খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
কুষ্টিয়ায় এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে শহরের থানাপাড়া জামে মসজিদের সামনে ছয় রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। অন্যদিকে গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর জামায়াতের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। এ নিয়ে দুই পক্ষই পরস্পরকে দোষারোপ করেছে।

কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির খন্দকার এ কে এম আলী মহসীন বলেন, ‘গণ অধিকার পরিষদের লোকজন আক্রমণ করেছে। তাদের সঙ্গে বিএনপির ছাত্রদল যোগ দিয়েছে। এমপি সাহেব বাইরে থেকে আসছিলেন। তারা ইটপাটকেল মেরে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙেছে। আমাদের লোকজন প্রতিহত করতে গেলে মারামারি হয়েছে। আমরা এ ব্যাপারে মামলা করব।’

তিনি জানান, হামলায় আমির হামজা আহত হননি। তিনি বর্তমানে নিজ বাসায় রয়েছেন এবং দলীয় নেতা-কর্মীরা সেখানে অবস্থান করছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি গণ অধিকার পরিষদকে নিয়ে আমির হামজা একটি বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্যের প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে গণ অধিকার পরিষদ। সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আমির হামজা গাড়িতে করে ওই এলাকা দিয়ে বাসার দিকে যাওয়ার সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আমির হামজার গাড়িবহর ছয় রাস্তার মোড় অতিক্রম করার সময় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও পাল্টাপাল্টি স্লোগান শুরু হয়। একপর্যায়ে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি শুরু হলে আমির হামজার গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে যায়। গাড়ির আরও কয়েক জায়গায় ইটের আঘাত লাগে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্যরা এগিয়ে আসে। প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। এতে ছয় রাস্তার মোড় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পথচারীদের মধ্যে ছোটাছুটি শুরু হয়।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, ‘আমরা সাথেই ছিলাম। এরই মধ্যে হঠাৎ করে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এমপি সাহেব বাড়িতে আছেন। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে আছে।’

এদিকে আমির হামজার মিডিয়া সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত তানভীর হোসাইন অভিযোগ করেন, গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা আমির হামজার গাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে তিনি নিজেও পায়ে আঘাত পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

অন্যদিকে গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন দাবি করেছেন, মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিলের সময় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান। এতে ৪০ থেকে ৫০ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

এ ঘটনায় পরে শহরের হাইস্কুল মার্কেট এলাকায় গণ অধিকার পরিষদের জেলা কার্যালয় এবং হরিপুর সংযোগ সেতুর নিচে দলটির সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেকের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে।

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাকির হোসেন সরকার বলেন, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা গিয়ে দুই পক্ষকেই সরিয়ে দিয়েছেন। বিএনপি কখনোই মারামারি চায়নি। আমির হামজা সম্প্রতি গণ অধিকার পরিষদ ও বিএনপিকে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

উলিপুরে উন্নয়ন বরাদ্দে ‘এমপির স্বজনপ্রীতি’: ৫ সড়কের ৩টিই নিজের ইউনিয়নে

বিশেষ প্রতিনিধি (উলিপুর) কুড়িগ্রাম:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
উলিপুরে উন্নয়ন বরাদ্দে ‘এমপির স্বজনপ্রীতি’: ৫ সড়কের ৩টিই নিজের ইউনিয়নে

কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনের অবহেলিত যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি মোট ৫টি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়ন কাজ মঞ্জুর ও বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে মোট ৪ কোটি ৩৩ লাখ ৩৪ হাজার ২৪৫ টাকার এই মেগা প্রকল্পের সিংহভাগই স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিজ ইউনিয়ন থেতরাইয়ে কেন্দ্র করে বরাদ্দ দেওয়ায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। সচেতন মহলের অভিযোগ, গোটা উপজেলার অন্য সব ইউনিয়নের বেহাল দশা উপেক্ষা করে এমপি নিজ এলাকায় সড়ক উন্নয়ন কেন্দ্রীভূত করার মাধ্যমে স্পষ্ট স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিক বৈষম্যের পরিচয় দিয়েছেন।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, মঞ্জুর হওয়া ৫টি সড়কের মধ্যে ৩টি প্রধান সড়কই সরাসরি থেতরাই ইউনিয়নের সংযোগ ও অভ্যন্তরীণ যাতায়াত ব্যবস্থার জন্য নির্ধারিত। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অঙ্কের বরাদ্দ গেছে ‘উলিপুর জিসি–থেতরাই ইউপি অফিস’ সড়ক (দৈর্ঘ্য: ৭.১৫০ কিমি), যার প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৬ লাখ ১ হাজার ৫৯৮ টাকা। এছাড়া ‘থেতরাই হাট–ইউপি নগরাকুড়া হাট’ সড়কের ০.৬৫০ কিলোমিটারের জন্য ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৩৮ টাকা এবং ‘উলিপুর থেতরাই–বাকোরের হাট’ সড়কের ০.৭৪০ কিলোমিটারের জন্য ৬৩ লাখ ৩৩ হাজার ৪৬৭ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, মঞ্জুর হওয়া মোট বাজেটের তিন-চতুর্থাংশের বেশি টাকাই চলে যাচ্ছে কেবল এমপির নিজ ইউনিয়নে।

অন্যদিকে, উলিপুরের অন্যান্য ইউনিয়নের যোগাযোগের প্রাণকেন্দ্র যেমন ‘উলিপুর M.S.H/S–উলিপুর মন্ডলের হাট GC’ সড়কের জন্য মাত্র ৩৫ লাখ ৫৭ ৬৫৩ টাকা এবং ‘কেসি রোড –নতুন অনন্তপুর হাট’ সড়কের জন্য ৭৬ লাখ ৫৬ হাজার ৮৯ টাকা ছাঁটাই-কাটাই করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় অধিবাসীদের দাবি, উলিপুরের বহু ইউনিয়নের প্রধান প্রধান সড়ক দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে ভরা ও চলাচলের অযোগ্য হয়ে রয়েছে। অথচ সংসদ সদস্য মাহবুব সালেহী সুষম বণ্টন না করে তার ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে উন্নয়ন বরাদ্দের একটি বড় অংশ নিজ ইউনিয়নে নিয়ে গেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনীতিতে এই স্বজনপ্রীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় বইছে। উপজেলাজুড়ে সমান ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত না করে রাজনৈতিক সুবিধা ও আঞ্চলিক স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ায় সাধারণ জনগণের মাঝে চরম হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।

ঢাকার সড়কে আজ নারীদের জন্য নামছে ‘পিংক বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৩০ পূর্বাহ্ণ
ঢাকার সড়কে আজ নারীদের জন্য নামছে ‘পিংক বাস’, চালক-কন্ডাক্টরও নারী

নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত করতে রাজধানীর গণপরিবহনে আজ থেকে চালু হচ্ছে বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস’। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) উদ্যোগে গোলাপি রঙের এসব ‘পিংক বাস’ পরিচালনা করবেন নারী চালক ও কন্ডাক্টর।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সার্ভিসের উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনের পর বিকেলে যাত্রী পাওয়া সাপেক্ষে বাস চলাচল করবে। আগামীকাল বুধবার থেকে নির্ধারিত রুটে পূর্ণাঙ্গভাবে যাত্রীসেবা শুরু হবে।

প্রাথমিকভাবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রুটে ১০টি বাস দিয়ে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ চালু করা হচ্ছে। এর বাইরে বগুড়ায় দুটি ও চট্টগ্রামে দুটি বাসসহ আরও চারটি বাস এ সেবায় যুক্ত হবে। যাত্রী চাহিদা ও প্রয়োজন বিবেচনায় ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

