খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খতিব-ইমামসহ ৩ জনের নামে ধর্ষণ মামলা, প্রমাণ না পাওয়ায় বাদী গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
খতিব-ইমামসহ ৩ জনের নামে ধর্ষণ মামলা, প্রমাণ না পাওয়ায় বাদী গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী জেলা মডেল মসজিদের ইমামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাদী জাহানারা বেগমের (৬৩) বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলা খারিজের পর মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ আদেশ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে বাদী জাহানারাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন জাহানারা বেগম। এতে মডেল মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. তানভিরুল ইসলাম, খাদেম সাব্বির ও আহমাদুল্লাহর বিরুদ্ধে তার ১২ বছর বয়সী নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করে পিবিআই। তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ, সাক্ষীদের বক্তব্য ও চিকিৎসকের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়। গত ২৯ জুন আদালতে দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে পিবিআই অভিযোগটিকে মিথ্যা, কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে। পরে ২৮ জুলাই মামলার শুনানি শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলাটি খারিজ করেন। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়ের করে আদালতকে বিভ্রান্ত করা এবং নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানির অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় জাহানারা বেগমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে বিবাদীপক্ষ বাদী জাহানারা বেগমের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দায়ের করলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতে ২১ সেপ্টেম্বর সদর থানা পুলিশ জাহানারা বেগমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে।

রাষ্ট্রপতি ও এমপি-মন্ত্রীদের বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে বাধা দেব: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি ও এমপি-মন্ত্রীদের বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে বাধা দেব: জামায়াত আমির

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলে এর বিরোধিতা করার কথা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে কোনো কোনো মহলে আলোচনা হচ্ছে। তাঁর মতে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা অসঙ্গত হবে। বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী এর বিরোধিতা করবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা বেতন বা অর্থ উপার্জনের জন্য সংসদে যাননি; জনগণের প্রয়োজনেই তাঁরা সেখানে গেছেন। দেশের ১৮ কোটি মানুষের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হলে তখন সবার সঙ্গে তাঁরা অংশীদার হতে পারেন। তবে তার আগে জনপ্রতিনিধিদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর পক্ষে নন তিনি।

জামায়াতের আমির বলেন, দেশের মানুষ যখন নানা সংকটের মধ্যে রয়েছে, তখন সংসদ সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই আসে না। সরকার এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নিলে আমরা বাধা দেব।

সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, এমন উদ্যোগ নেওয়া হলে বিরোধী দল হিসেবে তাঁরা এর সুস্পষ্ট বিরোধিতা করবেন।

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে: রাশেদ খাঁন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে: রাশেদ খাঁন

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী আসলে কাগুজে বাঘ। তারা এ অবস্থায় নিজেদেরকে বিরোধী দল থেকে সরকারি দল ভাবা শুরু করেছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন তিনি।

রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সবসময় অভিযোগ করা হয়। দেখেন অভিযোগ কারা করে, যারা নিজেদেরকে দুর্বল মনে করে তারাই সবসময় অভিযোগ করে। জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দল কিন্তু তারা আসলে বিরোধী দল হিসাবে থাকতে চায় না। তাদের কথাবার্তা শুনে মনে হয় যে, তারা সরকারি দলের কাছ থেকে সমান সুযোগ সুবিধা প্রত্যাশা করে।

তিনি আরও বলেন, তারা প্রত্যাশা করুক বা না করুক সরকার সকল এমপিদের জন্য, হোক সে সরকারি দলের কিংবা বিরোধী দলের সবার জন্য সমান বরাদ্দ ধার্য করে রেখেছে। জামায়াতের জন্য যদি কলিজা কেটে ভুনা করে দেন তাও তাদের খুশী করা সম্ভব না।

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুড়িগ্রাম থেকে আসাদুল্লাহ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসে ফিরে আসে।

এরপর কুড়িকৃবি অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. রায়হাত ও সামিয়া কাদেরীর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোছা. নুর মহল আখতার বানু। প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহা. রাশেদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষার্থী বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম।

আলোচনা সভার শুরুতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অগ্রগতি, শিক্ষা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহা. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আজ ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। তিনি ২০২৪ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর দুটি ব্যাচ নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেন। বর্তমানে দুটি অনুষদের তিনটি ব্যাচে মোট ২৪০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম অস্থায়ী ভাড়া করা ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্যও ভাড়া করা ভবন ব্যবহার করা হচ্ছে। তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য ভবন নির্ধারণের কাজ শেষ হয়েছে, যা শিগগিরই চালু করা হবে।

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য জায়গা নির্ধারণে গণমাধ্যমকর্মীসহ জেলার সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। স্থায়ী ক্যাম্পাস হলে শিক্ষার্থীরা উন্নত পরিবেশে কৃষিশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়টি কুড়িগ্রামের কৃষি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীদের জন্য ই-লাইব্রেরির উদ্বোধন করা হয়। প্রাথমিকভাবে এতে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি বই যুক্ত করা হয়েছে। অনলাইনে বিভিন্ন বই ও শিক্ষাসামগ্রী পড়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী প্রিন্ট করার সুযোগও থাকবে।

ব্রেকিং নিউজ