খুঁজুন
শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি ভোট পেয়েছেন ২৫৫টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের (জোটের) প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮টি ভোট।

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টার পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকাল ৫টায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। তারমধ্যে ভোট দেননি ছয়জন সংসদ সদস্য।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে দলীয় সংসদ সদস্য না হওয়ায় স্বতন্ত্র সদস্যরা দুই প্রার্থীর যেকোনো একজনকে ভোট দিতে পারবেন।

নির্বাচনে প্রথমে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম), এরপর ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ভোট দেওয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এরপর ভোট দেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করেন নির্বাচনী কর্তা সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রপতির পদটি শূন্য হয়। এরপর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। এবার ভোটের মাধ্যমে সেই পদে স্থায়ীভাবে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের মালিক গ্রেফতারে লাগবে আদালতের অনুমতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের মালিক গ্রেফতারে লাগবে আদালতের অনুমতি

সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক, সংবাদ ও গণমাধ্যমের মালিক কিংবা কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আগে সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারভুক্ত আদালতের পূর্বানুমতি নেয়ার বিধান যুক্ত হতে যাচ্ছে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এ। স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সংবাদমাধ্যমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনটির খসড়া পর্যালোচনায় গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এনিয়ে নীতিগত ঐকমত্য হয়েছে।

বুধবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সুনির্দিষ্ট মতামত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই আইনের খসড়ায় পরিমার্জন করা হচ্ছে, যেন কোনোভাবেই নতুন এই আইনটি স্বাধীন সাংবাদিকতা কিংবা গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর কোনো হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত না হয়।

প্রস্তাবিত সংশোধনীতে বলা হয়েছে, সংবাদের কারণে সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের অনুমতির বাধ্যবাধকতার পাশাপাশি যেকোনো ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। এ ছাড়া মানহানি, হেয় প্রতিপন্ন করা এবং সাইবার বুলিংয়ের বিষয়গুলোকে আলাদা করে চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিশেষ করে মানহানির সংজ্ঞা ও শাস্তির ক্ষেত্রে দেশের মূল দণ্ডবিধির (পেনাল কোড) সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় গুজব ও অপতথ্যের (মিসইনফরমেশন) সংজ্ঞাকেও আরও স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে আইনের অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে কাউকে হয়রানি করা না যায়।

নতুন খসড়ায় কোনো প্রকার মোবাইল কোর্টের বিধান না রাখা, কোনো ডিজিটাল কনটেন্ট ব্লক বা অপসারণের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে লিখিত কারণ দর্শানো এবং তা অবমুক্তির আবেদন নিষ্পত্তির সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

এমনকি যে কোনো মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে লিখিত নোটিশ দিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিশ্চিত করার প্রস্তাব আনা হয়েছে।

সভায় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের নতুন সদস্যকাঠামোতে গণমাধ্যমের প্রতিনিধি রাখা এবং মেটা, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই পরিমার্জিত খসড়াটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে, যাতে সাধারণ নাগরিক ও সকল অংশীজন নিজেদের মতামত দিতে পারেন।

সভায় উপস্থিত প্রতিনিধিরা জোর দিয়ে বলেন, সাইবার অপরাধ ও হুমকি প্রতিহত করার পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মুক্ত গণমাধ্যমের ভারসাম্যের ওপর ভিত্তি করেই একটি সময়োপযোগী সাইবার সুরক্ষা আইন তৈরি করা হবে। জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির বিশেষ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় আইসিটি বিভাগের সচিব মামুনুর রশীদ ভূঞা ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামানসহ সরকারের নীতি নির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ১ ডিসেম্বর

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। এ পরীক্ষায় অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ করতে হবে ৫ থেকে ৯ নভেম্বরের মধ্যে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নিয়মিত অথবা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ পাঠ্যসূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা হবে ২০২৫ সালের পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচি অনুসারে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য শিক্ষার্থীদের সম্ভাব্য তালিকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে (www.dhakaeducationboard.gov.bd) প্রকাশ করা হবে। ওই তালিকা থেকে ৫ নভেম্বর থেকে ৯ নভেম্বরের মধ্যে ফরম পূরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

পরীক্ষার ফি সোনালী সেবার মাধ্যমে জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১০ নভেম্বর। এ ক্ষেত্রে সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিবের অনুকূলে অর্থ জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ওই রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার জন্য প্রতি পত্র বা বিষয়ে ১২৫ টাকা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য প্রতি পত্র বা বিষয়ে ২৫ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্র ফি বাবদ দিতে হবে ৪৫০ টাকা।

সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

ফতুল্লায় শ্রমিকদের আন্দোলন: পুলিশের মামলায় আসামি ২১, অজ্ঞাত ১৫০০

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৩ অপরাহ্ণ
ফতুল্লায় শ্রমিকদের আন্দোলন: পুলিশের মামলায় আসামি ২১, অজ্ঞাত ১৫০০

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এতে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে এক হাজার থেকে দেড় হাজার জনকে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোররাতে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়কে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন ফকির বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সরকার উৎখাত এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা বেতন বৃদ্ধির দাবিকে কেন্দ্র করে পোশাকশ্রমিকদের উসকানি দিয়ে সংগঠিত করেন। মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে কয়েকটি কারখানার এক থেকে দেড় হাজার শ্রমিককে নিয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধ করা হয়। এ সময় সড়কে আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশের দাবি, আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একাধিকবার চেষ্টা করেন। তবে বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিক ও তাঁদের উসকানিদাতারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৮৩ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ফতুল্লার লামাপাড়ার মফিজুল ইসলামের ছেলে শামীম হাসান (২৮), কোতালেরবাগ বউবাজার এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে মো. মামুন (২৬), ফতুল্লা রেলস্টেশন এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে ওমর ফারুক (৩৮), রামারবাগ এলাকার ইমান তৌফিকের ছেলে ইমান ইমন (২৬), কোতালেরবাগ এলাকার প্রয়াত লিয়াকত হোসেনের ছেলে শাহিন আহম্মেদ এবং কায়েমপুর এলাকার আক্তারুজ্জামানের ছেলে আতিকুর রহমান (২৫)।

গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মাহবুব আলম। আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ জানান, রিমান্ড শুনানির জন্য আগামী ৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নারায়ণগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোস্তফা কামাল (৪৮), সদস্য মজিবর রহমান (৪৬), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি টিপু সুলতান (৪০), যুবলীগ নেতা আজমত আলী (৪৫), মোফাজ্জল হোসেন চুন্নু (৪৫) ও রাকিব হোসেন (২৮)।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেলে পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়ক অবরোধের সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

ব্রেকিং নিউজ