ঢাকায় নতুনবাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল, তালতলা-মতিঝিল, ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, মিরপুর-১০-মতিঝিল, মিরপুর-দো১২-মতিঝিল, আব্দুল্লাহপুর-কোয়ার্টার-জিপিও, মিরপুর-মতিঝিল ও মোহাম্মদপুর-মতিঝিলসহ গুরুত্বপূর্ণ রুটে এসব বাস চলাচল করবে। এছাড়া গাজীপুর-বিমানবন্দর রুটেও বিশেষ বাস থাকবে।

নতুনবাজার থেকে মতিঝিলগামী বাস কোকাকোলা, নতুনবাজার, বাড্ডা, রামপুরা, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে। অন্যদিকে মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ডেমরা ও আব্দুল্লাহপুরের বাসগুলো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা সংযুক্ত করবে।

ঢাকার বাইরে বগুড়ার শেরপুর-মাটিডালি রুটে দুটি এবং চট্টগ্রামের কালুরঘাট-পতেঙ্গা রুটে দুটি বাস চলাচল করবে।

বিআরটিসির ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নারী চালক ও কন্ডাক্টর দিয়ে পরিচালিত এই বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে গণপরিবহনে নারীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবহন খাতে নারীদের কর্মসংস্থান ও অংশগ্রহণও বাড়বে বলে আশা করছে সংস্থাটি।

সীমান্ত বেষ্টনী টপকে মাদকের থাবা: অতিষ্ঠ কুড়িগ্রামের জনজীবন

বিশেষ প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
সীমান্ত বেষ্টনী টপকে মাদকের থাবা: অতিষ্ঠ কুড়িগ্রামের জনজীবন

ভারতের সীমান্তঘেঁষা উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে মাদক পাচার ও কারবার ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে রৌমারী, ভূরুঙ্গামারী, ফুলবাড়ীসহ সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মাদক সিন্ডিকেট। সীমান্ত অতিক্রম করে প্রতিদিন আসছে ইয়াবা, ফেনসিডিল, এসকাফ এবং গাঁজার বড় বড় চালান।

অভিযানে উদ্ধার ও সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারের ঘটনা বাড়লেও থামছে না মাদকের অবাধ প্রবেশ। জেলা পুলিশ, ডিবি ও র‍্যাবের পৃথক অভিযানে প্রতিনিয়তই ধরা পড়ছে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও কারবারি। সম্প্রতি ফুলবাড়ী ও রৌমারী সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় র‍্যাব ও পুলিশের অভিযানে কেজিতে কেজি গাঁজা, হাজার হাজার পিস ইয়াবা ও ফেনসিডিলসহ একাধিক তালিকাভুক্ত কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তবে মূল হোতারা প্রায়ই থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সরেজমিনে জানা যায়, মাদক ব্যবসায়ীদের দাপটে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। মাদক বিক্রেতারা স্থানীয় বেকার যুবকদের প্রলোভন দেখিয়ে বাহক হিসেবে ব্যবহার করছে, ফলে মারাত্মক সামাজিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম ৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, “মাদকের ভয়াল থাবা থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্ম ও সমাজকে রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। মাদক চোরচালান বন্ধে সীমান্ত পাহারা আরো কঠোর করার পাশাপাশি জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধী বা গডফাদার যে দলেরই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে বদ্ধপরিকর।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, “সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এটি একটি সংবেদনশীল অঞ্চল। তবে জিরো টলারেন্স নীতিতে প্রতিনিয়ত বিশেষ কম্বিং অপারেশন ও ডিবি অভিযান চালানো হচ্ছে। চিহ্নিত স্পটগুলোতে নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে।”

সুশীল সমাজের মতে, কেবল কয়েকটি চালান ধরা বা বাহকদের গ্রেপ্তার করাই যথেষ্ট নয়। সীমান্ত পাহারায় কঠোর নজরদারি এবং মূল গডফাদারদের দ্রুত আইনের আওতায় না আনলে সীমান্ত অঞ্চলের তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

ব্রেকিং নিউজ