খুঁজুন
রবিবার, ২রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক, তাকে আগে জেলে যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক, তাকে আগে জেলে যেতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গণঅভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক তাকে আগে কারাগারে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওয়ায়েদ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা ভারত বা বাংলাদেশে যেখানেই আত্মসমর্পণ করুক, তাকে আগে জেলে যেতে হবে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বক্তব্য সরকারের আমলে নেওয়ার কিছু নেই। বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইনি প্রক্রিয়া কী হবে- জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী আত্মসমর্পণ করতে হবে। ওনাকে জেলে যেতে হবে।

সেক্ষেত্রে আইন আইনের গতিতে চলবে। আসামি যদি আত্মসমর্পণ না করে রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়, তাহলে আমি মনে করি, এসব উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে তার দলের পালিয়ে থাকা নেতাকর্মীদের জাগ্রত করার চেষ্টা করছে। এ ছাড়া তো আমি আর কোনো কারণ দেখি না।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যে কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের যে প্রক্রিয়া আছে কূটনীতিতে সেটা চলছে এবং যে কোনো আসামি যদি আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশের বিদ্যমান আইনের আওতায় যা প্রয়োজন সেটাই হবে।

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, উনি কী ভারতের নাগরিক? তাহলে ওখানে থানায় কী করবে না করবে এটা ওনার ব্যাপার, সেটাতো আমার ব্যাপার না। একটা আসামি কোথায় আত্মসমর্পণ করবেন এটা একেবারে ওনার ব্যাপার এবং এখানে সরকারের কোনো বিষয় না। উনি বিদেশে বাংলাদেশের মিশনে আত্মসমর্পণ করুক বা বাংলাদেশে এসে আত্মসমর্পণ করুক, প্রক্রিয়া একই ওনাকে জেলে যেতে হবে, ওনার যে সাজা তার মুখোমুখি হতে হবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন আসামি কী বক্তব্য দেয়, সেটা বাংলাদেশ সরকারের আমলে নেওয়ার কথা না এবং নেবে না। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজনের সাজা হয়েছে, ইতোমধ্যে তিনি সাজাপ্রাপ্ত। আমাদের যে প্রক্রিয়া সেটা আগে থেকে চলমান আছে। এটা নতুন করে আর নতুন প্রক্রিয়ায় চলার কোনো অবস্থা নেই।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শেখ হাসিনার ভারতে বসে দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হতো। বর্তমান সরকার এ বিষয়ে ভারতকে বলবে কিনা- এমন প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, সবকিছু বিবৃতি দিয়ে আপনাদের বলার কিছু নেই। ভারতের সঙ্গে আমাদের যে চলমান কথাবার্তা হয়, আলাপ হয়, বিনিময় হয়, তখন এ বিষয় আলোচনায় থাকে। একজন আসামি যদি দেশের বাইরে থাকে সে আত্মসমর্পণ করুক বা না করুক তার জন্য বিচার একই হবে। আমাদের যে প্রক্রিয়া সরকার থেকে চলছে সেটা চলমান আছে।

শেখ জাহিদ হাসান

তৃণমূল থেকে উঠে আসা ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা বিএনপির দায়িত্ব ও কর্তব্য

শেখ জাহিদ হাসান
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
তৃণমূল থেকে উঠে আসা ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা বিএনপির দায়িত্ব ও কর্তব্য

রাজনীতিতে নেতৃত্বের প্রকৃত ভিত্তি গড়ে ওঠে তৃণমূলের কর্মীদের ত্যাগ, সংগ্রাম ও নিষ্ঠার ওপর। একটি রাজনৈতিক দলের দুঃসময়ে যারা মামলা-হামলা, জেল-জুলুম, নির্যাতন ও নানামুখী প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের পাশে অবিচল থাকেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা শুধু রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়, বরং সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখার অন্যতম পূর্বশর্ত।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আলমগীর কবিরকে এ ধরনের তৃণমূলমুখী নেতৃত্বের একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় নেতাকর্মীদের সহায়তায় নানামুখী ভূমিকা পালন করেছেন। জেল-জুলুমের শিকার নেতাকর্মীদের নিয়মিত আর্থিক সহযোগিতা, দলের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য ভ্যান, রিকশা ও অটোরিকশা প্রদান, রাস্তা মেরামত, সেতু ও বাঁশের সাঁকো নির্মাণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ তাঁর কর্মকাণ্ডের অংশ। পাশাপাশি স্কুল, মসজিদ, মাদরাসা, মন্দিরসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগও তিনি গ্রহণ করেছেন।

অনেকে বলতে পারেন, তিনি সরাসরি ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নেননি। তবে এটিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন যে, রাজনীতিতে অবদান কেবল রাজপথে উপস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিতে না পারলেও, তাঁর সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে বহু নেতাকর্মী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন এটাও আপনার মানতে হবে।

আমার দেখা বিএনপি’র দূর্দিনে অন্তত ফরিদপুর কিংবা বৃহত্তর দক্ষিণবঙ্গ অঞ্চলে দল ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে এ ধরনের ধারাবাহিক সামাজিক ভূমিকা খুব কম নেতার মধ্যেই দেখা গেছে। তাই যারা দুঃসময়ে দলের জন্য অবদান রেখেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা বিএনপির সাংগঠনিক স্বার্থেও গুরুত্বপূর্ণ।

