, আলহাজ আব্দুল আউয়ালসহ মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

মিরপুর মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, তল্লাশিতে মিলল পান-সুপারির কৌটা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
মিরপুর মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, তল্লাশিতে মিলল পান-সুপারির কৌটা

রাজধানীর মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের বি গেট সংলগ্ন এলাকায় একটি ব্যাগে মোড়ানো ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু উদ্ধারকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম ডিসপোজাল টিম গিয়ে তল্লাশি চালায়। পরে ব্যাগ থেকে পান, সুপারি ও জর্দার কৌটা উদ্ধার করা হয়। কোনো বোমা বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানায়, শনিবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে মিরপুর মডেল থানাধীন মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনের বি গেটের পাশে এমআরটি পুলিশ একটি ব্যাগে মোড়ানো ককটেল বোমা সদৃশ বস্তু দেখা যায়। বিষয়টি জানানো হলে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিটিটিসির বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেয়।

পরে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যাগটি পরীক্ষা করে। তল্লাশিতে ব্যাগের ভেতর থেকে পান, সুপারি ও জর্দার কৌটা উদ্ধার করা হয়। কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বোমা পাওয়া যায়নি।

মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার বলেন, বোমা সদৃশ ব্যাগ থেকে পান, সুপারি ও জর্দার কৌটা পাওয়া গেছে। এখান থেকে কোনো বোমা বা বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য উদ্ধার হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ, এনএসআইসহ অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেন। বস্তুটির প্রকৃতি নিশ্চিত হওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক বিরাজ করে।

ব্রেকিং নিউজ