খুঁজুন
রবিবার, ২রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ে নিয়ে ধোঁয়াশা, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
বিয়ে নিয়ে ধোঁয়াশা, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিও এবং তার দাবি করা দ্বিতীয় বিয়ের ঘটনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভিডিও প্রকাশের পর এমপি গাজী নজরুল ইসলাম আলোচিত তরুণী মরিয়ম খাতুনকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করলেও, বিয়ের কাবিননামা, নিবন্ধন প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে একাধিক প্রশ্ন।

তবে বিয়ের দাবির পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কাবিননামা নিয়ে নতুন ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এমপি দাবি করেছেন, গত ১৭ জুন তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু কাবিননামা নিবন্ধনকারী কাজী মাওলানা বি.এ.এম. বাকী বিল্লাহ জানিয়েছেন, বিয়ে কোথায় বা কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

তিনি জানান, গত সোমবার গভীর রাতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে জানানো হয় যে ঢাকায় বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং নিবন্ধনের দায়িত্ব তাকে নিতে হবে। পরে ফোনে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তিনি কাবিননামা প্রস্তুত করেন।

কাজী মাওলানা বি.এ.এম. বাকী বিল্লাহ আরও বলেন, কনের বাবা ফোনে সম্মতি দেন এবং পরদিন সকালে কনে ও তার অভিভাবক এসে কাবিননামায় স্বাক্ষর করেন। তার দাবি, ১৭ জুনকে বিয়ের তারিখ হিসেবে উল্লেখ করার নির্দেশনাও ফোনেই দেওয়া হয়েছিল।

তবে কথোপকথনের বিভিন্ন পর্যায়ে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা যায়। একদিকে তিনি বলেন, বিয়ের তারিখ ১৭ জুন নির্ধারণ করে দিতে তাকে বলা হয়েছিল, অন্যদিকে জানান, প্রয়োজনীয় সব তথ্য সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকেই তিনি পেয়েছেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, “আচ্ছা ভাই, আমি যাতে বিপদে পড়ে না যাই, আমাদের কেন বিপদে ফেলেছেন,” বলে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এদিকে ভিডিও ভাইরালের পর পৃথক ভিডিও বার্তায় গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করা মরিয়ম খাতুন এবং মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ দাবি করেন, পারিবারিকভাবে তিন লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষে গাজী নজরুল ইসলাম ও ওই তরুণীকে কয়েকজন ব্যক্তি ঘিরে বিভিন্ন প্রশ্ন করছেন। ভিডিওতে তাকে উদ্দেশ করে “জামায়াত হয়ে এই কাজ কীভাবে করলেন?” এবং “অন্যায় করেছেন কিনা?”—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি মাথা নেড়ে বলেন, “বিশ্বাস করেন, আজকেই প্রথম এসেছি।”

একপর্যায়ে তরুণীর নাম জানতে চাইলে তিনি দীর্ঘক্ষণ নীরব থাকার পর “মাহি” নাম উল্লেখ করেন। একই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “আপনারা আগে ভিডিও ডিলিট করে দেন, তারপরে সবকিছু বলছি।”

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কাবিননামায় মরিয়ম খাতুনের জন্মতারিখ ২২ মে ২০০৮ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান দ্য ডিসেন্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মরিয়মের একটি বায়োডাটায় গত ২২ জুন গাজী নজরুল ইসলামের স্বাক্ষর ও সুপারিশ রয়েছে। ওই বায়োডাটায় মরিয়মের বৈবাহিক অবস্থা “অবিবাহিত” উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির প্রশ্ন, যদি ১৭ জুন বিয়ে হয়ে থাকে, তাহলে ২২ জুনের বায়োডাটায় তাকে অবিবাহিত দেখানো হলো কেন? এ বিষয়ে গাজী নজরুল ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর ভেতরেও চাপা অসন্তোষের খবর পাওয়া গেছে। তবে দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে তারা খোঁজখবর নিচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ভিডিও, কাবিননামা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন সামনে এলেও, পুরো ঘটনার বিষয়ে এখনো মেলেনি স্পষ্ট ব্যাখ্যা ।