আলমগীর কবিরের মতো মানবিক ও জনমুখী নেতৃত্ব যদি যথাযথ মূল্যায়ন না পান, তাহলে ভবিষ্যতে সংকটকালে দলের জন্য এগিয়ে আসার আগ্রহ অন্যদের মধ্যেও কমে যেতে পারে। একটি রাজনৈতিক দলের জন্য এটি ইতিবাচক বার্তা বহন করবে না।

আমি রাজনৈতিকভাবে ভিন্নমতের হলেও, যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলের একজন হিসেবে মনে করি, বিগত সরকার আমলে যারা শুধু বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণেই জেল-জুলুম, নির্যাতন ও বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির শিকার হয়েছেন, তাদের অবদান ও ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করা বিএনপির দায়িত্ব ও কর্তব্য।

একই সঙ্গে দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনে বংশ, আত্মীয়তা কিংবা ব্যক্তিগত আনুগত্যের পরিবর্তে ত্যাগ, যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ততাকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। কেবল নেতার সন্তান বা আত্মীয়স্বজনকে কেন্দ্র করে কমিটি গঠন করলে তৃণমূলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়।

সুসময়ে প্রশংসাকারীর অভাব হয় না। কিন্তু দুঃসময়ে দলের পক্ষে রাজপথে থাকা, সভা-সেমিনার আয়োজন করা, জনমত গঠন করা, সংবাদপত্রে লেখা, কিংবা গণমাধ্যমে দলের অবস্থান তুলে ধরার মতো মানুষের সংখ্যাই কমে যায়। তাই সংকটকালে যাদের ভূমিকা বাস্তব ও কার্যকর ছিল, তাদের মূল্যায়নের সংস্কৃতি গড়ে তোলাই একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক দলের লক্ষণ।

  • লেখক: সাবেক সহ-অর্থ সম্পাদক, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), ফরিদপুর জেলা

ঢাকাসহ‌ সারাদেশে পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ঢাকাসহ‌ সারাদেশে পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে পুলিশের ব্যবহৃত যানবাহনকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।

শনিবার (১ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন্স কন্ট্রোল থেকে পাঠানো এক জরুরি বার্তায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য বা দুষ্কৃতকারীরা পুলিশের জিপ, পিকআপ, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের ওপর হামলা চালাতে পারে, গোয়েন্দা সংস্থার এমন তথ্যের ভিত্তিতে মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটকে তাৎক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুলিশের যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের শিথিলতা বা অবহেলার সুযোগ নেই। বিশেষ করে ডিউটির সময় এবং ডিউটি শেষে পার্কিং করা যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

এতে বলা হয়, ডিউটিরত কোনো যানবাহন সাময়িকভাবে থামানোর প্রয়োজন হলে সেটি অবশ্যই নিরাপদ স্থানে পার্ক করতে হবে এবং পুলিশের সদস্যদের সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় রাখতে হবে। কোনো অবস্থাতেই চালক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য ছাড়া যানবাহন ফেলে রাখা যাবে না। অর্থাৎ আনঅ্যাটেন্ডেড (Unattended) অবস্থায় কোনো পুলিশি যানবাহন রাখার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিউটি শেষে থানা, পুলিশ লাইন্স, অফিস কম্পাউন্ড কিংবা অন্যান্য নির্ধারিত স্থানে রাখা সব সরকারি যানবাহনের নিরাপত্তাও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব স্থানে নিয়মিত টহল, প্রয়োজনীয় নজরদারি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু শনাক্তে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতর বার্তায় বিষয়টিকে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে উল্লেখ করে দেশের সব মহানগর, রেঞ্জ, জেলা ও ইউনিটের কর্মকর্তাদের নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

বর্তমান সংসদ ‘মজলুমের সংসদ’ : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
বর্তমান সংসদ ‘মজলুমের সংসদ’ : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমের সংসদ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, অধিকাংশ সংসদ সদস্য অতীতে গুম, নির্যাতন, কারাবাস, নির্বাসন কিংবা অন্যান্য কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এসেছেন। তার দাবি, ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের প্রায় ৯৯ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে এসব ঘটনার শিকার হয়েছেন, যা বিশ্বের ইতিহাসেও বিরল।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু এখন জাতীয় সংসদ। জনগণ চান, সংসদে যুক্তিনির্ভর আলোচনা, গঠনমূলক সমালোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক, যা দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের প্রতিটি কার্যক্রম এখন সাধারণ মানুষও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তাই সংসদ সদস্যদের বক্তব্য, আচরণ ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।

সংসদ পরিচালনায় নিরপেক্ষতা ও ন্যায়পরায়ণতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে কায়সার কামাল বলেন, দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত তিনি নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করবেন।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার ও বিরোধী দল—উভয় পক্ষেরই দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। তার মতে, জাতীয় সংসদই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল কেন্দ্র হওয়া উচিত, যেখানে সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত তুলে ধরবে এবং গঠনমূলক বিতর্কের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ করবে।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়েও নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার। তিনি স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক পরিবর্তন, সামরিক শাসন, সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ, বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানসহ নানা বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।

ব্রেকিং নিউজ