খুঁজুন
শনিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ইউপি সদস্যকে স্বামী দাবি করে ‘দুই নারীর’ চুল টানাটানি-হাতাহাতি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ
কুড়িগ্রামে ইউপি সদস্যকে স্বামী দাবি করে ‘দুই নারীর’ চুল টানাটানি-হাতাহাতি

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এক স্বামীকে কেন্দ্র করে দুই নারীর মধ্যে প্রকাশ্যে চুল টানাটানি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে লালমনিরহাটের তিস্তা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জনসমক্ষে দুই নারীর এই হাতাহাতির দৃশ্য ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনার কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তি লিটন সরকার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং পশ্চিম দেবোত্তর মৌজার চায়না বাজার এলাকার মৃত ফজল কমান্ডারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্য লিটন সরকারকে নিজের স্বামী দাবি করাকে কেন্দ্র করেই দুই নারীর মধ্যে এ বিরোধের সূত্রপাত। দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করা নারীর ভাষ্য, প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে লিটন তাকে বিয়ে করেছেন এবং সেই তালাকনামা তার কাছে সংরক্ষিত আছে। অন্যদিকে প্রথম স্ত্রীর দাবি, তাকে তালাক দেওয়া হয়নি এবং লিটন দ্বিতীয় কোনো বিয়েও করেননি। সোমবার সকালে তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে এ নিয়ে দুই নারীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই নারী একে অন্যকে উদ্দেশ্য করে চেঁচামেচি করছিলেন এবং চুল ধরে টানাটানি ও ধস্তাধস্তি করছিলেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুজনকে শান্ত করেন।

খবর পেয়ে লালমনিরহাটের গোকুণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন মেম্বার ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই নারীকে উদ্ধার করে নিজের জিম্মায় নেন এবং পরে তাদের চায়না বাজারে নিয়ে আসেন। সেখানেও উৎসুক জনতা ভিড় জমান।

গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন বলেন, ‘তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে দুজন নারী মারামারি করছেন শুনে সেখানে যাই। পরে দুজনকেই চায়না বাজারে নিয়ে আসি। তারা দুজনই লিটনের বউ বলে দাবি করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের আমার জিম্মায় রাখা হয়।’

গোকুন্ডা ইউনিয়নের মিঠু মিয়া বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ডে দুইটা মেয়ে চুল ধরে মারামারি শুরু করেন। আমরা তাদের ঝগড়া থামিয়ে নিয়ে আসি।’

লিটনের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জানান, লিটনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তিনি জানতে পারেন, লিটন ঢাকায় নেই। পরে লিটন প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন কি না, তা যাচাই করতেই তিনি সেখানে আসেন বলে দাবি করেন। তার কাছে তালাকনামা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তার দাবি, ‘লিটন আমাকে বলেছিল, সে তার বউকে ডিভোর্স দিয়েছে। সেটি যাচাই করার জন্য এসেছি।’

তিনি আরও জানান, তার আগে একটি সংসার ছিল এবং সেটি ত্যাগ করে লিটনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তিনি নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ফাইনাল ও ইন্টার্নি করছেন বলেও পরিচয় দেন।

অন্যদিকে লিটন সরকার বিয়ে করার বিষয়টি স্বীকার করলেও তিস্তা বাসস্ট্যান্ড ও চায়না বাজারে দুই নারীর মারামারির বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য না দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এ ঘটনায় চায়না বাজারসহ রাজারহাটজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের কেউ ঘটনাটিকে পারিবারিক বিরোধ হিসেবে দেখছেন আবার কেউ বিষয়টির আইনগত ও সামাজিক দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন সিনিয়র মাদ্রাসায় পরিণত হয়েছে: ফজলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন সিনিয়র মাদ্রাসায় পরিণত হয়েছে: ফজলুর রহমান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ‘সিনিয়র মাদ্রাসায়’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, ‘শুধু পোশাক-পরিচ্ছদ দিয়ে কেউ আলিম হয়ে যায় না; আলিম হতে হলে জ্ঞান অর্জন করতে হয়।’

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরাম আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ফজলুর রহমান বলেন, ‘তোমরা জ্ঞান অর্জন করো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন সিনিয়র মাদ্রাসায় পরিণত হয়েছে, তোমরা এ পথে যেও না। পোশাক এবং ভাষাই শুধু মানুষের প্রকৃতি নির্ধারণ করে না। পাঞ্জাবি, পায়জামা আর টুপি পরলেই কেউ আলিম হয় না, আলিম হতে গেলে এলেম জানতে হয়।’

ধর্ম ও রাজনীতির প্রসঙ্গে এই প্রবীণ রাজনীতিক বলেন, ‘আমাদের দেশে বেহেশত-দোজখের টিকিট বিক্রি করা হয়। আর কেউ কিনতে না চাইলে তাকে খারাপ বানিয়ে দেওয়া হয়।’

রাজনীতি, ধর্ম এবং ধর্মব্যবসা এক নয় উল্লেখ করে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি সত্য কথা বলব, ন্যায়ের পথে চলব, আল্লাহ-রাসুলের দেখানো পথে চলব, কিন্তু ধর্মব্যবসা করব না।’

ফজলুর রহমান বলেন, ‘সাম্প্রদায়িকতা ভারতবর্ষের সবচেয়ে সর্বনাশা আদর্শ। এই আদর্শকে পরাজিত না করা পর্যন্ত মনুষ্যত্ব প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তাই একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠন করতে হবে।’

কবি কাজী নজরুল ইসলাম বারবার অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলে গেছেন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘নজরুলের এই চেতনাই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত। নজরুল একজন সত্যবাদী ও প্রকৃত মানুষ। তাই তিনি মরে গিয়েও হাজার বছর বেঁচে থাকবেন তার এই চেতনার জন্য।’

