কবি সুফিয়া কামালের বড় ছেলে প্রবীণ সাংবাদিক শাহেদ কামালের ইন্তেকাল
কবি সুফিয়া কামালের বড় ছেলে, প্রবীণ সাংবাদিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক শাহেদ কামাল ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার শিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। শনিবার সকালে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহীদের শেষ শ্রদ্ধার জন্য শনিবার রাতে তাঁর মরদেহ ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাড়িতে (সাঁঝের মায়ায়) রাখা হয়েছে। আজ রবিবার (৫ জুলাই) আজিমপুর কবরস্থানে মা কবি সুফিয়া কামালের কবরেই তাঁকে দাফন করা হবে।
মরহুমের জানাজা ও দাফনের সময়সূচি:
সকাল ৯টা থেকে ১০টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাড়ি ‘সাঁঝের মায়ায়’ শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
বেলা ১১টায় ধানমণ্ডির তাকওয়া মসজিদে প্রথম নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য মরদেহ রাখা হবে।
বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় নামাজের জানাজা হবে।
দুপুর আড়াইটায় জাতীয় প্রেসক্লাবে শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য মরদেহ রাখা হবে।
বিকেল ৪টার দিকে আজিমপুর কবরস্থানে মায়ের কবরে (প্রয়াত কবি সুফিয়া কামাল) দাফন করা হবে।
শাহেদ কামাল ১৯৫৭ সাল থেকে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) দীর্ঘদিন অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তাঁকে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদের দায়িত্ব দেওয়া হলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের একজন সম্মানিত সদস্য ছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকতা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন