খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজেদের করা আইনেই আওয়ামী লীগের বিচার হবে: চিফ প্রসিকিউটর

দেশজামানা ডেস্ক:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
নিজেদের করা আইনেই আওয়ামী লীগের বিচার হবে: চিফ প্রসিকিউটর

আওয়ামী লীগের করা আইনেই দলটির বিচার করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, টানা শাসনামলে দল হিসেবে নানান অপরাধ সংগঠন করেছে আওয়ামী লীগ। সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির দায় থেকেও অনেক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা।

 

আইন অনুযায়ী এসবের বিচারের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন-১৯৭৩ ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ প্রণয়ন করেছিল। আর এই দুটি আইনেই এ ধরনের অপরাধের বিচারের ব্যবস্থা রয়েছে।

 

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন।

 

আমিনুল ইসলাম বলেন, ৪ জুলাই একটি স্মরণ সভায় দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বক্তব্যটি আপনারা (সাংবাদিক) যেভাবে শুনেছেন, আমিও একইভাবে শুনেছি। তবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৩ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। পরে সরকারে এসে ২০১০ সালে একই আইনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। এরপর মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয়। ২০১৩ সালে এ আইনে সংশোধন এনে ‘অর্গানাইজেশন’ শব্দটি যোগ করে শেখ হাসিনার সরকার। এছাড়া ২০০৯ সালে সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রণয়ন করে তারা। ওই আইনের এক জায়গায় সত্তাকে ব্যক্তির সঙ্গে সঙ্গে সত্তাকেও সত্তার বিচারের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া কোনো সংগঠন যদি কোনো অপরাধ করে, তাহলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিচার করা যাবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

 

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ এর ১৮-র ১৮ ধারা ব্যবহার করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। এসব কিছুই দলটি প্রণয়ন করে রেখেছিল। অন্য কোনো সরকার এমন আইন প্রণয়ন করেনি। অর্থাৎ দল নিষিদ্ধ করার প্রক্রিয়াসহ সব ধরনের আইনই বিভিন্ন সময় শাসনব্যবস্থায় এসে সংশোধন বা প্রণয়ন করেছিল আওয়ামী লীগ। সংবিধানও সংযোজন করেছে দলটি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৭৩ অনুযায়ী বর্তমানে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে। তাদের আইনটি ব্যবহার করা হচ্ছে। অতএব দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারও এসব আইনে হবে।

 

তিনি আরো বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে একটা ফ্যাসিজম রাষ্ট্র কায়েম করল আওয়ামী লীগ সরকার। সেই ফ্যাসিজমের মধ্য দিয়ে জনগণের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সব কিছু কেড়ে নিয়েছিল তারা। দেশের সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। রাজনৈতিক দল হিসেবে ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। ১৬ বছর মানুষের কোনো স্বাভাবিক জীবনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল না। তিনটি নির্বাচনের কোনোটি রাতের, কোনোটি একদলীয়, কখনো আমি-ডামি নির্বাচন আয়োজন করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে। নির্বিচারে ছাত্র-জনতার ওপর তাদের সরকারের বিভিন্ন বাহিনীকে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও হতাহতের ঘটনা ঘটিয়েছেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগটি যথাযথভাবে তদন্ত করছে আমাদের তদন্ত সংস্থা। পাশাপাশি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপরাধও আলাদাভাবে তদন্ত করার সুযোগ রয়েছে। এসব তদন্তের পর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগের প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে।

 

স্থানীয় নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না: গোলাম পরওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
স্থানীয় নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না: গোলাম পরওয়ার

নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেছেন, সরকারের নির্দেশনাতেই এটি পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসির অধীনে নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার বিরোধী দলগুলোকে নির্বাচন বর্জনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় দলীয়করণের অভিযোগ তুলে জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে সরকার নিজেদের দলের লোকদের বসিয়েছে।

তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন কঠিন। এ সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আটটি দাবি তুলে ধরেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, নির্বাচন বিলম্বিত করার কোনো অজুহাত গ্রহণ করা হবে না। সব প্রার্থীর জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ, নিরাপদ পরিবেশ এবং ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে হবে বলেও দাবি জানান তিনি।

এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে জামায়াতে ইসলামী কয়েক দফা দাবি জানিয়েছিল। দলটির পক্ষ থেকে প্রশাসকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগসহ বিভিন্ন দাবি জানানো হয়।

লালমোহন উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ গ্রহণ

শফিকুর রহমান সবুজ, ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
লালমোহন উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ গ্রহণ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর লালমোহন উপজেলা শাখার মজলিসে আমেলা (২০২৭-২৮) সেশনের ২৫ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) লালমোহন কাশফুল চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় হাফেজ মাওলানা রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আল-আমিনের সঞ্চালনায় কমিটি অনুমোদন ও শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।

