আমার সবচেয়ে ডেডিকেটেড কর্মী সে’-ভিপি নূরের সেই বক্তব্যে ইব্রাহিম এখন স্থানীয় নির্বাচনের আলোচনায়
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা রাজনীতিতে বইছে নতুন হাওয়া। হাটে-মাঠে-ঘাটে ও রাজনৈতিক আড্ডায় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতৃত্বের একটি মূল্যায়নের কথা।
ইব্রাহিম মোল্লার রাজপথের সক্রিয়তা ও ত্যাগের প্রশংসা করে ভিপি নুর বলেছিলেন, আমাদের সবচাইতে ডেডিকেটেড কর্মী সে।
গত বছর মুকসুদপুরের কলেজ মোড় চত্বরে আয়োজিত পথসভায় দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর (ভিপি নুর) স্থানীয় তরুণ নেতা ইব্রাহিম মোল্লাকে নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, নির্বাচনী সমীকরণ ঘিরে তা এখন ব্যাপক গুরুত্ব পাচ্ছে।
তৎকালীন ওই পথসভায় ইব্রাহিম মোল্লার রাজপথের সক্রিয়তা ও ত্যাগের প্রশংসা করে ভিপি নুর বলেছিলেন, “আমাদের সবচাইতে ডেডিকেটেড কর্মী সে। যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকার সব প্রোগ্রামে সে উপস্থিত থাকে। সে এক-দুই দিনে বা হঠাৎ করে নেতা হয়ে যায়নি; একটি পলিটিক্যাল প্রসেসের মধ্য দিয়ে আজ এই জায়গায় এসেছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইব্রাহিম মোল্লার রাজনীতিতে পথচলা সম্পূর্ণ তৃণমূলের সাংগঠনিক ভিত্তি থেকে। মুকসুদপুর উপজেলায় স্থানীয় রাজনীতির দায়িত্ব পালন ছাড়াও তিনি বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পরবর্তীতে রাজপথের লড়াই-সংগ্রামের মূল্যায়নে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মীয় সম্প্রীতি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়।
বয়সে তরুণ হলেও তার মেধা, রাজনৈতিক বিচক্ষণতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে আগামী মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত প্রার্থী করা হতে পারে বলে জোরালো গুঞ্জন চলছে।
জানা যাচ্ছে, হাইকমান্ড ও নুর নিজেও তরুণ এই মেধাবী নেতৃত্বকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে আগ্রহী। যদিও দল কিংবা ইব্রাহিম মোল্লার পক্ষ থেকে এখনও চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবুও সাধারণ ভোটার ও সমর্থকদের মধ্যে তাকে ঘিরে তীব্র কৌতূহল ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন