খুঁজুন
শনিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমোহন উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ গ্রহণ

শফিকুর রহমান সবুজ, ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ
লালমোহন উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ গ্রহণ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর লালমোহন উপজেলা শাখার মজলিসে আমেলা (২০২৭-২৮) সেশনের ২৫ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) লালমোহন কাশফুল চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এ উপলক্ষে আয়োজিত সভায় হাফেজ মাওলানা রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আল-আমিনের সঞ্চালনায় কমিটি অনুমোদন ও শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়।

সভায় আগামী বছরের জন্য হাফেজ মাওলানা রাশেদুল ইসলামকে সভাপতি এবং মাওলানা আল-আমিনকে সেক্রেটারি করে ২৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন মুফতি শফিকুর রহমান, মাওলানা আলী আজগর মাহমুদ ও মাওলানা জামাল উদ্দিন। মাওলানা ওমর ফারুককে জয়েন্ট সেক্রেটারি এবং মাওলানা মুছা কালিমুল্লাহকে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি করা হয়েছে।

এ ছাড়া মাওলানা ইমাম উদ্দীন শামীম সাংগঠনিক সম্পাদক, মো. তৈয়্যেবুর রহমান প্রচার সম্পাদক, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস দফতর সম্পাদক, মো. মনিরুল ইসলাম অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক, জিল্লুর রহমান প্রশিক্ষণ সম্পাদক এবং মো. শাহিন হাওলাদার দাওয়াহ ও জনশক্তি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

কমিটিতে মাওলানা তোফায়েল আহমাদ আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক, মিজানুর রহমান ছাত্রী ও মহিলা ইউনিট সম্পাদক, মাওলানা শিহাব উদ্দিন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, ফখরুদ্দিন শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবং মাওলানা কবির হোসেন নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

সদস্য হিসেবে রয়েছেন শফিক আর রহমান, মাওলানা সোহাইল, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আব্দুল হান্নান, ওসমান নিজামি, নকীব মুন্সি ও জামাল উদ্দিন।

কমিটি গঠন ও শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের উপজেলা সভাপতি মাওলানা আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তজুমুদ্দিন উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সেক্রেটারি মাওলানা শোহাইবসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন সিনিয়র মাদ্রাসায় পরিণত হয়েছে: ফজলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন সিনিয়র মাদ্রাসায় পরিণত হয়েছে: ফজলুর রহমান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ‘সিনিয়র মাদ্রাসায়’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, ‘শুধু পোশাক-পরিচ্ছদ দিয়ে কেউ আলিম হয়ে যায় না; আলিম হতে হলে জ্ঞান অর্জন করতে হয়।’

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরাম আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ফজলুর রহমান বলেন, ‘তোমরা জ্ঞান অর্জন করো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন সিনিয়র মাদ্রাসায় পরিণত হয়েছে, তোমরা এ পথে যেও না। পোশাক এবং ভাষাই শুধু মানুষের প্রকৃতি নির্ধারণ করে না। পাঞ্জাবি, পায়জামা আর টুপি পরলেই কেউ আলিম হয় না, আলিম হতে গেলে এলেম জানতে হয়।’

ধর্ম ও রাজনীতির প্রসঙ্গে এই প্রবীণ রাজনীতিক বলেন, ‘আমাদের দেশে বেহেশত-দোজখের টিকিট বিক্রি করা হয়। আর কেউ কিনতে না চাইলে তাকে খারাপ বানিয়ে দেওয়া হয়।’

রাজনীতি, ধর্ম এবং ধর্মব্যবসা এক নয় উল্লেখ করে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি সত্য কথা বলব, ন্যায়ের পথে চলব, আল্লাহ-রাসুলের দেখানো পথে চলব, কিন্তু ধর্মব্যবসা করব না।’

ফজলুর রহমান বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকতা ভারতবর্ষের সবচেয়ে সর্বনাশা আদর্শ। এই আদর্শকে পরাজিত না করা পর্যন্ত মনুষ্যত্ব প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তাই একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠন করতে হবে।’

কবি কাজী নজরুল ইসলাম বারবার অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলে গেছেন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘নজরুলের এই চেতনাই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত। নজরুল একজন সত্যবাদী ও প্রকৃত মানুষ। তাই তিনি মরে গিয়েও হাজার বছর বেঁচে থাকবেন তার এই চেতনার জন্য।’

এ সময় ১৯২৯ সালে জিন্নাহর ঘোষিত ১৪ দফার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘এতে মুসলমানদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী ও প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক দাবি ছিল।’

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় বাঙালি নেতাদের ভূমিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান আমরা সবাই মিলেই বানাইছিলাম, আমরা তো অস্বীকার করি না। কিন্তু বানাইয়া যখন দেখলাম পাকিস্তান ভালো না, তখন ৫২ সালেই আমরা ফাইট শুরু করলাম।’

তিনি বলেন, ‘১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের শাসন, এরপর ছয় দফা, ১১ দফা ও ১৯৭০ সালের নির্বাচন- এসব আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতার আন্দোলন এগিয়ে যায়।’

১৯৭০ সালের নির্বাচন প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, ‘সারা পাকিস্তানে মেজরিটি ভোট পায় শেখ মুজিবুর রহমান। এরপরও ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় যুদ্ধ শুরু হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।’

মুক্তিযুদ্ধে নিজের অংশগ্রহণের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘আমার বয়স তখন ২৩ বছর। আমি যুদ্ধে গিয়েছিলাম। যুদ্ধে যাই নাই শুধু, যুদ্ধকে সংগঠিত করেছিলাম।’

বাংলাদেশের পতাকা তৈরির সময় উপস্থিত থাকার দাবি করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পতাকা যে রাতে তৈরি হয়েছিল, আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। শিব নারায়ণ দাসের ঘনিষ্ঠ কর্মী ছিলাম আমি।’

মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের গুরুত্ব তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, ‘দিস ইজ নট দ্য আর্মস দ্যাট ফাইটস্, বাট দ্য ম্যান বিহাইন্ড দ্য আর্মস, অ্যান্ড আইডোলোজি বিহাইন্ড দ্য ম্যান দ্যাট ফাইটস্।’

জাতীয় পতাকা ও ‘আমার সোনার বাংলা’ গান নির্বাচনের সময়কার স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন তোলার সমালোচনা করে ফজলুর রহমান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধই সত্য। যখন কেউ বলছে মুক্তিযুদ্ধ হয় নাই, তখন সে কথা আমার বুকে লাগছে।”

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন এবং উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম বেগম, কিশোরগঞ্জ জেলা পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং সদস্য সচিব মামুন সরকার।

মেছবাহুল বারী’র ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
মেছবাহুল বারী’র ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশন ঘোষিত ‘বৃক্ষরোপণ আন্দোলন কর্মসূচি-২০২৬’-এর এ বছরের সর্বশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী পরগণার শিক্ষার বাতিঘর, স্বনামধন্য প্রয়াত চেয়ারম্যান ও দানবীর মরহুম মেছবাহুল বারী’র ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় বক্তাবলী ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মডেল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা, কবি কাজী নাজিম উদ্দিন সুমন।

ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন মরহুম মেছবাহুল বারীর সুযোগ্য সন্তান ও দৈনিক ইনকিলাবের সাহিত্য সম্পাদক জামালউদ্দিন বারী।

বৃক্ষরোপণপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক কাজী তানভীর হাসান। স্বাগত বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা গাজী সাঈদ দেলোয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা, ছড়াকার নজরুল ইসলাম শান্তু।

অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর ফারুক আল মামুন, সহ-সভাপতি কবি এম আর সেলিম, অর্থ সম্পাদক শুক্কুর মাহমুদ জুয়েল, প্রচার সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সদস্য মমিনুল ইসলাম, বশির খান, কবি মাহফুজ ইকরাম, ওমর ফারুক রানা, মূকাভিনেতা কাসেম, শাওন সরদার, আব্দুর রশিদ, অভিনেতা বশির খাঁন, সানাউল্লাহসহ ফাউন্ডেশনের কবি, ছড়াকার, সাহিত্যিক ও শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে, অনুষ্ঠানে মরিশাস থেকে অডিও বক্তব্যের মাধ্যমে যুক্ত হন নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশনের সভাপতি কবি ইকবাল হোসেন রোমেছ।

বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষার কর্মসূচি নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার সামাজিক অঙ্গীকার। মরহুম দানবীর মেছবাহুল বারীর স্মৃতিকে ধারণ করে এমন একটি জনকল্যাণমূলক আয়োজন তাঁর মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদনের অনন্য দৃষ্টান্ত।

৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য দেশের কোটি কোটি মানুষ প্রস্তুত: জামায়াত সেক্রেটারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য দেশের কোটি কোটি মানুষ প্রস্তুত: জামায়াত সেক্রেটারি

জুলাই সনদ, তিস্তা ব্যারেজ বাস্তবায়ন ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য দেশের কোটি কোটি মানুষ প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচির সর্বশেষ প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, লংমার্চের সময় সড়কের দুই পাশে কোটি মানুষ দাঁড়িয়ে কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানাবেন। ইতোমধ্যে লংমার্চের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, লংমার্চকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেওয়া যাবে না। তার দাবি, প্রথম লংমার্চের তুলনায় দ্বিতীয় লংমার্চে দেশের মানুষের অংশগ্রহণ কয়েক গুণ বাড়বে।

লংমার্চের কারণে সাধারণ মানুষের কিছুটা ভোগান্তি হতে পারে উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেন জামায়াতের এই নেতা। একই সঙ্গে কর্মসূচি সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

ব্রেকিং নিউজ