শেখ জাহিদ হাসান

তৃণমূল থেকে উঠে আসা ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা বিএনপির দায়িত্ব ও কর্তব্য

শেখ জাহিদ হাসান
প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
তৃণমূল থেকে উঠে আসা ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করা বিএনপির দায়িত্ব ও কর্তব্য

রাজনীতিতে নেতৃত্বের প্রকৃত ভিত্তি গড়ে ওঠে তৃণমূলের কর্মীদের ত্যাগ, সংগ্রাম ও নিষ্ঠার ওপর। একটি রাজনৈতিক দলের দুঃসময়ে যারা মামলা-হামলা, জেল-জুলুম, নির্যাতন ও নানামুখী প্রতিকূলতার মধ্যেও দলের পাশে অবিচল থাকেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা শুধু রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়, বরং সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখার অন্যতম পূর্বশর্ত।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আলমগীর কবিরকে এ ধরনের তৃণমূলমুখী নেতৃত্বের একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় নেতাকর্মীদের সহায়তায় নানামুখী ভূমিকা পালন করেছেন। জেল-জুলুমের শিকার নেতাকর্মীদের নিয়মিত আর্থিক সহযোগিতা, দলের পক্ষ থেকে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য ভ্যান, রিকশা ও অটোরিকশা প্রদান, রাস্তা মেরামত, সেতু ও বাঁশের সাঁকো নির্মাণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ তাঁর কর্মকাণ্ডের অংশ। পাশাপাশি স্কুল, মসজিদ, মাদরাসা, মন্দিরসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগও তিনি গ্রহণ করেছেন।

অনেকে বলতে পারেন, তিনি সরাসরি ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নেননি। তবে এটিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন যে, রাজনীতিতে অবদান কেবল রাজপথে উপস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিতে না পারলেও, তাঁর সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে বহু নেতাকর্মী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন এটাও আপনার মানতে হবে।

আমার দেখা বিএনপি’র দূর্দিনে অন্তত ফরিদপুর কিংবা বৃহত্তর দক্ষিণবঙ্গ অঞ্চলে দল ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে এ ধরনের ধারাবাহিক সামাজিক ভূমিকা খুব কম নেতার মধ্যেই দেখা গেছে। তাই যারা দুঃসময়ে দলের জন্য অবদান রেখেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা বিএনপির সাংগঠনিক স্বার্থেও গুরুত্বপূর্ণ।

আলমগীর কবিরের মতো মানবিক ও জনমুখী নেতৃত্ব যদি যথাযথ মূল্যায়ন না পান, তাহলে ভবিষ্যতে সংকটকালে দলের জন্য এগিয়ে আসার আগ্রহ অন্যদের মধ্যেও কমে যেতে পারে। একটি রাজনৈতিক দলের জন্য এটি ইতিবাচক বার্তা বহন করবে না।

আমি রাজনৈতিকভাবে ভিন্নমতের হলেও, যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলের একজন হিসেবে মনে করি, বিগত সরকার আমলে যারা শুধু বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণেই জেল-জুলুম, নির্যাতন ও বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির শিকার হয়েছেন, তাদের অবদান ও ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করা বিএনপির দায়িত্ব ও কর্তব্য।

একই সঙ্গে দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনে বংশ, আত্মীয়তা কিংবা ব্যক্তিগত আনুগত্যের পরিবর্তে ত্যাগ, যোগ্যতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ততাকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। কেবল নেতার সন্তান বা আত্মীয়স্বজনকে কেন্দ্র করে কমিটি গঠন করলে তৃণমূলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হয়।