সভায় আগামী বছরের জন্য হাফেজ মাওলানা রাশেদুল ইসলামকে সভাপতি এবং মাওলানা আল-আমিনকে সেক্রেটারি করে ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মুফতি শফিকুর রহমান, মাওলানা আলী আজগর মাহমুদ ও মাওলানা জামাল উদ্দিন। মাওলানা ওমর ফারুককে জয়েন্ট সেক্রেটারি এবং মাওলানা মুছা কালিমুল্লাহকে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি করা হয়েছে।

এ ছাড়া মাওলানা ইমাম উদ্দীন শামীম সাংগঠনিক সম্পাদক, মো. তৈয়্যেবুর রহমান প্রচার সম্পাদক, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস দফতর সম্পাদক, মো. মনিরুল ইসলাম অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক, জিল্লুর রহমান প্রশিক্ষণ সম্পাদক এবং মো. শাহিন হাওলাদার দাওয়াহ ও জনশক্তি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

কমিটিতে মাওলানা তোফায়েল আহমাদ আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক, মিজানুর রহমান ছাত্রী ও মহিলা ইউনিট সম্পাদক, মাওলানা শিহাব উদ্দিন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, ফখরুদ্দিন শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবং মাওলানা কবির হোসেন নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

সদস্য হিসেবে রয়েছেন শফিক আর রহমান, মাওলানা সোহাইল, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল হান্নান, ওসমান নিজামি, নকীব মুন্সি ও জামাল উদ্দিন।

কমিটি গঠন ও শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের উপজেলা সভাপতি মাওলানা আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তজুমুদ্দিন উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সেক্রেটারি মাওলানা শোহাইবসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

কুড়িগ্রামে ইউপি সদস্যকে স্বামী দাবি করে ‘দুই নারীর’ চুল টানাটানি-হাতাহাতি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ
কুড়িগ্রামে ইউপি সদস্যকে স্বামী দাবি করে ‘দুই নারীর’ চুল টানাটানি-হাতাহাতি

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এক স্বামীকে কেন্দ্র করে দুই নারীর মধ্যে প্রকাশ্যে চুল টানাটানি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে লালমনিরহাটের তিস্তা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জনসমক্ষে দুই নারীর এই হাতাহাতির দৃশ্য ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তি লিটন সরকার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং পশ্চিম দেবোত্তর মৌজার চায়না বাজার এলাকার মৃত ফজল কমান্ডারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্য লিটন সরকারকে নিজের স্বামী দাবি করাকে কেন্দ্র করেই দুই নারীর মধ্যে এ বিরোধের সূত্রপাত। দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করা নারীর ভাষ্য, প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে লিটন তাকে বিয়ে করেছেন এবং সেই তালাকনামা তার কাছে সংরক্ষিত আছে। অন্যদিকে প্রথম স্ত্রীর দাবি, তাকে তালাক দেওয়া হয়নি এবং লিটন দ্বিতীয় কোনো বিয়েও করেননি। সোমবার সকালে তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে এ নিয়ে দুই নারীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই নারী একে অন্যকে উদ্দেশ্য করে চেঁচামেচি করছিলেন এবং চুল ধরে টানাটানি ও ধস্তাধস্তি করছিলেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুজনকে শান্ত করেন।

খবর পেয়ে লালমনিরহাটের গোকুণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন মেম্বার ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই নারীকে উদ্ধার করে নিজের জিম্মায় নেন এবং পরে তাদের চায়না বাজারে নিয়ে আসেন। সেখানেও উৎসুক জনতা ভিড় জমান।

গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন বলেন, ‘তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে দুজন নারী মারামারি করছেন শুনে সেখানে যাই। পরে দুজনকেই চায়না বাজারে নিয়ে আসি। তারা দুজনই লিটনের বউ বলে দাবি করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের আমার জিম্মায় রাখা হয়।’

গোকুন্ডা ইউনিয়নের মিঠু মিয়া বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ডে দুইটা মেয়ে চুল ধরে মারামারি শুরু করেন। আমরা তাদের ঝগড়া থামিয়ে নিয়ে আসি।’

লিটনের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জানান, লিটনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তিনি জানতে পারেন, লিটন ঢাকায় নেই। পরে লিটন প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন কি না, তা যাচাই করতেই তিনি সেখানে আসেন বলে দাবি করেন। তার কাছে তালাকনামা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তার দাবি, ‘লিটন আমাকে বলেছিল, সে তার বউকে ডিভোর্স দিয়েছে। সেটি যাচাই করার জন্য এসেছি।’

তিনি আরও জানান, তার আগে একটি সংসার ছিল এবং সেটি ত্যাগ করে লিটনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তিনি নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ফাইনাল ও ইন্টার্নি করছেন বলেও পরিচয় দেন।

অন্যদিকে লিটন সরকার বিয়ে করার বিষয়টি স্বীকার করলেও তিস্তা বাসস্ট্যান্ড ও চায়না বাজারে দুই নারীর মারামারির বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য না দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এ ঘটনায় চায়না বাজারসহ রাজারহাটজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের কেউ ঘটনাটিকে পারিবারিক বিরোধ হিসেবে দেখছেন আবার কেউ বিষয়টির আইনগত ও সামাজিক দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ব্রেকিং নিউজ