খুঁজুন
রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্তমান সংসদ ‘মজলুমের সংসদ’ : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
বর্তমান সংসদ ‘মজলুমের সংসদ’ : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমের সংসদ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, অধিকাংশ সংসদ সদস্য অতীতে গুম, নির্যাতন, কারাবাস, নির্বাসন কিংবা অন্যান্য কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এসেছেন। তার দাবি, ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের প্রায় ৯৯ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে এসব ঘটনার শিকার হয়েছেন, যা বিশ্বের ইতিহাসেও বিরল।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু এখন জাতীয় সংসদ। জনগণ চান, সংসদে যুক্তিনির্ভর আলোচনা, গঠনমূলক সমালোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক, যা দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের প্রতিটি কার্যক্রম এখন সাধারণ মানুষও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তাই সংসদ সদস্যদের বক্তব্য, আচরণ ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।

সংসদ পরিচালনায় নিরপেক্ষতা ও ন্যায়পরায়ণতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে কায়সার কামাল বলেন, দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত তিনি নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করবেন।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার ও বিরোধী দল—উভয় পক্ষেরই দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। তার মতে, জাতীয় সংসদই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল কেন্দ্র হওয়া উচিত, যেখানে সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত তুলে ধরবে এবং গঠনমূলক বিতর্কের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ করবে।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়েও নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার। তিনি স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক পরিবর্তন, সামরিক শাসন, সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ, বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানসহ নানা বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।

কুড়িগ্রামে ইসলামী যুব আন্দোলনের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি শহিদুল, সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ
কুড়িগ্রামে ইসলামী যুব আন্দোলনের নতুন কমিটি ঘোষণা: সভাপতি শহিদুল, সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস

ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে ২০২৭-২৮ সেশনের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে হাফেজ মাওলানা শহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হিসেবে হাফেজ মাওলানা আব্দুল বারী এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হাফেজ মাওলানা ইদ্রিস হুসাইন নির্বাচিত হয়েছেন।

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার দলীয় কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ নূর বখত মিঞা, আব্দুল কাদের, শরিফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি সাইফ মুহাম্মদ শাহ আলম।

সম্মেলনে বক্তারা ইসলামী যুব আন্দোলনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, যুবসমাজকে নৈতিকতা, আদর্শ ও ইসলামী মূল্যবোধে গড়ে তুলতে সংগঠনের দায়িত্বশীলদের আরও আন্তরিক ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দাওয়াতি কার্যক্রম জোরদার এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে যুবকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি আ ন ম আশিকুর রহমান। এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে ২০২৭-২৮ সেশনের জন্য নতুন কমিটির দায়িত্বশীলদের নাম ঘোষণা করা হয়। এতে হাফেজ মাওলানা শহিদুল ইসলামকে সভাপতি, হাফেজ মাওলানা আব্দুল বারীকে সহ-সভাপতি এবং হাফেজ মাওলানা ইদ্রিস হুসাইনকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

জিওপির ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় ফরিদপুর বিভাগের পাঁচ জেলার নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
জিওপির ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় ফরিদপুর বিভাগের পাঁচ জেলার নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ

গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশে অংশ নিয়েছেন ফরিদপুর বিভাগের পাঁচ জেলার নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুর বিভাগীয় উপ-কমিটির দায়িত্বশীল আরিফুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ফিরোজ মুন্সী ও মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে পুরানা পল্টনের আল-রাজী কমপ্লেক্সের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আয়োজিত গণঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে যোগ দেন ফরিদপুর বিভাগের নেতাকর্মীরা। এ সময় দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন উপস্থিত নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান।

শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা দলীয় বিভিন্ন স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে তোলেন। তাঁদের স্লোগানের মধ্যে ছিল—‘তোমার আমার পরিষদ, গণঅধিকার পরিষদ’, ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, গণঅধিকার পরিষদ’, ‘জনতার অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার’ এবং ‘ফরিদপুর বিভাগের মাটি, ভিপি নুরের ঘাঁটি’।

কর্মসূচিতে ফরিদপুর বিভাগ গণঅধিকার পরিষদের আওতাধীন গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী ও ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

নাহিদ ইসলাম

ডিসেম্বরে কোনো আপার এই দেশে আসার সুযোগ নেই; এলে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত আছে

নোয়াখালী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ণ
ডিসেম্বরে কোনো আপার এই দেশে আসার সুযোগ নেই; এলে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত আছে

ডিসেম্বরে কোনো আপার এই দেশে আসার আর কোনো সুযোগ নেই; যদি আসেন, তবে তার জন্য ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

শনিবার (৭ নভেম্বর) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ কর্তৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা এখনও ঘুমিয়ে পড়েনি, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও ঘুমিয়ে পড়েনি—আপনাদেরকে সেটার প্রমাণ দিতে হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা শুধু ‘নোয়াখালী বিভাগ চাই’ বলে আন্দোলন করবেন না। আপনারা পুরো দেশ নিয়ে ভাববেন, পুরো বিশ্ব নিয়ে ভাববেন। এর নামই বিশ্ববিদ্যালয়।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ৭ই নভেম্বরকে আমরা ধারণ করি। ৭ই নভেম্বর বিপ্লব, কিন্তু জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কি বিপ্লব নয়? বর্তমান সরকার যা তাদের পক্ষে যায়, সেটাকে বিপ্লব বলে; আর যা তাদের পক্ষে যায় না বা যেটিতে তাদের নেতৃত্ব ছিল না, সেটাকে তারা বিপ্লব না বলে কেবল আন্দোলন বা গণ-অভ্যুত্থান হিসেবে আখ্যা দেয়।

ব্রেকিং নিউজ