খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ বিয়ের অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন ইসলামি বক্তা মিছবাহ: দিলেন ‘মুবাহালা’র ঘোষণা

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
৯ বিয়ের অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন ইসলামি বক্তা মিছবাহ: দিলেন ‘মুবাহালা’র ঘোষণা

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগ অস্বীকার করে ‘মুবাহালা’র ঘোষণা দিয়েছেন ইসলামি বক্তা মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, তার ‘৯ বিয়ে’র তথ্য মিথ্যা এবং নাঈমা জান্নাত তার পঞ্চম স্ত্রী নন, বরং বর্তমান দ্বিতীয় স্ত্রী।

রবিবার (২৩ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ। একই পোস্টে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এটিই তার শেষ বক্তব্য।

পোস্টে মিছবাহ দাবি করেন, নাঈমা জান্নাতকে বিয়ে করার কাবিন ও রেজিস্ট্রি রয়েছে। তার ভাষ্য, নাঈমা তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে—এটি জেনেই স্ত্রী হিসেবে তার ঘরে এসেছেন।

নিজের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি। পাশাপাশি নাঈমা জান্নাতের কাছে কোনো যৌতুক দাবি করেননি বলেও দাবি করেন এই ইসলামি বক্তা।

এরপর নিজের বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণে ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে ‘মুবাহালা’র ঘোষণা দেন মিছবাহ। তিনি আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলেন, তার বক্তব্য সত্য এবং তার বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগ মিথ্যা হলে অভিযোগকারীদের ওপর আল্লাহর লানত নেমে আসুক। আর তিনি মিথ্যাবাদী হলে তার ওপরই আল্লাহর লানত নেমে আসুক—এমন প্রার্থনা করেন।

মিছবাহ আরও বলেন, যারা তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সত্য মনে করেন, কিংবা নাঈমা জান্নাত নিজে যদি তার বক্তব্যকে মিথ্যা মনে করেন, তারা চাইলে একইভাবে আল্লাহর সামনে মুবাহালায় অংশ নিতে পারেন।

পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তার আর কোনো বক্তব্য নেই। তবে আদালতে মামলা হওয়ায় তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, নাঈমা জান্নাতের সঙ্গে হাবিবুর রহমান মিছবাহর বিয়ে ও তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ ও আলোচনা চলছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই নিজের অবস্থান জানিয়ে ফেসবুকে এ পোস্ট দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি ও এমপি-মন্ত্রীদের বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে বাধা দেব: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি ও এমপি-মন্ত্রীদের বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে বাধা দেব: জামায়াত আমির

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলে এর বিরোধিতা করার কথা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে কোনো কোনো মহলে আলোচনা হচ্ছে। তাঁর মতে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা অসঙ্গত হবে। বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী এর বিরোধিতা করবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা বেতন বা অর্থ উপার্জনের জন্য সংসদে যাননি; জনগণের প্রয়োজনেই তাঁরা সেখানে গেছেন। দেশের ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হলে তখন সবার সঙ্গে তাঁরা অংশীদার হতে পারেন। তবে তার আগে জনপ্রতিনিধিদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর পক্ষে নন তিনি।

জামায়াতের আমির বলেন, দেশের মানুষ যখন নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে, তখন সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই আসে না। সরকার এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নিলে আমরা বাধা দেব।

সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, এমন উদ্যোগ নেওয়া হলে বিরোধী দল হিসেবে তাঁরা এর সুস্পষ্ট বিরোধিতা করবেন।

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে: রাশেদ খাঁন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে: রাশেদ খাঁন

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী আসলে কাগুজে বাঘ। তারা এ অবস্থায় নিজেদেরকে বিরোধী দল থেকে সরকারি দল ভাবা শুরু করেছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন তিনি।

রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সবসময় অভিযোগ করা হয়। দেখেন অভিযোগ কারা করে, যারা নিজেদেরকে দুর্বল মনে করে তারাই সবসময় অভিযোগ করে। জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দল কিন্তু তারা আসলে বিরোধী দল হিসাবে থাকতে চায় না। তাদের কথাবার্তা শুনে মনে হয় যে, তারা সরকারি দলের কাছ থেকে সমান সুযোগ সুবিধা প্রত্যাশা করে।

তিনি আরও বলেন, তারা প্রত্যাশা করুক বা না করুক সরকার সকল এমপিদের জন্য, হোক সে সরকারি দলের কিংবা বিরোধী দলের সবার জন্য সমান বরাদ্দ ধার্য করে রেখেছে। জামায়াতের জন্য যদি কলিজা কেটে ভুনা করে দেন তাও তাদের খুশী করা সম্ভব না।

খতিব-ইমামসহ ৩ জনের নামে ধর্ষণ মামলা, প্রমাণ না পাওয়ায় বাদী গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
খতিব-ইমামসহ ৩ জনের নামে ধর্ষণ মামলা, প্রমাণ না পাওয়ায় বাদী গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী জেলা মডেল মসজিদের ইমামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাদী জাহানারা বেগমের (৬৩) বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলা খারিজের পর মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ আদেশ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বাদী জাহানারাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন জাহানারা বেগম। এতে মডেল মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. তানভিরুল ইসলাম, খাদেম সাব্বির ও আহমাদুল্লাহর বিরুদ্ধে তার ১২ বছর বয়সী নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করে পিবিআই। তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ, সাক্ষীদের বক্তব্য ও চিকিৎসকের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়। গত ২৯ জুন আদালতে দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে পিবিআই অভিযোগটিকে মিথ্যা, কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে। পরে ২৮ জুলাই মামলার শুনানি শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলাটি খারিজ করেন। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়ের করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা এবং নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানির অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় জাহানারা বেগমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে বিবাদীপক্ষ বাদী জাহানারা বেগমের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে ২১ সেপ্টেম্বর সদর থানা পুলিশ জাহানারা বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে।

ব্রেকিং নিউজ