সুসময়ে প্রশংসাকারীর অভাব হয় না। কিন্তু দুঃসময়ে দলের পক্ষে রাজপথে থাকা, সভা-সেমিনার আয়োজন করা, জনমত গঠন করা, সংবাদপত্রে লেখা, কিংবা গণমাধ্যমে দলের অবস্থান তুলে ধরার মতো মানুষের সংখ্যাই কমে যায়। তাই সংকটকালে যাদের ভূমিকা বাস্তব ও কার্যকর ছিল, তাদের মূল্যায়নের সংস্কৃতি গড়ে তোলাই একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক দলের লক্ষণ।

  • লেখক: সাবেক সহ-অর্থ সম্পাদক, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), ফরিদপুর জেলা

ঢাকাসহ‌ সারাদেশে পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
ঢাকাসহ‌ সারাদেশে পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে পুলিশের ব্যবহৃত যানবাহনকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।

শনিবার (১ আগস্ট) পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন্স কন্ট্রোল থেকে পাঠানো এক জরুরি বার্তায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য বা দুষ্কৃতকারীরা পুলিশের জিপ, পিকআপ, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের ওপর হামলা চালাতে পারে, গোয়েন্দা সংস্থার এমন তথ্যের ভিত্তিতে মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটকে তাৎক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুলিশের যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের শিথিলতা বা অবহেলার সুযোগ নেই। বিশেষ করে ডিউটির সময় এবং ডিউটি শেষে পার্কিং করা যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

এতে বলা হয়, ডিউটিরত কোনো যানবাহন সাময়িকভাবে থামানোর প্রয়োজন হলে সেটি অবশ্যই নিরাপদ স্থানে পার্ক করতে হবে এবং পুলিশের সদস্যদের সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় রাখতে হবে। কোনো অবস্থাতেই চালক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য ছাড়া যানবাহন ফেলে রাখা যাবে না। অর্থাৎ আনঅ্যাটেন্ডেড (Unattended) অবস্থায় কোনো পুলিশি যানবাহন রাখার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিউটি শেষে থানা, পুলিশ লাইন্স, অফিস কম্পাউন্ড কিংবা অন্যান্য নির্ধারিত স্থানে রাখা সব সরকারি যানবাহনের নিরাপত্তাও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসব স্থানে নিয়মিত টহল, প্রয়োজনীয় নজরদারি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু শনাক্তে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতর বার্তায় বিষয়টিকে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে উল্লেখ করে দেশের সব মহানগর, রেঞ্জ, জেলা ও ইউনিটের কর্মকর্তাদের নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।

বর্তমান সংসদ ‘মজলুমের সংসদ’ : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

দেশজামানা ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
বর্তমান সংসদ ‘মজলুমের সংসদ’ : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমের সংসদ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, অধিকাংশ সংসদ সদস্য অতীতে গুম, নির্যাতন, কারাবাস, নির্বাসন কিংবা অন্যান্য কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এসেছেন। তার দাবি, ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের প্রায় ৯৯ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে এসব ঘটনার শিকার হয়েছেন, যা বিশ্বের ইতিহাসেও বিরল।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু এখন জাতীয় সংসদ। জনগণ চান, সংসদে যুক্তিনির্ভর আলোচনা, গঠনমূলক সমালোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক, যা দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের প্রতিটি কার্যক্রম এখন সাধারণ মানুষও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তাই সংসদ সদস্যদের বক্তব্য, আচরণ ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।

সংসদ পরিচালনায় নিরপেক্ষতা ও ন্যায়পরায়ণতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে কায়সার কামাল বলেন, দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত তিনি নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করবেন।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকার ও বিরোধী দল—উভয় পক্ষেরই দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। তার মতে, জাতীয় সংসদই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল কেন্দ্র হওয়া উচিত, যেখানে সরকার ও বিরোধী দল উভয়েই স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত তুলে ধরবে এবং গঠনমূলক বিতর্কের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ করবে।

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়েও নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার। তিনি স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক পরিবর্তন, সামরিক শাসন, সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপ, বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানসহ নানা বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেন।

ব্রেকিং নিউজ