মালয়েশিয়ার উর্ধ্বতন কর্মকতাদের সাথে ২ দফায় মিটিং হয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের, সেই মিটিংয়েও কেন প্রতিমন্ত্রী নুরকে রাখা হয়নি?
প্রবাসী সচিব বলছেন সরকারের পক্ষ থেকে তাকেও কিছু জানানো হচ্ছে না। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব — এই ৩ জনের মধ্যে কেন এই সমন্বয়হীনতা?
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদী আমিন ও মন্ত্রী ২ জনে মিলেই যদি সব হ্যান্ডলিং করবে, তাহলে প্রতিমন্ত্রীর কাজটা আসলে কী, শুধ কি দায় নেওয়া নুরের দায়িত্ব?
ইতোমধ্যে ২৫ টি এজেন্সি এনলিস্টেড হয়েছে, সাথে আরো ৩৩৮ টি এজেন্সি।
ইতোমধ্যে আলোচনায় সরগরম, বিশাল অংকের টাকা ইতোমধ্যে কারো কারো ব্যাংক ব্যালেন্স ভারী করেছে।
প্রতিমন্ত্রী নুর বলছেন, তার কাছে কোনো তথ্যই নেই, সবকিছু দেখভাল করছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন।
অর্থাৎ নুরের কথার পর এই মন্ত্রণালয়ে যদি দুর্নীতি হয়েও থাকে তার পুরো দায় মন্ত্রী ও উপদেষ্টার।
কারণ নুরের কাছে অফিসিয়ালি সব তথ্য থাকার পরও এরকম বক্তব্য দিলে নুরের উপর চাপ আসতো মন্ত্রী ও উপদেষ্টার পক্ষ থেকে। তথ্য জানার পরও মিডিয়ায় মিথ্যা বললে তার প্রতিমন্ত্রীত্বই থাকতো না।
তারেক রহমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলবো মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে পরিচালনা করতে আপনার নির্দেশনা প্রয়োজন।
নুরুল হক্ব নুর কে বলবো, আপনাদের মন্ত্রণালয়ের এই সমন্বয়হীনতা প্রধানমন্ত্রীকে লিখিতভাবে অবহিত করুন, যদি সমাধান না হয়, বিরোধী রাজনীতি করার জন্য রাজপথে চলে আসুন।
জনগণের জন্য আওয়াজ তুলুন, সারাদেশের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীর স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নের পথে হাঁটুন।
লেখক: সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, গণঅধিকার পরিষদ

তোফাজ্জল হোসেন
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ৯:৩২ অপরাহ্ণ