এ সময় ১৯২৯ সালে জিন্নাহর ঘোষিত ১৪ দফার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘এতে মুসলমানদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী ও প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনসহ বিভিন্ন সাংবিধানিক দাবি ছিল।’

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় বাঙালি নেতাদের ভূমিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান আমরা সবাই মিলেই বানাইছিলাম, আমরা তো অস্বীকার করি না। কিন্তু বানাইয়া যখন দেখলাম পাকিস্তান ভালো না, তখন ৫২ সালেই আমরা ফাইট শুরু করলাম।’

তিনি বলেন, ‘১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের শাসন, এরপর ছয় দফা, ১১ দফা ও ১৯৭০ সালের নির্বাচন- এসব আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতার আন্দোলন এগিয়ে যায়।’

১৯৭০ সালের নির্বাচন প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, ‘সারা পাকিস্তানে মেজরিটি ভোট পায় শেখ মুজিবুর রহমান। এরপরও ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় যুদ্ধ শুরু হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।’

মুক্তিযুদ্ধে নিজের অংশগ্রহণের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘আমার বয়স তখন ২৩ বছর। আমি যুদ্ধে গিয়েছিলাম। যুদ্ধে যাই নাই শুধু, যুদ্ধকে সংগঠিত করেছিলাম।’

বাংলাদেশের পতাকা তৈরির সময় উপস্থিত থাকার দাবি করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পতাকা যে রাতে তৈরি হয়েছিল, আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। শিব নারায়ণ দাসের ঘনিষ্ঠ কর্মী ছিলাম আমি।’

মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের গুরুত্ব তুলে ধরে ফজলুর রহমান বলেন, ‘দিস ইজ নট দ্য আর্মস দ্যাট ফাইটস্, বাট দ্য ম্যান বিহাইন্ড দ্য আর্মস, অ্যান্ড আইডোলোজি বিহাইন্ড দ্য ম্যান দ্যাট ফাইটস্।’

জাতীয় পতাকা ও ‘আমার সোনার বাংলা’ গান নির্বাচনের সময়কার স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন তোলার সমালোচনা করে ফজলুর রহমান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধই সত্য। যখন কেউ বলছে মুক্তিযুদ্ধ হয় নাই, তখন সে কথা আমার বুকে লাগছে।”

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন এবং উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম বেগম, কিশোরগঞ্জ জেলা পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং সদস্য সচিব মামুন সরকার।

মেছবাহুল বারী’র ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
মেছবাহুল বারী’র ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশন ঘোষিত ‘বৃক্ষরোপণ আন্দোলন কর্মসূচি-২০২৬’-এর এ বছরের সর্বশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী পরগণার শিক্ষার বাতিঘর, স্বনামধন্য প্রয়াত চেয়ারম্যান ও দানবীর মরহুম মেছবাহুল বারী’র ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় বক্তাবলী ইসলামিয়া সিনিয়র আলিম মডেল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা, কবি কাজী নাজিম উদ্দিন সুমন।

ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন মরহুম মেছবাহুল বারীর সুযোগ্য সন্তান ও দৈনিক ইনকিলাবের সাহিত্য সম্পাদক জামালউদ্দিন বারী।

বৃক্ষরোপণপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক কাজী তানভীর হাসান। স্বাগত বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা গাজী সাঈদ দেলোয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা, ছড়াকার নজরুল ইসলাম শান্তু।

অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর ফারুক আল মামুন, সহ-সভাপতি কবি এম আর সেলিম, অর্থ সম্পাদক শুক্কুর মাহমুদ জুয়েল, প্রচার সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সদস্য মমিনুল ইসলাম, বশির খান, কবি মাহফুজ ইকরাম, ওমর ফারুক রানা, মূকাভিনেতা কাসেম, শাওন সরদার, আব্দুর রশিদ, অভিনেতা বশির খাঁন, সানাউল্লাহসহ ফাউন্ডেশনের কবি, ছড়াকার, সাহিত্যিক ও শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে, অনুষ্ঠানে মরিশাস থেকে অডিও বক্তব্যের মাধ্যমে যুক্ত হন নারায়ণগঞ্জ জেলা সাহিত্য ফাউন্ডেশনের সভাপতি কবি ইকবাল হোসেন রোমেছ।

বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষার কর্মসূচি নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার সামাজিক অঙ্গীকার। মরহুম দানবীর মেছবাহুল বারীর স্মৃতিকে ধারণ করে এমন একটি জনকল্যাণমূলক আয়োজন তাঁর মানবিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদনের অনন্য দৃষ্টান্ত।

৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য দেশের কোটি কোটি মানুষ প্রস্তুত: জামায়াত সেক্রেটারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য দেশের কোটি কোটি মানুষ প্রস্তুত: জামায়াত সেক্রেটারি

জুলাই সনদ, তিস্তা ব্যারেজ বাস্তবায়ন ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য দেশের কোটি কোটি মানুষ প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচির সর্বশেষ প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, লংমার্চের সময় সড়কের দুই পাশে কোটি মানুষ দাঁড়িয়ে কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানাবেন। ইতোমধ্যে লংমার্চের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, লংমার্চকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের উসকানিতে পা দেওয়া যাবে না। তার দাবি, প্রথম লংমার্চের তুলনায় দ্বিতীয় লংমার্চে দেশের মানুষের অংশগ্রহণ কয়েক গুণ বাড়বে।

লংমার্চের কারণে সাধারণ মানুষের কিছুটা ভোগান্তি হতে পারে উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেন জামায়াতের এই নেতা। একই সঙ্গে কর্মসূচি সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

ব্রেকিং নিউজ